রক্সি পেইন্টের টাকা আত্মসাৎ করতেই ম্যানেজারকে হত্যা
jugantor
রক্সি পেইন্টের টাকা আত্মসাৎ করতেই ম্যানেজারকে হত্যা

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  

০৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রক্সি পেইন্টের টাকা আত্মসাৎ করতেই কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ম্যানেজার লোকমান হোসেনকে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাবা-ছেলে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানা গেছে।

র‌্যাব কুষ্টিয়া কার্যালয়ে সোমবার কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান সাংবাদিকদের জানান, ২ আগস্ট রক্সি পেইন্টের আঞ্চলিক ম্যানেজার লোকমান হোসেন বকেয়া ২ লাখ টাকা আদায়ে ভেড়ামারার দর্পণ হার্ডওয়্যারে যান। দোকানের মালিক দর্পণ আলী আগেই ছেলে আব্দুল আউয়াল র‌্যাভেনের কাছে টাকা দিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু র‌্যাভেন ওই টাকা আত্মসাৎ করতে লোকমানকে হত্যার পরিকল্পনা করে। সেই অনুযায়ী লোকমানকে র‌্যাভেনের ছোট ভাই সোহানুর রহমান সোহান তাদের গুদামে নিয়ে যায়। সেখানে কাচারীপাড়ার সেরেগুল ইসলামের ছেলে প্রান্ত ইসলাম সাব্বির ও তাহাজ আলীর ছেলে শুভকে সঙ্গে নিয়ে সোহান লোকমানকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরদিন সোহান বিষয়টি দর্পণ আলীকে জানালে তিনি লাশটি গুম করে ফেলতে বলেন। পরে গভীর রাতে র‌্যাভেনের বন্ধু জীবন ও কর্মচারী তুহিন লাশটি ভেড়ামারা পাইলট হাইস্কুলের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়।

লোকমানের স্ত্রী প্রথমে জিডি ও ৩ আগস্ট ভেড়ামারা থানায় মামলা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সাভার থেকে দর্পণ আলী ও ছেলে সোহানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

রক্সি পেইন্টের টাকা আত্মসাৎ করতেই ম্যানেজারকে হত্যা

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
০৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রক্সি পেইন্টের টাকা আত্মসাৎ করতেই কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ম্যানেজার লোকমান হোসেনকে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাবা-ছেলে র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারের পর এ তথ্য জানা গেছে।

র‌্যাব কুষ্টিয়া কার্যালয়ে সোমবার কোম্পানি কমান্ডার মোহাম্মদ ইলিয়াস খান সাংবাদিকদের জানান, ২ আগস্ট রক্সি পেইন্টের আঞ্চলিক ম্যানেজার লোকমান হোসেন বকেয়া ২ লাখ টাকা আদায়ে ভেড়ামারার দর্পণ হার্ডওয়্যারে যান। দোকানের মালিক দর্পণ আলী আগেই ছেলে আব্দুল আউয়াল র‌্যাভেনের কাছে টাকা দিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু র‌্যাভেন ওই টাকা আত্মসাৎ করতে লোকমানকে হত্যার পরিকল্পনা করে। সেই অনুযায়ী লোকমানকে র‌্যাভেনের ছোট ভাই সোহানুর রহমান সোহান তাদের গুদামে নিয়ে যায়। সেখানে কাচারীপাড়ার সেরেগুল ইসলামের ছেলে প্রান্ত ইসলাম সাব্বির ও তাহাজ আলীর ছেলে শুভকে সঙ্গে নিয়ে সোহান লোকমানকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরদিন সোহান বিষয়টি দর্পণ আলীকে জানালে তিনি লাশটি গুম করে ফেলতে বলেন। পরে গভীর রাতে র‌্যাভেনের বন্ধু জীবন ও কর্মচারী তুহিন লাশটি ভেড়ামারা পাইলট হাইস্কুলের পাশে ফেলে পালিয়ে যায়।

লোকমানের স্ত্রী প্রথমে জিডি ও ৩ আগস্ট ভেড়ামারা থানায় মামলা করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সাভার থেকে দর্পণ আলী ও ছেলে সোহানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর