খাল-বিলে পানি নেই, পাট নিয়ে বিপাকে চাষিরা
jugantor
খাল-বিলে পানি নেই, পাট নিয়ে বিপাকে চাষিরা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৯ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সারা দেশে বর্ষাকালেও খাল-বিলে পানি নেই। পাট কেটে তা জাগ দেওয়া নিয়ে চাষিরা পড়েছেন বিপাকে। আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পুরো বর্ষাকাল (আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস) খুব বেশি বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে খাল-বিলে নেই পানি। এ কারণে পাট কেটে তা জাগ দেওয়া নিয়ে কৃষকরা পড়েছেন চরম সমস্যায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিগগিরই বৃষ্টি না হলে বাম্পার ফলন হওয়া সত্ত্বেও শত শত হেক্টর জমির পাট জমিতেই নষ্ট হয়ে যাবে। জাগ (পচানো) দেওয়ার পানি না থাকায় পরিপূর্ণ পাট কাটতে সাহস পাচ্ছে না কৃষকরা। পানির অভাবে সোনালি আঁশের রং সঠিকভাবে হচ্ছে না। কারণ প্রচুর পানি ব্যবহার করে পাট পরিষ্কার করতে হয়। কম পানি হলে পাটের রং কালসে হয়ে যায় এবং বাজারদর কমে আসে। এবার যারা পাট কেটেছেন তাদেরকে মোটা অঙ্কের লোকসান গুনতে হয়েছে। গত বছর থেকে এবার প্রায় ৩৫০ মিলিমিটার কম বৃষ্টি হয়েছে। গত বছর আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়েছিল ২৫ দিন। বৃষ্টিহীন ছিল মাত্র পাঁচ দিন। অথচ এবার আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৮ দিন। বৃষ্টিহীন ছিল ২২ দিন। গত বছর আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়েছিল ৩৫৪ মিলিমিটার। চলতি বছর আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৩৯ দশমিক ২ মিলিমিটার। তবে সেটাও বিক্ষিপ্তভাবে কিছু সময়ের জন্য। এই ৮ দিনের মধ্যে ১৮ জুন সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ২০ দশমিক ৯ মিলিমিটার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ২০ জুন ৯ দশমিক ১ মিলিমিটার। এ ছাড়া ১৭ ও ২১ জুন দুই মিলিমিটার, ২৪ জুন ০ দশমিক ৪ মিলিমিটার, ৩০ জুন ০ দশমিক ২ মিলিমিটার এবং ৩ জুলাই ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে গত বছরের চেয়ে এক আষাঢ় মাসেই বৃষ্টি কমেছে ৩১৪ দশমিক ৯৮ মিলিমিটার।

খাল-বিলে পানি নেই, পাট নিয়ে বিপাকে চাষিরা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৯ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সারা দেশে বর্ষাকালেও খাল-বিলে পানি নেই। পাট কেটে তা জাগ দেওয়া নিয়ে চাষিরা পড়েছেন বিপাকে। আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পুরো বর্ষাকাল (আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস) খুব বেশি বৃষ্টির দেখা মেলেনি। ফলে খাল-বিলে নেই পানি। এ কারণে পাট কেটে তা জাগ দেওয়া নিয়ে কৃষকরা পড়েছেন চরম সমস্যায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিগগিরই বৃষ্টি না হলে বাম্পার ফলন হওয়া সত্ত্বেও শত শত হেক্টর জমির পাট জমিতেই নষ্ট হয়ে যাবে। জাগ (পচানো) দেওয়ার পানি না থাকায় পরিপূর্ণ পাট কাটতে সাহস পাচ্ছে না কৃষকরা। পানির অভাবে সোনালি আঁশের রং সঠিকভাবে হচ্ছে না। কারণ প্রচুর পানি ব্যবহার করে পাট পরিষ্কার করতে হয়। কম পানি হলে পাটের রং কালসে হয়ে যায় এবং বাজারদর কমে আসে। এবার যারা পাট কেটেছেন তাদেরকে মোটা অঙ্কের লোকসান গুনতে হয়েছে। গত বছর থেকে এবার প্রায় ৩৫০ মিলিমিটার কম বৃষ্টি হয়েছে। গত বছর আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়েছিল ২৫ দিন। বৃষ্টিহীন ছিল মাত্র পাঁচ দিন। অথচ এবার আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৮ দিন। বৃষ্টিহীন ছিল ২২ দিন। গত বছর আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়েছিল ৩৫৪ মিলিমিটার। চলতি বছর আষাঢ় মাসে বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ৩৯ দশমিক ২ মিলিমিটার। তবে সেটাও বিক্ষিপ্তভাবে কিছু সময়ের জন্য। এই ৮ দিনের মধ্যে ১৮ জুন সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ২০ দশমিক ৯ মিলিমিটার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে ২০ জুন ৯ দশমিক ১ মিলিমিটার। এ ছাড়া ১৭ ও ২১ জুন দুই মিলিমিটার, ২৪ জুন ০ দশমিক ৪ মিলিমিটার, ৩০ জুন ০ দশমিক ২ মিলিমিটার এবং ৩ জুলাই ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ফলে গত বছরের চেয়ে এক আষাঢ় মাসেই বৃষ্টি কমেছে ৩১৪ দশমিক ৯৮ মিলিমিটার।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন