শিক্ষার নামে কেয়ার মেডিকেল কলেজ প্রতারণা করছে
jugantor
শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
শিক্ষার নামে কেয়ার মেডিকেল কলেজ প্রতারণা করছে

  মোহাম্মদপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষার নামে প্রতারণা করছে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের কেয়ার মেডিকেল কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে অন্যত্র মাইগ্রেশনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজে শিক্ষকশূন্যতা বিরাজ করছে। পরীক্ষার ৪-৫ দিন আগে গেস্ট টিচার এনে শুধু পরীক্ষা নিয়ে কোর্স শেষ করছে। এ অনিয়মের বিরুদ্ধে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা ইউটিউবে ভিডিও দেখে চিকিৎসক হওয়ার পরামর্শ দেন। ২০১৮ সালের পর থেকে এই মেডিকেল কলেজটির বিএমডিসির কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই। কলেজের এসব অনিয়ম ও অসঙ্গতি তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিএডিসি বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের মধ্যে আরও রয়েছে-কলেজের ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ সেশন পর্যন্ত কোনো ছাত্রছাত্রীর বিএম এবং ডিসি অনুমোদন নেই। ছাত্রছাত্রীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বললে তারা বরাবরের মতোই রেজিস্ট্রেশন পাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দেয়। এছাড়া রেজিস্ট্রেশন না থাকায় গত ৯ মাসেও শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ শুরু করতে পারেনি, কলেজে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, হাসপাতালে বেড নেই, অধিকাংশ সময় সব ওয়ার্ড রোগীশূন্য থাকে, কোনো ক্লিনিক্যাল ক্লাস হয় না, সুষ্ঠু একাডেমিক কার্যক্রম চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নেই, ভর্তির সময় ছাত্রছাত্রীদের জন্য হোস্টেলের ব্যবস্থা আছে বলা হলেও পরে তা দৃশ্যমান হয়নি। শিক্ষার্থীরা কলেজের এসব অনিয়মের সমাধান চান। তারা জানান, যতদিন পর্যন্ত কলেজ মাইগ্রেশনের ব্যবস্থা না করবে ততদিন তাদের আন্দোলন চালবে।

শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

শিক্ষার নামে কেয়ার মেডিকেল কলেজ প্রতারণা করছে

 মোহাম্মদপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শিক্ষার নামে প্রতারণা করছে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের কেয়ার মেডিকেল কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ এনে অন্যত্র মাইগ্রেশনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজে শিক্ষকশূন্যতা বিরাজ করছে। পরীক্ষার ৪-৫ দিন আগে গেস্ট টিচার এনে শুধু পরীক্ষা নিয়ে কোর্স শেষ করছে। এ অনিয়মের বিরুদ্ধে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা ইউটিউবে ভিডিও দেখে চিকিৎসক হওয়ার পরামর্শ দেন। ২০১৮ সালের পর থেকে এই মেডিকেল কলেজটির বিএমডিসির কোনো রেজিস্ট্রেশন নেই। কলেজের এসব অনিয়ম ও অসঙ্গতি তুলে ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বিএডিসি বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের মধ্যে আরও রয়েছে-কলেজের ২০১৭-১৮ থেকে ২০২০-২১ সেশন পর্যন্ত কোনো ছাত্রছাত্রীর বিএম এবং ডিসি অনুমোদন নেই। ছাত্রছাত্রীরা কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বললে তারা বরাবরের মতোই রেজিস্ট্রেশন পাওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দেয়। এছাড়া রেজিস্ট্রেশন না থাকায় গত ৯ মাসেও শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ শুরু করতে পারেনি, কলেজে পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, হাসপাতালে বেড নেই, অধিকাংশ সময় সব ওয়ার্ড রোগীশূন্য থাকে, কোনো ক্লিনিক্যাল ক্লাস হয় না, সুষ্ঠু একাডেমিক কার্যক্রম চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নেই, ভর্তির সময় ছাত্রছাত্রীদের জন্য হোস্টেলের ব্যবস্থা আছে বলা হলেও পরে তা দৃশ্যমান হয়নি। শিক্ষার্থীরা কলেজের এসব অনিয়মের সমাধান চান। তারা জানান, যতদিন পর্যন্ত কলেজ মাইগ্রেশনের ব্যবস্থা না করবে ততদিন তাদের আন্দোলন চালবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন