দাম কমাতে প্রয়োজনে ডিম আমদানি হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
jugantor
দাম কমাতে প্রয়োজনে ডিম আমদানি হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
ব্যবসায়ীরা অনেক সুযোগ নিয়েছে * চাল কেজিতে ৪ টাকা বৃদ্ধি অযৌক্তিক

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৮ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চালের মূল্য কেজিতে ৪ টাকা বৃদ্ধি অযৌক্তিক। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কেজিতে ৫০ পয়সা বাড়তে পারে। সেটি আমাদের হিসাব আছে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা এক লাফে এ সুযোগ নিয়েছে। বুধবার এক কোটি পরিবারের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ডিমের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে প্রয়োজনে আমদানি করা হবে। আর ভোজ্যতেলের মূল্য শিগগিরই সমন্বয় করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। আগামী অক্টোবরে জিনিসপত্রের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে-এমন আশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানতে চাওয়া হয় কবে নাগাদ বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেটা বলা যাবে না, তবে আমরা খুব আশাবাদী অক্টোবরের মধ্যে কিছুটা কমে আসবে। পুতিন সাহেব কবে যুদ্ধ বন্ধ করবেন। সেটা তো আমার হিসাবের মধ্যে নেই।’ এ সময় অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের একটু সময় দেন। সবাই মিলে চেষ্টা করছি। ডলারের দামটা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। খুব চেষ্টা করা হচ্ছে, কীভাবে কী করা যায়। আপনারা সবই জানেন, সরকার চেষ্টা করছে। আমরা স্বীকার করেছি, মানুষ কষ্টে আছে। তা লাঘবের জন্য প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে সিন্ডিকেট করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে-আপনারা মনিটরিং করছেন কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে। তবে সবকিছু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে না। আর সব বিষয় আমি আপনাদের বোঝাতে পারব, তা কিন্তু না। যে পরিমাণ বাড়ার কথা তার থেকে অনেক বেশি সুযোগ নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। এটা সত্যি কথা।

ডিমের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে টিপু মুনশি বলেন, দাম কমানোর স্বার্থে প্রয়োজন হলে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদি এমনটাই সত্যি হয় যে, ডিম আমদানি করলে পরে এটা (দাম) কমবে, তাহলে আমরা আমদানির সিদ্ধান্ত নেব। পাশাপাশি এর মূল্য দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে কৃষি, মৎস্যসহ কয়েকটা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়নি বলেও মন্তব্য করেছেন মন্ত্রী। তার মতে, টিআইবি যে কোনো বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতেই পারে, তবে তা সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। টিসিবির পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দেশব্যাপী প্রায় ৩ হাজার ৩০০ ডিলারের মাধ্যমে এ পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। ডিলারের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য কাজ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব (সিনিয়র) তপন কান্তি ঘোষ, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) চেয়ারম্যান ব্রি. জে. আরিফুল হাসান এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

দাম কমাতে প্রয়োজনে ডিম আমদানি হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

ব্যবসায়ীরা অনেক সুযোগ নিয়েছে * চাল কেজিতে ৪ টাকা বৃদ্ধি অযৌক্তিক
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৮ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চালের মূল্য কেজিতে ৪ টাকা বৃদ্ধি অযৌক্তিক। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে কেজিতে ৫০ পয়সা বাড়তে পারে। সেটি আমাদের হিসাব আছে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীরা এক লাফে এ সুযোগ নিয়েছে। বুধবার এক কোটি পরিবারের মধ্যে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি কার্যক্রম নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ডিমের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে প্রয়োজনে আমদানি করা হবে। আর ভোজ্যতেলের মূল্য শিগগিরই সমন্বয় করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। আগামী অক্টোবরে জিনিসপত্রের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে-এমন আশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জানতে চাওয়া হয় কবে নাগাদ বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেটা বলা যাবে না, তবে আমরা খুব আশাবাদী অক্টোবরের মধ্যে কিছুটা কমে আসবে। পুতিন সাহেব কবে যুদ্ধ বন্ধ করবেন। সেটা তো আমার হিসাবের মধ্যে নেই।’ এ সময় অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের একটু সময় দেন। সবাই মিলে চেষ্টা করছি। ডলারের দামটা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। খুব চেষ্টা করা হচ্ছে, কীভাবে কী করা যায়। আপনারা সবই জানেন, সরকার চেষ্টা করছে। আমরা স্বীকার করেছি, মানুষ কষ্টে আছে। তা লাঘবের জন্য প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে সিন্ডিকেট করে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে-আপনারা মনিটরিং করছেন কি না, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়গুলো দেখা হচ্ছে। তবে সবকিছু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে না। আর সব বিষয় আমি আপনাদের বোঝাতে পারব, তা কিন্তু না। যে পরিমাণ বাড়ার কথা তার থেকে অনেক বেশি সুযোগ নিয়েছে ব্যবসায়ীরা। এটা সত্যি কথা।

ডিমের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে টিপু মুনশি বলেন, দাম কমানোর স্বার্থে প্রয়োজন হলে আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যদি এমনটাই সত্যি হয় যে, ডিম আমদানি করলে পরে এটা (দাম) কমবে, তাহলে আমরা আমদানির সিদ্ধান্ত নেব। পাশাপাশি এর মূল্য দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে কৃষি, মৎস্যসহ কয়েকটা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে টিসিবির ভর্তুকি মূল্যে পণ্য বিক্রি নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন যথাযথ তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়নি বলেও মন্তব্য করেছেন মন্ত্রী। তার মতে, টিআইবি যে কোনো বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতেই পারে, তবে তা সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে হওয়া উচিত। টিসিবির পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দেশব্যাপী প্রায় ৩ হাজার ৩০০ ডিলারের মাধ্যমে এ পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে। ডিলারের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য কাজ করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব (সিনিয়র) তপন কান্তি ঘোষ, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) চেয়ারম্যান ব্রি. জে. আরিফুল হাসান এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম শফিকুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন