ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বেপরোয়া অপরাধীচক্র
jugantor
নির্বিকার হাইওয়ে পুলিশ
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বেপরোয়া অপরাধীচক্র
রাতে বাস থেকে নামতেই ঘিরে ধরে ছিনতাইকারীরা, বাধা দিলেই মারধর, ছুরিকাঘাত * রেহাই পান না কারখানা শ্রমিকরাও

  ইকবাল হাসান ফরিদ  

২৪ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ডাকাত, ছিনতাইকারীসহ ভয়ংকর অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। বিশেষ করে এ মহাসড়কের আমিনবাজার থেকে ধামরাইয়ের কালামপুর পর্যন্ত অন্তত ১০ পয়েন্টে রাতের আঁধারে বেপরোয়া হয়ে উঠে ছিনতাইচক্র। প্রায় প্রতিদিনই এ মহাসড়কের এসব পয়েন্টে ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন মানুষ। তাদের অনেকেই বাড়তি ঝামেলা এড়াতে পুলিশের দ্বারস্থ হনন না। আবার কেউ অভিযোগ করলেও প্রতিকার মেলে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিমাসে অর্ধশতাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে এ মহাসড়কের সাভার, ধামরাই ও আশুলিয়া অংশে। একাধিক ভোক্তভোগী জানিয়েছেন, রাতে এ মহাসড়ক কার্যত অরক্ষিত হয়ে পড়ে। হাইওয়ে পুলিশের কোনো দৃশ্যমান টহলও দেখা যায় না মহাসড়কে। অপরাধ দমনে কার্যকর কোনো তৎপরতা নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার থেকে কালামপুর পর্যন্ত সাভার হাইওয়ে থানার অধীন। এই এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের শিকার হন মানুষ। বিভিন্ন পরিবহণের যাত্রী এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিকরা বেশি পড়ছেন ছিনতাইয়ের কবলে।

গত ১৪ নভেম্বর সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সিএন্ডবি এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার এসি ল্যান্ড আবু বকর সিদ্দিক। ছিনতাইকারীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ফোন, মানিব্যাগসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় সাভার থানা পুলিশ ৫ ছিনতাইকারীসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারব্যক্তিরা হলেন রাসেল ফকির, নাঈম, কামরুল হাসান, সজিব, আরমান, ও গোলাম মোস্তফা। এর আগে ১৩ নভেম্বর রাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ব্যাংক টাউন এলাকায় অটোরিকশাচালক ইসলামকে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পিয়ার শেখ ও সালাম নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এছাড়া ৪ নভেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মোবারক হোসেন নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। শুধু এ তিনটি ঘটনাই নয়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার বাসস্ট্যান্ড, পাকিজা স্টপেজ, ব্যাংক টাউন, জোড়পোল, বলিয়ারপুর, হেমায়েতপুর ও আমিনবাজার এলাকায় প্রতি রাতেই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। বাস থেকে যাত্রীরা নামতেই ছিনতাইকারীরা লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অর্থকড়ি, মোবাইল ফোনসহ সর্বস্ব কেড়ে নিচ্ছে। মহাসড়কের সাভার অংশের সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড থেকে বিশমাইল পর্যন্ত এবং ধামরাই অংশের রেডিও অফিস থেকে জয়পুরা, পার্ল সিএনজি থেকে কালামপুর, করিম ট্যাক্সটাইল থেকে সুতিপাড়া, গ্রাফিক্স ট্যাক্সটাইল থেকে বাথুলী এবং বাথুলী স্কেল থেকে বারবাড়িয়া ইনসেপ্টা ফ্যাক্টরি পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে রাতে বেপরোয়া হয়ে উঠে ছিনতাইচক্র।

ভোক্তভোগীদের একাধিক সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীরনগর এলাকায় সড়কের উভয় পাশে প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে থানা ও হাইওয়ে থানার পুলিশ প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এই এলাকায় ছিনতাই বন্ধ হচ্ছে না।

গত রোববার সিএন্ডবি এলাকায় আবুল কালাম নামে এক ভোক্তভোগী বলেন, এই এলাকায় গত তিন বছরে তিনি চারবার ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছেন। সিএন্ডবি এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের যে চেকপোস্ট রয়েছে, এর বিপরীত পাশেই বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অটোরিকশাচালক যুগান্তরকে বলেন, হাইওয়ে পুলিশের টহল টিম এবং চেকপোস্ট থাকলেও তারা মূলত অটোরিকশায় চাঁদাবাজিতে মগ্ন থাকে। এ মহাসড়কে চাঁদাবাজি ছাড়া অপরাধ নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে থানা পুলিশের কোনো কাজ নেই। হাইওয়ে পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে এ সড়কে লেগুনা, অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। মাসোহারায় হেরফের হলেই ব্যাটারির রিকশা আটক করা হয়। ছাড়িয়ে নিতে খরচ করতে হয় দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা। আরেক অটোরিকশাচালক বলেন, ছিনতাইকারীদের সঙ্গে পুলিশের দহরম-মহরমও থাকতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের কোনো টহলই থাকে না। মাঝেমধ্যে থানা পুলিশের গাড়ি দেখা গেলেও তারাও ছিনতাই রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মঙ্গলবার সাভার হাইওয়ে থানার ওসি আজিজুল হক যুগান্তরকে বলেন, আমাদের কাছে তো কেউ ছিনতাইয়ের অভিযোগ নিয়ে আসে না। একটি ঘটনা ঘটেছিল। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কে ছিনতাইয়ের কোনো বিষয় আমার জানা নেই। তিনি বলেন, মহাসড়কে রাতে টহল জোরদার করা হয়েছে।

জানা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠেছে একাধিক বড় শিল্পকারখানা। এসব কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের আবাসস্থলও কারখানা লাগোয়া আশপাশের এলাকায়। তাই বেশির ভাগ শ্রমিকই হেঁটে তাদের ডিউটিতে যাওয়া-আসা করেন। অনেক সময় নাইট শিফট কিংবা ওভারটাইমের কাজ শেষ করে মধ্যরাতে কিংবা ভোরের দিকে ফিরতে হয় তাদের। ফেরার সময় শ্রমিকদের পড়তে হয় ছিনতাইকারীর কবলে। যোগাযোগ করা হলে সাভার থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, প্রায় এক মাস হলো আমি এ থানায় যোগদান করেছি। মহাসড়কে সাভার অংশে ছিনতাই রোধে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় ১২০টি সিসি ক্যামরা স্থাপন করা হয়েছে। অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানে সড়কবাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমরা অপরাধ দমনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

নির্বিকার হাইওয়ে পুলিশ

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বেপরোয়া অপরাধীচক্র

রাতে বাস থেকে নামতেই ঘিরে ধরে ছিনতাইকারীরা, বাধা দিলেই মারধর, ছুরিকাঘাত * রেহাই পান না কারখানা শ্রমিকরাও
 ইকবাল হাসান ফরিদ 
২৪ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ডাকাত, ছিনতাইকারীসহ ভয়ংকর অপরাধীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। বিশেষ করে এ মহাসড়কের আমিনবাজার থেকে ধামরাইয়ের কালামপুর পর্যন্ত অন্তত ১০ পয়েন্টে রাতের আঁধারে বেপরোয়া হয়ে উঠে ছিনতাইচক্র। প্রায় প্রতিদিনই এ মহাসড়কের এসব পয়েন্টে ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন মানুষ। তাদের অনেকেই বাড়তি ঝামেলা এড়াতে পুলিশের দ্বারস্থ হনন না। আবার কেউ অভিযোগ করলেও প্রতিকার মেলে না।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রতিমাসে অর্ধশতাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে এ মহাসড়কের সাভার, ধামরাই ও আশুলিয়া অংশে। একাধিক ভোক্তভোগী জানিয়েছেন, রাতে এ মহাসড়ক কার্যত অরক্ষিত হয়ে পড়ে। হাইওয়ে পুলিশের কোনো দৃশ্যমান টহলও দেখা যায় না মহাসড়কে। অপরাধ দমনে কার্যকর কোনো তৎপরতা নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার থেকে কালামপুর পর্যন্ত সাভার হাইওয়ে থানার অধীন। এই এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের শিকার হন মানুষ। বিভিন্ন পরিবহণের যাত্রী এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানার শ্রমিকরা বেশি পড়ছেন ছিনতাইয়ের কবলে।

গত ১৪ নভেম্বর সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সিএন্ডবি এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার এসি ল্যান্ড আবু বকর সিদ্দিক। ছিনতাইকারীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে মোবাইল ফোন, মানিব্যাগসহ অন্যান্য জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় সাভার থানা পুলিশ ৫ ছিনতাইকারীসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারব্যক্তিরা হলেন রাসেল ফকির, নাঈম, কামরুল হাসান, সজিব, আরমান, ও গোলাম মোস্তফা। এর আগে ১৩ নভেম্বর রাতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ব্যাংক টাউন এলাকায় অটোরিকশাচালক ইসলামকে হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় পিয়ার শেখ ও সালাম নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এছাড়া ৪ নভেম্বর রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মোবারক হোসেন নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীকে ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। শুধু এ তিনটি ঘটনাই নয়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার বাসস্ট্যান্ড, পাকিজা স্টপেজ, ব্যাংক টাউন, জোড়পোল, বলিয়ারপুর, হেমায়েতপুর ও আমিনবাজার এলাকায় প্রতি রাতেই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। বাস থেকে যাত্রীরা নামতেই ছিনতাইকারীরা লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অর্থকড়ি, মোবাইল ফোনসহ সর্বস্ব কেড়ে নিচ্ছে। মহাসড়কের সাভার অংশের সিঅ্যান্ডবি বাসস্ট্যান্ড থেকে বিশমাইল পর্যন্ত এবং ধামরাই অংশের রেডিও অফিস থেকে জয়পুরা, পার্ল সিএনজি থেকে কালামপুর, করিম ট্যাক্সটাইল থেকে সুতিপাড়া, গ্রাফিক্স ট্যাক্সটাইল থেকে বাথুলী এবং বাথুলী স্কেল থেকে বারবাড়িয়া ইনসেপ্টা ফ্যাক্টরি পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে রাতে বেপরোয়া হয়ে উঠে ছিনতাইচক্র।

ভোক্তভোগীদের একাধিক সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীরনগর এলাকায় সড়কের উভয় পাশে প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। যাত্রী ও পথচারীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে থানা ও হাইওয়ে থানার পুলিশ প্রতিদিন সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় দায়িত্ব পালন করার কথা। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এই এলাকায় ছিনতাই বন্ধ হচ্ছে না।

গত রোববার সিএন্ডবি এলাকায় আবুল কালাম নামে এক ভোক্তভোগী বলেন, এই এলাকায় গত তিন বছরে তিনি চারবার ছিনতাইকারীর কবলে পড়েছেন। সিএন্ডবি এলাকায় হাইওয়ে পুলিশের যে চেকপোস্ট রয়েছে, এর বিপরীত পাশেই বেশি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক অটোরিকশাচালক যুগান্তরকে বলেন, হাইওয়ে পুলিশের টহল টিম এবং চেকপোস্ট থাকলেও তারা মূলত অটোরিকশায় চাঁদাবাজিতে মগ্ন থাকে। এ মহাসড়কে চাঁদাবাজি ছাড়া অপরাধ নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে থানা পুলিশের কোনো কাজ নেই। হাইওয়ে পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে এ সড়কে লেগুনা, অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করে। মাসোহারায় হেরফের হলেই ব্যাটারির রিকশা আটক করা হয়। ছাড়িয়ে নিতে খরচ করতে হয় দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা। আরেক অটোরিকশাচালক বলেন, ছিনতাইকারীদের সঙ্গে পুলিশের দহরম-মহরমও থাকতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশের কোনো টহলই থাকে না। মাঝেমধ্যে থানা পুলিশের গাড়ি দেখা গেলেও তারাও ছিনতাই রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না। এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মঙ্গলবার সাভার হাইওয়ে থানার ওসি আজিজুল হক যুগান্তরকে বলেন, আমাদের কাছে তো কেউ ছিনতাইয়ের অভিযোগ নিয়ে আসে না। একটি ঘটনা ঘটেছিল। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। এছাড়া মহাসড়কে ছিনতাইয়ের কোনো বিষয় আমার জানা নেই। তিনি বলেন, মহাসড়কে রাতে টহল জোরদার করা হয়েছে।

জানা যায়, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠেছে একাধিক বড় শিল্পকারখানা। এসব কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের আবাসস্থলও কারখানা লাগোয়া আশপাশের এলাকায়। তাই বেশির ভাগ শ্রমিকই হেঁটে তাদের ডিউটিতে যাওয়া-আসা করেন। অনেক সময় নাইট শিফট কিংবা ওভারটাইমের কাজ শেষ করে মধ্যরাতে কিংবা ভোরের দিকে ফিরতে হয় তাদের। ফেরার সময় শ্রমিকদের পড়তে হয় ছিনতাইকারীর কবলে। যোগাযোগ করা হলে সাভার থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, প্রায় এক মাস হলো আমি এ থানায় যোগদান করেছি। মহাসড়কে সাভার অংশে ছিনতাই রোধে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে প্রায় ১২০টি সিসি ক্যামরা স্থাপন করা হয়েছে। অন্ধকারাচ্ছন্ন স্থানে সড়কবাতি স্থাপনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমরা অপরাধ দমনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন