দুর্গোৎসব ঘিরে এখন পর্যন্ত নাশকতার আশঙ্কা নেই: র‌্যাব ডিজি
jugantor
দুর্গোৎসব ঘিরে এখন পর্যন্ত নাশকতার আশঙ্কা নেই: র‌্যাব ডিজি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৪ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন। সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

র‌্যাব ডিজি বলেন, জঙ্গিরা যতই স্মার্ট হোক না কেন, র‌্যাব তার চেয়েও বেশি স্মার্ট ও দক্ষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে কোনো ধরনের গুজব রুখে দিতে র‌্যাবের সাইবার দল প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি। সবকিছু বিবেচনায় পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। উল্লেখ করে ডিজি বলেন, যারা ঘর ছেড়েছে তাদের মনিটরিং করা হচ্ছে। পূজার শেষে কিছুদিনের মধ্যে ভালো কিছু রেজাল্ট আমরা দিতে পারব। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। র‌্যাব ডিজি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা সবাই কাজ করে যাচ্ছি। এখানে সব ধর্মের-বর্ণের মানুষ যেন তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পারে সেজন্য র‌্যাব ফোর্সেসসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সজাগ রয়েছে।

১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম উৎসব দুর্গাপূজা। ৫ অক্টোবর শুভ বিজয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ পূজা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশে আমরা সব ধর্মের উৎসব একসঙ্গে পালন করি।

শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক বছরের মতো এ বছরও র‌্যাব বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে ডিজি বলেন, সব ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্তসংখ্যক র‌্যাব সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে। ১ থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক র‌্যাব সদস্য মোতায়েন রয়েছে। র‌্যাব ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক পূজামণ্ডপ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রয়োজনীয় স্যুইপিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে। মাদক, অস্ত্র উদ্ধারসহ যে কোনো পরিস্থিতির জন্য র‌্যাব ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত রয়েছে। পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্যুইপিং পরিচালনার পাশাপাশি র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। যে কোনো নাশকতা ও হামলা মোকাবিলায় র‌্যাব স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডো টিমকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, যে কোনো পরিস্থিতিতে র‌্যাব এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। ব্যাটালিয়নগুলো নিজ নিজ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে তাদের অধিক্ষেত্রে স্থানীয় পূজা কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রাখছে। র‌্যাব সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুমের (কন্ট্রোল রুমের হটলাইন নম্বর : ০১৭৭৭৭২০০২৯) মাধ্যমে ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করা হচ্ছে। র‌্যাব ডিজি বলেন, নাশকতাসহ যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্তসংখ্যক টহল মোতায়েন ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে নাশকতাসহ যে কোনো ধরনের উদ্ভূত পরিস্থিতি কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমেও মনিটরিং করা হচ্ছে। সব মেট্রোপলিটন শহর, জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। সব মেট্রোপলিটন শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফোর্স রিজার্ভ রাখা হয়েছে।

দুর্গোৎসব ঘিরে এখন পর্যন্ত নাশকতার আশঙ্কা নেই: র‌্যাব ডিজি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে এখন পর্যন্ত কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন। সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

র‌্যাব ডিজি বলেন, জঙ্গিরা যতই স্মার্ট হোক না কেন, র‌্যাব তার চেয়েও বেশি স্মার্ট ও দক্ষ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে কোনো ধরনের গুজব রুখে দিতে র‌্যাবের সাইবার দল প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি। সবকিছু বিবেচনায় পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হয়েছে। উল্লেখ করে ডিজি বলেন, যারা ঘর ছেড়েছে তাদের মনিটরিং করা হচ্ছে। পূজার শেষে কিছুদিনের মধ্যে ভালো কিছু রেজাল্ট আমরা দিতে পারব। আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। র‌্যাব ডিজি বলেন, জাতির পিতার স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা সবাই কাজ করে যাচ্ছি। এখানে সব ধর্মের-বর্ণের মানুষ যেন তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে পারে সেজন্য র‌্যাব ফোর্সেসসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সজাগ রয়েছে।

১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম উৎসব দুর্গাপূজা। ৫ অক্টোবর শুভ বিজয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ পূজা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করি। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ‘ধর্ম যার যার উৎসব সবার’ প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশে আমরা সব ধর্মের উৎসব একসঙ্গে পালন করি।

শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক বছরের মতো এ বছরও র‌্যাব বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে ডিজি বলেন, সব ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্তসংখ্যক র‌্যাব সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাব ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে। ১ থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত নিরাপত্তা জোরদার করতে নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় পর্যাপ্তসংখ্যক র‌্যাব সদস্য মোতায়েন রয়েছে। র‌্যাব ডগ স্কোয়াড সার্বক্ষণিক পূজামণ্ডপ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রয়োজনীয় স্যুইপিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে। মাদক, অস্ত্র উদ্ধারসহ যে কোনো পরিস্থিতির জন্য র‌্যাব ডগ স্কোয়াড প্রস্তুত রয়েছে। পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্যুইপিং পরিচালনার পাশাপাশি র‌্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রয়েছে। যে কোনো নাশকতা ও হামলা মোকাবিলায় র‌্যাব স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডো টিমকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি, যে কোনো পরিস্থিতিতে র‌্যাব এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে। ব্যাটালিয়নগুলো নিজ নিজ কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে তাদের অধিক্ষেত্রে স্থানীয় পূজা কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রাখছে। র‌্যাব সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুমের (কন্ট্রোল রুমের হটলাইন নম্বর : ০১৭৭৭৭২০০২৯) মাধ্যমে ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয় করা হচ্ছে। র‌্যাব ডিজি বলেন, নাশকতাসহ যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্তসংখ্যক টহল মোতায়েন ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে নাশকতাসহ যে কোনো ধরনের উদ্ভূত পরিস্থিতি কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমেও মনিটরিং করা হচ্ছে। সব মেট্রোপলিটন শহর, জেলা শহর ও উপজেলা পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। সব মেট্রোপলিটন শহর ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফোর্স রিজার্ভ রাখা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন