রাশিয়া থেকে এলো আরও ৫৫ হাজার টন গম
jugantor
খাদ্যশস্য আমদানি অব্যাহত
রাশিয়া থেকে এলো আরও ৫৫ হাজার টন গম

  আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আরও ৯০ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি করেছে খাদ্য বিভাগ। এসব খাদ্যশস্য নিয়ে পাঁচটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজে রয়েছে চাল। আর একটি জাহাজে রয়েছে গম। চারটি জাহাজে চাল আমদানি করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন। রাশিয়া থেকে আসা জাহাজে গম রয়েছে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন। জি টু জি চুক্তির আওতায় গম আমদানি করা হয়েছে। আর চাল আমদানি করা হয়েছে ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার থেকে। চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রায় প্রতি মাসেই আমদানির চাল এলেও দাম রয়েছে সেই আগের মতোই। কোনোভাবেই দাম কমছে না।

চলতি মাসে এর আগে আরও দুদফা চাল ও গম আমদানি করা হয়। এত বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য আমদানি করার পরও বাজারে তার কোনো প্রভাবই পড়ছে না। গত এক মাসের সময় ধরেই চালের বাজারে অস্থিরতা চলছে। কয়েকদিন ধরে আবার চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। নতুন করে সব ধরনের চালের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মোটা চালের দাম প্রতিবস্তায় ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ২ হাজার ১০০ টাকার মোটা চাল বস্তায় ৪০০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

মঙ্গলবার ‘এমভি ফরচুন স্টার’ নামে একটি জাহাজ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন গম নিয়ে বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছে। বুধবার সকালে নমুনা সংগ্রহ করতে খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ কর্মকর্তারা বহির্নোঙরে গেছেন। বুধবার বিকালে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিলেন। আমদানি করা গমে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। নমুনা পরীক্ষায় এসব গম খাবার উপযোগী পাওয়া গেলে কয়েকদিনের মধ্যে খালাস প্রক্রিয়া শুরু হবে। জাহাজটির ৫৫ হাজার মেট্রিক টন গমের মধ্যে চট্টগ্রাম সাইলোতে খালাস হবে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন। অবশিষ্ট ২২ হাজার মেট্রিক টন গম খালাস হবে মোংলা বন্দরে।

চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষণ কার্যালয়ের উপনিয়ন্ত্রক সুনীল দত্ত যুগান্তরকে জানান, ‘দেশের অভ্যন্তরে গম ও চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে চাল-গম আমদানি অব্যাহত রয়েছে। চলতি সপ্তাহেই ৯০ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য নিয়ে পাঁচটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজে রয়েছে চাল। আর একটি জাহাজে রয়েছে গম। চারটি জাহাজে চাল আমদানি করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন। রাশিয়া থেকে আসা জাহাজে গম রয়েছে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন।’

খাদ্যশস্য আমদানি অব্যাহত

রাশিয়া থেকে এলো আরও ৫৫ হাজার টন গম

 আহমেদ মুসা, চট্টগ্রাম 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আরও ৯০ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি করেছে খাদ্য বিভাগ। এসব খাদ্যশস্য নিয়ে পাঁচটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজে রয়েছে চাল। আর একটি জাহাজে রয়েছে গম। চারটি জাহাজে চাল আমদানি করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন। রাশিয়া থেকে আসা জাহাজে গম রয়েছে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন। জি টু জি চুক্তির আওতায় গম আমদানি করা হয়েছে। আর চাল আমদানি করা হয়েছে ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার থেকে। চট্টগ্রাম খাদ্য বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রায় প্রতি মাসেই আমদানির চাল এলেও দাম রয়েছে সেই আগের মতোই। কোনোভাবেই দাম কমছে না।

চলতি মাসে এর আগে আরও দুদফা চাল ও গম আমদানি করা হয়। এত বিপুল পরিমাণ খাদ্যশস্য আমদানি করার পরও বাজারে তার কোনো প্রভাবই পড়ছে না। গত এক মাসের সময় ধরেই চালের বাজারে অস্থিরতা চলছে। কয়েকদিন ধরে আবার চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। নতুন করে সব ধরনের চালের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। মোটা চালের দাম প্রতিবস্তায় ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ২ হাজার ১০০ টাকার মোটা চাল বস্তায় ৪০০ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে প্রতিবস্তা (৫০ কেজি) ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

মঙ্গলবার ‘এমভি ফরচুন স্টার’ নামে একটি জাহাজ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন গম নিয়ে বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছে। বুধবার সকালে নমুনা সংগ্রহ করতে খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ কর্মকর্তারা বহির্নোঙরে গেছেন। বুধবার বিকালে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে অবস্থান করছিলেন। আমদানি করা গমে নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। নমুনা পরীক্ষায় এসব গম খাবার উপযোগী পাওয়া গেলে কয়েকদিনের মধ্যে খালাস প্রক্রিয়া শুরু হবে। জাহাজটির ৫৫ হাজার মেট্রিক টন গমের মধ্যে চট্টগ্রাম সাইলোতে খালাস হবে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন। অবশিষ্ট ২২ হাজার মেট্রিক টন গম খালাস হবে মোংলা বন্দরে।

চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষণ কার্যালয়ের উপনিয়ন্ত্রক সুনীল দত্ত যুগান্তরকে জানান, ‘দেশের অভ্যন্তরে গম ও চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে চাল-গম আমদানি অব্যাহত রয়েছে। চলতি সপ্তাহেই ৯০ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য নিয়ে পাঁচটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এর মধ্যে চারটি জাহাজে রয়েছে চাল। আর একটি জাহাজে রয়েছে গম। চারটি জাহাজে চাল আমদানি করা হয়েছে ৩৫ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন। রাশিয়া থেকে আসা জাহাজে গম রয়েছে ৫৫ হাজার মেট্রিক টন।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন