ট্রানজিট চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় পণ্য নিয়ে জাহাজ মোংলা বন্দরে
jugantor
ট্রানজিট চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় পণ্য নিয়ে জাহাজ মোংলা বন্দরে

  মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি  

০৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নৌ ও সড়কপথে পরিবহণের ট্রানজিট চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় পণ্য নিয়ে জাহাজ ভিড়েছে মোংলা সমুদ্রবন্দরে। কলকাতা বন্দর থেকে আসা পণ্য খালাস হয়ে সড়কপথে পৌঁছাবে ভারতের আসাম ও মেঘালয় প্রদেশে। মাত্র ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যেই এ পণ্য পৌঁছে যাবে গন্তব্যে। পণ্য পরিবহণে খরচ ও সময় সাশ্রয়ে ভারত এখন থেকে মোংলা বন্দর ব্যবহার করবে। বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী ৪টি ট্রায়াল রানের প্রথম পণ্যের চালান নিয়ে সোমবার সকালে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘এমভি রিশাদ রাইহান’ মোংলা বন্দরের ৯নং জেটিতে ভিড়ে। দুপুর ১২টায় বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা ও ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ইনডার জিত সাগর আনুষ্ঠানিকভাবে পণ্য খালাস কাজের উদ্বোধন করেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানির ট্রায়াল কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ সময় বন্দরের পদস্থ কর্মকর্তা, কাস্টমসসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

মার্কস লাইনের ২টি কনটেইনারের মধ্যে ১টি কনটেইনারে ইলেক্ট্রোস্টিল কাস্টিংস লিমিটেডের ৭০ প্যাকেজে ১৬.৩৮০ টন লোহার পাইপ এবং বিবিরবাজার-শ্রীমন্তপুর সীমান্ত পয়েন্ট ব্যবহার করে আসাম ও আরেকটি কনটেইনারে ২৪৯ প্যাকেজে ৮.৫ টন প্রিফোম সড়কপথে মেঘালয় পৌঁছাবে।

২০২২ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত ১৩তম ভারত-বাংলাদেশ জয়েন্ট গ্রুপ অব কাস্টমস (জেএসসি) বৈঠকের পর ট্রায়াল রান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

ট্রানজিট চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় পণ্য নিয়ে জাহাজ মোংলা বন্দরে

 মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি 
০৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নৌ ও সড়কপথে পরিবহণের ট্রানজিট চুক্তি অনুযায়ী ভারতীয় পণ্য নিয়ে জাহাজ ভিড়েছে মোংলা সমুদ্রবন্দরে। কলকাতা বন্দর থেকে আসা পণ্য খালাস হয়ে সড়কপথে পৌঁছাবে ভারতের আসাম ও মেঘালয় প্রদেশে। মাত্র ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যেই এ পণ্য পৌঁছে যাবে গন্তব্যে। পণ্য পরিবহণে খরচ ও সময় সাশ্রয়ে ভারত এখন থেকে মোংলা বন্দর ব্যবহার করবে। বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য চুক্তি অনুযায়ী ৪টি ট্রায়াল রানের প্রথম পণ্যের চালান নিয়ে সোমবার সকালে বাংলাদেশি পতাকাবাহী ‘এমভি রিশাদ রাইহান’ মোংলা বন্দরের ৯নং জেটিতে ভিড়ে। দুপুর ১২টায় বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা ও ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ইনডার জিত সাগর আনুষ্ঠানিকভাবে পণ্য খালাস কাজের উদ্বোধন করেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানির ট্রায়াল কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ সময় বন্দরের পদস্থ কর্মকর্তা, কাস্টমসসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

মার্কস লাইনের ২টি কনটেইনারের মধ্যে ১টি কনটেইনারে ইলেক্ট্রোস্টিল কাস্টিংস লিমিটেডের ৭০ প্যাকেজে ১৬.৩৮০ টন লোহার পাইপ এবং বিবিরবাজার-শ্রীমন্তপুর সীমান্ত পয়েন্ট ব্যবহার করে আসাম ও আরেকটি কনটেইনারে ২৪৯ প্যাকেজে ৮.৫ টন প্রিফোম সড়কপথে মেঘালয় পৌঁছাবে।

২০২২ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত ১৩তম ভারত-বাংলাদেশ জয়েন্ট গ্রুপ অব কাস্টমস (জেএসসি) বৈঠকের পর ট্রায়াল রান পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর