দাম বেড়েই চলেছে উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ চালের মোকামে
jugantor
দাম বেড়েই চলেছে উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ চালের মোকামে

  ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি  

২০ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দাম বেড়েই চলেছে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ চালের মোকাম ঈশ্বরদীর জয়নগরে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম ৫০ কেজির বস্তায় ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা দাম বেড়েছে। খুচরা বাজারে কেজিতে বেড়েছে ৮ থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত। চাল বেচাকেনার নানা সংকটের কারণে ইতোমধ্যেই জয়নগর এলাকার অর্ধেক মিল-চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে চাতাল মালিক ও চালকল মালিক সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, ডিজেলের দামের কারণে পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় চালের দাম অস্বাভাবিক হয়েছে। পাশাপাশি ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভারত থেকে চাল আমদানি হচ্ছে না। এ সুযোগে হাটের মজুতকারীরা ধানের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন।

জয়নগর মোকামের একাধিক চাতাল মালিক জানান, ৫০ কেজি বস্তার মিনিকেট সপ্তাহের ব্যবধানে তিন হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে তিন হাজার ৬০০ টাকা, ব্রি আটাশ দুই ৮০০ টাকা থেকে তিন হাজার ৩০০ টাকা, বাসমতি তিন হাজার ৪০০ থেকে চার হাজার ১০০ টাকা হয়েছে। এছাড়া লাল টোপা বোরো দুই হাজার ৩০০ টাকা থেকে দুই হাজার ৭০০ টাকা ও গুটি স্বর্ণা দুই হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে তিন হাজার টাকারও উপরে বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট প্রতি কেজিতে ৮ টাকা, আটাশ ১০ টাকা, বাসমতি ১৪ টাকা, লাল টোপা বোরো ৮ টাকা ও স্বর্ণার দাম ১৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

জয়নগরের সম্পদ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মনজুর আলম জানান, রাজশাহীর তানোর মোকাম থেকে আগে এক গাড়ি ধান আনতে ট্রাক ভাড়া ছিল ১০ হাজার টাকা। এখন বেড়ে ১৪ হাজার টাকা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ মোকাম থেকে ধান আনার ভাড়া ছিল ১৩-১৪ হাজার টাকা। এখন ২১ হাজার টাকা হয়েছে।

ঈশ্বরদী চালকল মালিক সমিতির সভাপতি জুলমত হায়দার বলেন, সরকার চাল আমদানির জন্য কর প্রত্যাহার করেও কোনো লাভ হয়নি। ডলারের দাম এলোমেলো। তাই আমদানিকারকরা কেউ এলসি খুলছেন না। ধানের মোকামের মজুতদাররা সুযোগ বুঝে ধানের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে। অটো মিল মালিকদের কাছে ধানের বিপুল মজুত থাকায় তারা বেশি লাভবান হচ্ছেন। বেকায়দায় পড়েছেন হাসকিং মিল মালিকরা। ঈশ্বরদীর তালিকাভুক্ত সাড়ে ৩০০ মিলের অর্ধেক ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিএম ইমরুল কায়েস বলেন, মজুতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অভিযান চালানো হবে। ভোক্তা অধিকারকে এ বিষয়ে মনিটরিং করার জন্য বলা হয়েছে।

দাম বেড়েই চলেছে উত্তরাঞ্চলের বৃহৎ চালের মোকামে

 ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি 
২০ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দাম বেড়েই চলেছে উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ চালের মোকাম ঈশ্বরদীর জয়নগরে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম ৫০ কেজির বস্তায় ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা দাম বেড়েছে। খুচরা বাজারে কেজিতে বেড়েছে ৮ থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত। চাল বেচাকেনার নানা সংকটের কারণে ইতোমধ্যেই জয়নগর এলাকার অর্ধেক মিল-চাতাল বন্ধ হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে চাতাল মালিক ও চালকল মালিক সমিতির নেতারা জানিয়েছেন, ডিজেলের দামের কারণে পরিবহণ খরচ বেড়ে যাওয়ায় চালের দাম অস্বাভাবিক হয়েছে। পাশাপাশি ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভারত থেকে চাল আমদানি হচ্ছে না। এ সুযোগে হাটের মজুতকারীরা ধানের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন।

জয়নগর মোকামের একাধিক চাতাল মালিক জানান, ৫০ কেজি বস্তার মিনিকেট সপ্তাহের ব্যবধানে তিন হাজার ২০০ টাকা থেকে বেড়ে তিন হাজার ৬০০ টাকা, ব্রি আটাশ দুই ৮০০ টাকা থেকে তিন হাজার ৩০০ টাকা, বাসমতি তিন হাজার ৪০০ থেকে চার হাজার ১০০ টাকা হয়েছে। এছাড়া লাল টোপা বোরো দুই হাজার ৩০০ টাকা থেকে দুই হাজার ৭০০ টাকা ও গুটি স্বর্ণা দুই হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে তিন হাজার টাকারও উপরে বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট প্রতি কেজিতে ৮ টাকা, আটাশ ১০ টাকা, বাসমতি ১৪ টাকা, লাল টোপা বোরো ৮ টাকা ও স্বর্ণার দাম ১৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

জয়নগরের সম্পদ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মনজুর আলম জানান, রাজশাহীর তানোর মোকাম থেকে আগে এক গাড়ি ধান আনতে ট্রাক ভাড়া ছিল ১০ হাজার টাকা। এখন বেড়ে ১৪ হাজার টাকা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ মোকাম থেকে ধান আনার ভাড়া ছিল ১৩-১৪ হাজার টাকা। এখন ২১ হাজার টাকা হয়েছে।

ঈশ্বরদী চালকল মালিক সমিতির সভাপতি জুলমত হায়দার বলেন, সরকার চাল আমদানির জন্য কর প্রত্যাহার করেও কোনো লাভ হয়নি। ডলারের দাম এলোমেলো। তাই আমদানিকারকরা কেউ এলসি খুলছেন না। ধানের মোকামের মজুতদাররা সুযোগ বুঝে ধানের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে। অটো মিল মালিকদের কাছে ধানের বিপুল মজুত থাকায় তারা বেশি লাভবান হচ্ছেন। বেকায়দায় পড়েছেন হাসকিং মিল মালিকরা। ঈশ্বরদীর তালিকাভুক্ত সাড়ে ৩০০ মিলের অর্ধেক ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিএম ইমরুল কায়েস বলেন, মজুতের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অভিযান চালানো হবে। ভোক্তা অধিকারকে এ বিষয়ে মনিটরিং করার জন্য বলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন