এক রাতে বিলীন ১৫ বসতঘর
jugantor
এক রাতে বিলীন ১৫ বসতঘর

  লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৩ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্ষা মৌসুম শেষ না হতেই নতুন করে লৌহজংয়ের কয়েকটি গ্রামে পদ্মার ভাঙনের খেলা চলছে। শনিবার রাতে লৌহজং-তেউটিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বড়নওপাড়া গ্রামের প্রায় ১৫টি বাড়ি নিমিষেই পদ্মা গর্ভে চলে যায়।

গ্রামের বাসিন্দা খোকন মোল্লা জানান, সকালেও বুঝতে পারিনি সর্বনাশা পদ্মা আমাদের এক রাতেই ঠিকানাবিহীন করে দেবে। সন্ধ্যা গড়াতেই ভাঙন ক্রমাগত ঘরের নিকট চলে আসে। একটি ঘর অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া গেলেও বাকি দুটি সরানো সম্ভব হয়নি। এমনিভাবে মিঠু মোল্লা, কুতুব মোল্লা, হোসেন মোল্লা, ইয়ানুছ মোল্লা, ইদ্রিস মোল্লা, মামুন মোল্লা, হাদি মোল্লা, মুকুল মোল্লা, ফারুক মোল্লা, ইছাক মোল্লার ঘর চোখের পলকে হারিয়ে গেল পদ্মায়। এর একদিন আগে পদ্মার কড়ালগ্রাসে বিলীন হয় আরও পাঁচটি বসতঘর। এই গ্রামের প্রায় ৪২টি বসতঘর এখন ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে।

লৌহজং তেউটিয়া ইউনিয়নের বড়নওপাড়া, সন্ধিসা ও বাঘের বাড়ি- এই তিনটি গ্রামের মানুষ এখন নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। কখন তাদের আশ্রয়স্থল বিলীন হয়ে যায়- সেই চিন্তা তাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।

এদিকে বেজগাঁও ও গাওদিয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে। লৌহজংয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙনের খেলা চলছে। ভাঙন রোধে স্থানীয় সংসদ-সদস্য অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছেন যা দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলছে।

এক রাতে বিলীন ১৫ বসতঘর

 লৌহজং (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৩ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বর্ষা মৌসুম শেষ না হতেই নতুন করে লৌহজংয়ের কয়েকটি গ্রামে পদ্মার ভাঙনের খেলা চলছে। শনিবার রাতে লৌহজং-তেউটিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বড়নওপাড়া গ্রামের প্রায় ১৫টি বাড়ি নিমিষেই পদ্মা গর্ভে চলে যায়।

গ্রামের বাসিন্দা খোকন মোল্লা জানান, সকালেও বুঝতে পারিনি সর্বনাশা পদ্মা আমাদের এক রাতেই ঠিকানাবিহীন করে দেবে। সন্ধ্যা গড়াতেই ভাঙন ক্রমাগত ঘরের নিকট চলে আসে। একটি ঘর অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া গেলেও বাকি দুটি সরানো সম্ভব হয়নি। এমনিভাবে মিঠু মোল্লা, কুতুব মোল্লা, হোসেন মোল্লা, ইয়ানুছ মোল্লা, ইদ্রিস মোল্লা, মামুন মোল্লা, হাদি মোল্লা, মুকুল মোল্লা, ফারুক মোল্লা, ইছাক মোল্লার ঘর চোখের পলকে হারিয়ে গেল পদ্মায়। এর একদিন আগে পদ্মার কড়ালগ্রাসে বিলীন হয় আরও পাঁচটি বসতঘর। এই গ্রামের প্রায় ৪২টি বসতঘর এখন ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে।

লৌহজং তেউটিয়া ইউনিয়নের বড়নওপাড়া, সন্ধিসা ও বাঘের বাড়ি- এই তিনটি গ্রামের মানুষ এখন নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। কখন তাদের আশ্রয়স্থল বিলীন হয়ে যায়- সেই চিন্তা তাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।

এদিকে বেজগাঁও ও গাওদিয়া ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম হুমকির মুখে পড়েছে। লৌহজংয়ে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙনের খেলা চলছে। ভাঙন রোধে স্থানীয় সংসদ-সদস্য অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি সাড়ে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ এনেছেন যা দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ও ব্লক ফেলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন