উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা মানেন না মেয়র!
jugantor
কক্সবাজার পৌরসভা
উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা মানেন না মেয়র!

  জসিম উদ্দিন, কক্সবাজার  

০৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

উচ্চ আদালতের চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ১৪৪ ধারা জারি থাকার পরও খতিয়ানভুক্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির স্থাপনা জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার পৌর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে চলা উচ্ছেদ অভিযানে অন্তত ৪০টি দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ওমর ফারুক। এতে তাদের অন্তত ৫০ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ওমর ফারুক জানান, শহরের ঝাউতলা গাড়ির মাঠ এলাকায় পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো জায়গা নেই। কিন্তু ঝাউতলা গাড়ির মাঠ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এলাকার সব সড়ক, উপসড়ক, স্কুল, মাদ্রাসাসহ জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তারা অন্তত ১৬০ শতক জায়গা দেড় যুগ আগে অধিগ্রহণ ছাড়াই ছেড়ে দিয়েছেন। তাদের দেওয়া জমিতে সড়ক হওয়ার পর এলাকাটির ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এরপরও ক্ষোভের বসে পৌর মেয়র তাদের স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করেছেন।

তিনি বলেন, ঝাউতলায় কক্সবাজার সদর মৌজার আরএস ১১৩১ খতিয়ানের ৩৮৩ এবং ২৫০২ দাগের সম্পূর্ণ অংশ ১৫ একর ৭৮ শতক জমি আমার পিতা মরহুম শামসুল হুদাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে সাজেদা খাতুনের কাছ থেকে আরএস মূলে ১৯৮৫ সালে ক্রয় করা। সেই থেকে ওই জমি আমরা ভোগদখলে আছি। যা জরিপ মূলে আমাদের নামে বিএস ২৭২ খতিয়ান প্রচার আছে। আরএস খতিয়ানে কোনোরকম রাস্তার উল্লেখ নেই। আছে শুধু দুটি প্লট। পরে এলাকার স্বার্থে আমরা ওই প্লটে ড্রেনের জায়গাসহ ১৫ ফুট করে ১নং থেকে ৫নং পর্যন্ত ৫টি রাস্তা এবং নালিশি জমিতে ২৫ ফুট রাস্তার জায়গা দিয়েছি। যা আমাদের নামে প্রচারিত বিএস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত।

তিনি বলেন, এতকিছুর পরও সড়ক পাকাকরণ উন্নয়ন কাজের কথা বলে আমাদের দোকানঘরগুলো উচ্ছেদের চেষ্টা চালায় পৌর কর্তৃপক্ষ। আগের দেওয়া রাস্তার জায়গা ছাড়াও নতুন করে কেন দোকানঘর ভেঙে রাস্তা ঢুকানোর চেষ্টা চলছে-এমন প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হই। আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন। এরপরও পৌর কর্তৃপক্ষ আমাদের দোকানপাট ভাঙার চেষ্টা করায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপস্থাপন করলে এডিএম ১৪৪ ধারার আদেশ দেন। উচ্চ আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও এখানকার ১৪৪ ধারা অনমান্য করে ২৬ জুলাই কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহীর নেতৃত্বে শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী গুরা মিয়া ও শতাধিক ভাড়াটিয়ার সহযোগিতায় আমাদের জমির ওপর গড়ে তোলা দোকানপাট ভেঙে জোরপূর্বক দখল করেছে; যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে পৌরসভায় লিখিত আবেদন করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং মেয়র আমাদের উচ্চ আদালতের রায় চুবিয়ে চা খেতে বলেছেন।

তিনি বলেন, আমার নানি জুহুরা বেগম ওই জমির মালিকদের একজন। তার চিকিৎসা ও ওষুধ খরচ চলত ওই দোকানের ভাড়ার টাকায়। কিন্তু তিনি তার শেষ সম্বল জমিটুকু হারানোর পর শোকে হার্ট অ্যাটাক করেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। ওমর ফারুক আরও বলেন, আদালতের রায় ও নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও পুলিশের সহযোগিতা পাইনি। এখন আমাকে মামলা-হামলার হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই সদর থানায় জিডি করেছি। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও এডিএমের ১৪৪ ধারা অমান্য করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির দোকানঘর উচ্ছেদের বিষয়ে কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী একেএম তারিকুল আলম বলেন, ঝাউতলাতে সড়কের ওপর কিছু দোকানঘরের কারণে চলমান উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। সেসব সরাতে আমরা টিমওয়ার্ক করেছি। কারও ব্যক্তিমালিকানা বা আদালতের নিষেধাজ্ঞার জায়গায় আমরা যাইনি। এরপরও এমন কিছু হলে আমাদের স্টাফ, প্রকৌশলীরা ভালো জানবেন।

এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি নিয়ে সাংবাদ সম্মেলন করেছে জানতে পেরে পৌরসভার পক্ষ নিয়ে সমাবেশ করেছে শহরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দোকান ভাঙতে ভাড়ায় খাটা গুরা মিয়া ও ফাতেমা আনকিজ ডেইজি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গুরা মিয়া বলেন, আমরা পৌরসভার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কাউকে থামাতে দেব না। আমি সন্ত্রাসী নই, আমি ৩০টি মামলা খেয়েছি নানাভাবে। তারাও আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। রাস্তার জায়গা কী করে ব্যক্তিমালিকানাধীন হয়? উল্টো প্রশ্ন রাখেন গুরা মিয়া। পৌরসভার পক্ষ নিয়ে কয়েকদিন ধরে শতাধিক নারী নিয়ে সভা-সমাবেশ করা ডেইজি বলেন, আমরা মেয়রের পক্ষে ছিলাম-আছি। কারণ মেয়র মুজিবুর রহমান উন্নয়নের মাধ্যমে কক্সবাজারকে বদলে দিচ্ছেন। কোনোভাবে এই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, পুরো এলাকাবাসী এক হয়ে গেছে একটি পরিবারের বিপক্ষে। শত শত মানুষের বিপক্ষে। আমাদের কী করার আছে?

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানের মুঠোফোনে কল করা হয়। তিনি ফোন না ধরায় পৌরসভায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠানো হয়। এরও কোনো জবাব দেননি মেয়র মুজিব। এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ বলেন, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্তৃক আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উচ্ছেদের বিষয়টা আমার জানা নেই। এমনটি ঘটে থাকলে তা দুঃখজনক। এ বিষয়ে খোঁজ নেব।

কক্সবাজার পৌরসভা

উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা মানেন না মেয়র!

 জসিম উদ্দিন, কক্সবাজার 
০৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

উচ্চ আদালতের চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ১৪৪ ধারা জারি থাকার পরও খতিয়ানভুক্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির স্থাপনা জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে কক্সবাজার পৌর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে চলা উচ্ছেদ অভিযানে অন্তত ৪০টি দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক ওমর ফারুক। এতে তাদের অন্তত ৫০ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য ওমর ফারুক জানান, শহরের ঝাউতলা গাড়ির মাঠ এলাকায় পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো জায়গা নেই। কিন্তু ঝাউতলা গাড়ির মাঠ এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে এলাকার সব সড়ক, উপসড়ক, স্কুল, মাদ্রাসাসহ জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য তারা অন্তত ১৬০ শতক জায়গা দেড় যুগ আগে অধিগ্রহণ ছাড়াই ছেড়ে দিয়েছেন। তাদের দেওয়া জমিতে সড়ক হওয়ার পর এলাকাটির ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এরপরও ক্ষোভের বসে পৌর মেয়র তাদের স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করেছেন।

তিনি বলেন, ঝাউতলায় কক্সবাজার সদর মৌজার আরএস ১১৩১ খতিয়ানের ৩৮৩ এবং ২৫০২ দাগের সম্পূর্ণ অংশ ১৫ একর ৭৮ শতক জমি আমার পিতা মরহুম শামসুল হুদাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের নামে সাজেদা খাতুনের কাছ থেকে আরএস মূলে ১৯৮৫ সালে ক্রয় করা। সেই থেকে ওই জমি আমরা ভোগদখলে আছি। যা জরিপ মূলে আমাদের নামে বিএস ২৭২ খতিয়ান প্রচার আছে। আরএস খতিয়ানে কোনোরকম রাস্তার উল্লেখ নেই। আছে শুধু দুটি প্লট। পরে এলাকার স্বার্থে আমরা ওই প্লটে ড্রেনের জায়গাসহ ১৫ ফুট করে ১নং থেকে ৫নং পর্যন্ত ৫টি রাস্তা এবং নালিশি জমিতে ২৫ ফুট রাস্তার জায়গা দিয়েছি। যা আমাদের নামে প্রচারিত বিএস খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত।

তিনি বলেন, এতকিছুর পরও সড়ক পাকাকরণ উন্নয়ন কাজের কথা বলে আমাদের দোকানঘরগুলো উচ্ছেদের চেষ্টা চালায় পৌর কর্তৃপক্ষ। আগের দেওয়া রাস্তার জায়গা ছাড়াও নতুন করে কেন দোকানঘর ভেঙে রাস্তা ঢুকানোর চেষ্টা চলছে-এমন প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হই। আদালত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন। এরপরও পৌর কর্তৃপক্ষ আমাদের দোকানপাট ভাঙার চেষ্টা করায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপস্থাপন করলে এডিএম ১৪৪ ধারার আদেশ দেন। উচ্চ আদালতের স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও এখানকার ১৪৪ ধারা অনমান্য করে ২৬ জুলাই কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহীর নেতৃত্বে শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী গুরা মিয়া ও শতাধিক ভাড়াটিয়ার সহযোগিতায় আমাদের জমির ওপর গড়ে তোলা দোকানপাট ভেঙে জোরপূর্বক দখল করেছে; যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে পৌরসভায় লিখিত আবেদন করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং মেয়র আমাদের উচ্চ আদালতের রায় চুবিয়ে চা খেতে বলেছেন।

তিনি বলেন, আমার নানি জুহুরা বেগম ওই জমির মালিকদের একজন। তার চিকিৎসা ও ওষুধ খরচ চলত ওই দোকানের ভাড়ার টাকায়। কিন্তু তিনি তার শেষ সম্বল জমিটুকু হারানোর পর শোকে হার্ট অ্যাটাক করেন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন। ওমর ফারুক আরও বলেন, আদালতের রায় ও নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও পুলিশের সহযোগিতা পাইনি। এখন আমাকে মামলা-হামলার হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই সদর থানায় জিডি করেছি। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও এডিএমের ১৪৪ ধারা অমান্য করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির দোকানঘর উচ্ছেদের বিষয়ে কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী একেএম তারিকুল আলম বলেন, ঝাউতলাতে সড়কের ওপর কিছু দোকানঘরের কারণে চলমান উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হচ্ছিল। সেসব সরাতে আমরা টিমওয়ার্ক করেছি। কারও ব্যক্তিমালিকানা বা আদালতের নিষেধাজ্ঞার জায়গায় আমরা যাইনি। এরপরও এমন কিছু হলে আমাদের স্টাফ, প্রকৌশলীরা ভালো জানবেন।

এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি নিয়ে সাংবাদ সম্মেলন করেছে জানতে পেরে পৌরসভার পক্ষ নিয়ে সমাবেশ করেছে শহরের চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দোকান ভাঙতে ভাড়ায় খাটা গুরা মিয়া ও ফাতেমা আনকিজ ডেইজি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গুরা মিয়া বলেন, আমরা পৌরসভার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কাউকে থামাতে দেব না। আমি সন্ত্রাসী নই, আমি ৩০টি মামলা খেয়েছি নানাভাবে। তারাও আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। রাস্তার জায়গা কী করে ব্যক্তিমালিকানাধীন হয়? উল্টো প্রশ্ন রাখেন গুরা মিয়া। পৌরসভার পক্ষ নিয়ে কয়েকদিন ধরে শতাধিক নারী নিয়ে সভা-সমাবেশ করা ডেইজি বলেন, আমরা মেয়রের পক্ষে ছিলাম-আছি। কারণ মেয়র মুজিবুর রহমান উন্নয়নের মাধ্যমে কক্সবাজারকে বদলে দিচ্ছেন। কোনোভাবে এই উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মুনীর উল গীয়াস বলেন, পুরো এলাকাবাসী এক হয়ে গেছে একটি পরিবারের বিপক্ষে। শত শত মানুষের বিপক্ষে। আমাদের কী করার আছে?

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমানের মুঠোফোনে কল করা হয়। তিনি ফোন না ধরায় পৌরসভায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠানো হয়। এরও কোনো জবাব দেননি মেয়র মুজিব। এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ বলেন, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্তৃক আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে উচ্ছেদের বিষয়টা আমার জানা নেই। এমনটি ঘটে থাকলে তা দুঃখজনক। এ বিষয়ে খোঁজ নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন