কুমিল্লায় নিখোঁজ ৭ কলেজছাত্র কোথায়
jugantor
১৬ দিনেও হদিস মেলেনি
কুমিল্লায় নিখোঁজ ৭ কলেজছাত্র কোথায়
রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দারা

  কুমিল্লা ব্যুরো  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিখোঁজের ১৬ দিন পরও কুমিল্লার ৭ কলেজছাত্রের হদিস মেলেনি। একই দিনে একই সময়ে জোট বেঁধে তারা কোথায় গেল? তারা কি দেশে আছে? এমন প্রশ্ন এখন জেলার সর্বত্র। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র বলছে, তাদের আত্মগোপন রহস্যজনক। তারা কোনো সংগঠনে যোগ দিয়ে থাকতে পারে। তাদের আগের চলাফেরা বিশ্লেষণ ও পরিবারসহ আশপাশের লোকজনের কাছ থেকে তাদের নানাবিধ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গত ২৩ আগস্ট কলেজছাত্র ইমতিয়াজ আহম্মেদ ওরফে রিফাত (১৭), নিহাল আবদুল্লাহ (১৮), আমিনুল ইসলাম ওরফে আল আমিন (১৮), সরতাজ ইসলাম ওরফে নিলয় (১৭), ইমরান বিন রহমান ওরফে শিথিল (১৮), হাসিবুল ইসলাম আস সামী (১৭) ও ফয়েজ আহমেদ (১৭) একসঙ্গে বাড়ি ছাড়ে। শুরুতে এলাকাবাসী এবং পরিবারের ধারণা ছিল তারা হয়তো তাবলিগে গেছে। কিন্তু ১৬ দিনেও খোঁজ না মেলায় পরিবারগুলোর মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

জানা যায়, ইমতিয়াজ আহম্মেদ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি জেলার মুরাদনগরে। তার পরিবার কুমিল্লা নগরীতে বসবাস করে। নিহাল আবদুল্লাহ নগরীর অশোকতলা এলাকার বাসিন্দা এবং কুমিল্লা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। আমিনুল ইসলাম ওরফে আল আমিন জেলার আদর্শ সদর উপজেলার বড় আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। সরতাজ ইসলাম ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছেন। ইমরান বিন রহমান ওরফে শিথিল ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়া এসব শিক্ষার্থী আগে থেকেই ধর্মকর্মে জড়িয়ে পড়ে। কলেজছাত্র হলেও তারা ইসলামি শরিয়া মোতাবেক চলাফেরায় অভ্যস্ত। নিয়মিত তাবলিগ জামাতসহ ধর্মীয় নানা আলোচনায় অংশ নিত। তারা এলাকার ছেলেদের সঙ্গে মিশত না।

জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, পরিবার, স্বজন এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে পরিষ্কার যে, এসব তরুণ জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েই বাড়ি ছেড়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান করছি।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সহিদুর রহমান বলেন, নিখোঁজদের পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানতে পেরেছি বাড়ি ছেড়ে তারা প্রথমে চাঁদপুরে যায়। চাঁদপুর রেলস্টেশন এলাকার একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করে। পরদিন সকাল সাড়ে ৬টায় তারা ওই হোটেল থেকে চলে যায়।

১৬ দিনেও হদিস মেলেনি

কুমিল্লায় নিখোঁজ ৭ কলেজছাত্র কোথায়

রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দারা
 কুমিল্লা ব্যুরো 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নিখোঁজের ১৬ দিন পরও কুমিল্লার ৭ কলেজছাত্রের হদিস মেলেনি। একই দিনে একই সময়ে জোট বেঁধে তারা কোথায় গেল? তারা কি দেশে আছে? এমন প্রশ্ন এখন জেলার সর্বত্র। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র বলছে, তাদের আত্মগোপন রহস্যজনক। তারা কোনো সংগঠনে যোগ দিয়ে থাকতে পারে। তাদের আগের চলাফেরা বিশ্লেষণ ও পরিবারসহ আশপাশের লোকজনের কাছ থেকে তাদের নানাবিধ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গত ২৩ আগস্ট কলেজছাত্র ইমতিয়াজ আহম্মেদ ওরফে রিফাত (১৭), নিহাল আবদুল্লাহ (১৮), আমিনুল ইসলাম ওরফে আল আমিন (১৮), সরতাজ ইসলাম ওরফে নিলয় (১৭), ইমরান বিন রহমান ওরফে শিথিল (১৮), হাসিবুল ইসলাম আস সামী (১৭) ও ফয়েজ আহমেদ (১৭) একসঙ্গে বাড়ি ছাড়ে। শুরুতে এলাকাবাসী এবং পরিবারের ধারণা ছিল তারা হয়তো তাবলিগে গেছে। কিন্তু ১৬ দিনেও খোঁজ না মেলায় পরিবারগুলোর মাঝে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

জানা যায়, ইমতিয়াজ আহম্মেদ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি জেলার মুরাদনগরে। তার পরিবার কুমিল্লা নগরীতে বসবাস করে। নিহাল আবদুল্লাহ নগরীর অশোকতলা এলাকার বাসিন্দা এবং কুমিল্লা সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। আমিনুল ইসলাম ওরফে আল আমিন জেলার আদর্শ সদর উপজেলার বড় আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। সরতাজ ইসলাম ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছেন। ইমরান বিন রহমান ওরফে শিথিল ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্র।

স্থানীয়রা জানায়, ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়া এসব শিক্ষার্থী আগে থেকেই ধর্মকর্মে জড়িয়ে পড়ে। কলেজছাত্র হলেও তারা ইসলামি শরিয়া মোতাবেক চলাফেরায় অভ্যস্ত। নিয়মিত তাবলিগ জামাতসহ ধর্মীয় নানা আলোচনায় অংশ নিত। তারা এলাকার ছেলেদের সঙ্গে মিশত না।

জেলা পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা জানান, পরিবার, স্বজন এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে পরিষ্কার যে, এসব তরুণ জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়েই বাড়ি ছেড়েছে। বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে অনুসন্ধান করছি।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সহিদুর রহমান বলেন, নিখোঁজদের পরিবারের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। আমরা প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানতে পেরেছি বাড়ি ছেড়ে তারা প্রথমে চাঁদপুরে যায়। চাঁদপুর রেলস্টেশন এলাকার একটি হোটেলে রাত্রিযাপন করে। পরদিন সকাল সাড়ে ৬টায় তারা ওই হোটেল থেকে চলে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন