বিএনপির ৫০০ জনের নামে মামলা গ্রেফতার অর্ধশত
jugantor
বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ
বিএনপির ৫০০ জনের নামে মামলা গ্রেফতার অর্ধশত

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগসহ নানা অভিযোগে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া অর্ধশত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর ও বেলকুচি উপজেলায় বিএনপির ২৪০ জন, ঝালকাঠির রাজাপুরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০৬ নেতাকর্মী এবং গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকসহ দেড়শ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার পর কালিয়াকৈরে পৌর কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বিএনপির দুই সহ-সভাপতিসহ ২০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের একদিন করে রিমান্ডেও নিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ১৪ নেতাকর্মী, রাজশাহীর বাঘায় তিন নেতা, পুঠিয়ায় দুই নেতা ও বাগমারায় ইউপি চেয়ারম্যান এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সম্পর্কে প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

বেলকুচি-চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) : এনায়েতপুর ও বেলকুচিতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার খুকনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন বেপারী বাদী হয়ে এনায়েতপুর থানায় মামলা করেন। এ ছাড়া রোববার রাতে বেলকুচি পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ আহম্মেদ উৎস বেলকুচি থানায় মামলা করেন। রোববার রাতে বেলকুচি রাজাপুর ইউনিয়নে সাংগঠনিক কার্যক্রম শেষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মুকুন্দগাতি ফেরার পথে ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের আদাচাকি গ্রামে হামলার শিকার হয়। তাদের ওপর ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলা করে বিএনপি-ছাত্রদলের ক্যাডাররা। এ ঘটনায় বেলকুচি পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ আহম্মেদ উৎস বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা শতাধিক বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতার বিরুদ্ধে মামলা করে।

রাজাপুর (ঝালকাঠি) : রাজাপুরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর বোমা হামলার অভিযোগে বিএনপি ও সহোযোগী সংগঠনের ১০৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। মামলায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি তালুকদার অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম উদ্দিন আকনসহ ২৬ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ওরফে ইলিয়াস মঙ্গলবার রাতে মামলা করেন। রাজাপুর থানার ওসি পুলক চন্দ্র রায় বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) : কালিয়াকৈরে পৌর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ নেতাকর্মী ও অজ্ঞাতসহ দেড়শ জনের নামে মামলা হয়েছে। কার্যালয়ের অফিস সহকারী মামলাটি করেন। বুধবার বিএনপি নেতা ও পৌর কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতারের পর জেলহাজতে পাঠিয়েছে। আসামিদের মধ্যে রয়েছে-উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহম্মেদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইজুদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আকুল। সরোয়ার কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

দেলদুয়ার (টাঙ্গাইল) : দেলদুয়ারে বিএনপির ২০ নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ নাশকতার মামলাটি করেছে। বুধবার করা মামলায় দুই নেতাকে আটক করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ফকরুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার রাতে দেলদুয়ার স্টেডিয়ামে বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলো-উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফাজিলহাটি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন ও উপজেলা বিএনপির আরেক সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম বাদল। দুই সহ-সভাপতিকে বুধবার একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ): গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে বিএনপির ১৪ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেনি পুলিশ।

বাঘা (রাজশাহী) : বাঘা পৌর এলাকা থেকে বুধবার বিএনপির তিন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলেন-বাঘা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মখলেচুর রহমান মকুল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান শফি এবং পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ফিরোজ হোসেন।

বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ১৯ নভেম্বর রাতে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর ইট পাটকেল ও ককটেল ছোড়ে। এ ঘটনায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দোস্তুল হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়।

পুঠিয়া (রাজশাহী) : পুঠিয়ায় নাশকতার মামলায় বিএনপির দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন-উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম মুক্তা ও পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়া। ২১ নভেম্বর রাতে উপজেলার মোল্লাপাড়া বাজারে বিএনপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বুধবার ভোরে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বাগমারা (রাজশাহী) : বাগমারার গণিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান রঞ্জুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বুধবার উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ আসার সময় দেউলা চৌরাস্তার মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বাগমারা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। বাগমারা থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, পুলিশের উপর মহলের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) : সাটুরিয়ায় উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের পশ্চিম বাড়ি ও বাগবাড়ি এলাকা থেকে বিএনপির দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন-বালিয়াটি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাসুদুর রহমান খান স্বপন ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছা সেবকদলের সভাপতি রেজাউল করিম। সাটুরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক সুকুমার বিশ্বাস বলেন, মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ

বিএনপির ৫০০ জনের নামে মামলা গ্রেফতার অর্ধশত

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগসহ নানা অভিযোগে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ছাড়া অর্ধশত নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর ও বেলকুচি উপজেলায় বিএনপির ২৪০ জন, ঝালকাঠির রাজাপুরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০৬ নেতাকর্মী এবং গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকসহ দেড়শ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার পর কালিয়াকৈরে পৌর কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বিএনপির দুই সহ-সভাপতিসহ ২০ নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের একদিন করে রিমান্ডেও নিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে ১৪ নেতাকর্মী, রাজশাহীর বাঘায় তিন নেতা, পুঠিয়ায় দুই নেতা ও বাগমারায় ইউপি চেয়ারম্যান এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সম্পর্কে প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

বেলকুচি-চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) : এনায়েতপুর ও বেলকুচিতে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাদের লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার খুকনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন বেপারী বাদী হয়ে এনায়েতপুর থানায় মামলা করেন। এ ছাড়া রোববার রাতে বেলকুচি পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ আহম্মেদ উৎস বেলকুচি থানায় মামলা করেন। রোববার রাতে বেলকুচি রাজাপুর ইউনিয়নে সাংগঠনিক কার্যক্রম শেষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মুকুন্দগাতি ফেরার পথে ভাঙ্গাবাড়ি ইউনিয়নের আদাচাকি গ্রামে হামলার শিকার হয়। তাদের ওপর ককটেল বিস্ফোরণ ও হামলা করে বিএনপি-ছাত্রদলের ক্যাডাররা। এ ঘটনায় বেলকুচি পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৌরভ আহম্মেদ উৎস বাদী হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা শতাধিক বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতার বিরুদ্ধে মামলা করে।

রাজাপুর (ঝালকাঠি) : রাজাপুরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর বোমা হামলার অভিযোগে বিএনপি ও সহোযোগী সংগঠনের ১০৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে। মামলায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি তালুকদার অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক নাসিম উদ্দিন আকনসহ ২৬ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ওরফে ইলিয়াস মঙ্গলবার রাতে মামলা করেন। রাজাপুর থানার ওসি পুলক চন্দ্র রায় বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কালিয়াকৈর (গাজীপুর) : কালিয়াকৈরে পৌর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১১ নেতাকর্মী ও অজ্ঞাতসহ দেড়শ জনের নামে মামলা হয়েছে। কার্যালয়ের অফিস সহকারী মামলাটি করেন। বুধবার বিএনপি নেতা ও পৌর কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেনকে পুলিশ গ্রেফতারের পর জেলহাজতে পাঠিয়েছে। আসামিদের মধ্যে রয়েছে-উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহম্মেদ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর খান, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইজুদ্দিন, পৌর কাউন্সিলর সারোয়ার হোসেন আকুল। সরোয়ার কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

দেলদুয়ার (টাঙ্গাইল) : দেলদুয়ারে বিএনপির ২০ নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ নাশকতার মামলাটি করেছে। বুধবার করা মামলায় দুই নেতাকে আটক করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই ফকরুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার রাতে দেলদুয়ার স্টেডিয়ামে বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে চারটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। আটকরা হলো-উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফাজিলহাটি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন ও উপজেলা বিএনপির আরেক সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম বাদল। দুই সহ-সভাপতিকে বুধবার একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ): গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে বিএনপির ১৪ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। আটকদের নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেনি পুলিশ।

বাঘা (রাজশাহী) : বাঘা পৌর এলাকা থেকে বুধবার বিএনপির তিন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতাররা হলেন-বাঘা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মখলেচুর রহমান মকুল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান শফি এবং পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ফিরোজ হোসেন।

বাঘা থানার ওসি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ১৯ নভেম্বর রাতে উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর ইট পাটকেল ও ককটেল ছোড়ে। এ ঘটনায় পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দোস্তুল হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা হয়।

পুঠিয়া (রাজশাহী) : পুঠিয়ায় নাশকতার মামলায় বিএনপির দুই নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা হলেন-উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম মুক্তা ও পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়া। ২১ নভেম্বর রাতে উপজেলার মোল্লাপাড়া বাজারে বিএনপির সমাবেশস্থলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বুধবার ভোরে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

বাগমারা (রাজশাহী) : বাগমারার গণিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান রঞ্জুকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। বুধবার উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ আসার সময় দেউলা চৌরাস্তার মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বাগমারা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। বাগমারা থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, পুলিশের উপর মহলের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) : সাটুরিয়ায় উপজেলার বালিয়াটি ইউনিয়নের পশ্চিম বাড়ি ও বাগবাড়ি এলাকা থেকে বিএনপির দুই নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন-বালিয়াটি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাসুদুর রহমান খান স্বপন ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছা সেবকদলের সভাপতি রেজাউল করিম। সাটুরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক সুকুমার বিশ্বাস বলেন, মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন