গ্রেফতার আতঙ্কে বিয়ে পেছালেন যুবদল নেতা
jugantor
ধামরাইয়ে গায়েবি মামলা
গ্রেফতার আতঙ্কে বিয়ে পেছালেন যুবদল নেতা

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ধামরাই উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুলিশ দফায় দফায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। গ্রেফতার এড়াতে নেতাকর্মীরা আত্মগোপন করেছেন। এ কারণে ধামরাই বিএনপি নেতাকর্মী শূন্য হয়ে পড়েছে। এদিকে, গ্রেফতারের ভয়ে নিজের বিয়ে পিছিয়ে দিয়েছেন যুবদল নেতা আবুল হাসেম। উপজেলার রয়খোলা এলাকার মীর হোসেনের ছেলে হাসেমের বিয়ে পেছানোর ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বুধবার রাতে শহরের ইসলামপুর হাসপাতাল রোড থেকে সাভার উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি দেওয়ান সোলাইমান ওরফে সলে দেওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই রাতে বিএনপির ৮৩ নেতাকর্মীর নামে নাশকতার মামলা হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিল্পপতি আলহাজ তমিজ উদ্দীনকে মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। যদিও চিকিৎসার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন।

মোবাইল ফোনে বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে ও গ্রেফতার করা হচ্ছে। এ কারণে বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন তারা। তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হয়েছে। যুবদল নেতা আবুল হাসেম জানান, ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আমাদের গ্রেফতার করতে পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে। গ্রেফতারের ভয়ে বিয়ের পূর্বনির্ধারিত দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এলাকার কোথাও বিএনপি নেতাকর্মীদের দেখা যাচ্ছে না। শিল্পপতি তমিজ উদ্দীনের পিএস মনির হোসেন জানান, চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু দিন আগে তিনি সিঙ্গাপুর গেছেন। অথচ তাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুনীল চন্দ্র সাহা বলেন, ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকারকে খুশি করতে পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে এসব করছে। যুবদলের সাবেক সভাপতি সোলাইমান দেওয়ানের বড়ভাই ও সাভার উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি দেওয়ান আব্দুল বাছেদ বলেন, সোলাইমান আগে যুবদল করলেও এখন রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। এরপরও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে এবং নানাভাবে আমাদের হয়রানি করছে।

ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো নাশকতার ঘটনা না ঘটলেও পুলিশ আমাদের নামে গায়েবি মামলা দিয়েছে। তমিজ উদ্দীন চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর অবস্থান করার পরও তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএ কামরুজ্জামান বলেন, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই দেওয়ান সোলাইমানকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ধামরাইয়ে গায়েবি মামলা

গ্রেফতার আতঙ্কে বিয়ে পেছালেন যুবদল নেতা

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ধামরাই উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুলিশ দফায় দফায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। গ্রেফতার এড়াতে নেতাকর্মীরা আত্মগোপন করেছেন। এ কারণে ধামরাই বিএনপি নেতাকর্মী শূন্য হয়ে পড়েছে। এদিকে, গ্রেফতারের ভয়ে নিজের বিয়ে পিছিয়ে দিয়েছেন যুবদল নেতা আবুল হাসেম। উপজেলার রয়খোলা এলাকার মীর হোসেনের ছেলে হাসেমের বিয়ে পেছানোর ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। বুধবার রাতে শহরের ইসলামপুর হাসপাতাল রোড থেকে সাভার উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি দেওয়ান সোলাইমান ওরফে সলে দেওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই রাতে বিএনপির ৮৩ নেতাকর্মীর নামে নাশকতার মামলা হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিল্পপতি আলহাজ তমিজ উদ্দীনকে মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। যদিও চিকিৎসার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন।

মোবাইল ফোনে বিএনপির কয়েকজন নেতা জানান, ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের নামে গায়েবি মামলা দেওয়া হচ্ছে ও গ্রেফতার করা হচ্ছে। এ কারণে বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপন করেছেন তারা। তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখা হয়েছে। যুবদল নেতা আবুল হাসেম জানান, ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে আমাদের গ্রেফতার করতে পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে। গ্রেফতারের ভয়ে বিয়ের পূর্বনির্ধারিত দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এলাকার কোথাও বিএনপি নেতাকর্মীদের দেখা যাচ্ছে না। শিল্পপতি তমিজ উদ্দীনের পিএস মনির হোসেন জানান, চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু দিন আগে তিনি সিঙ্গাপুর গেছেন। অথচ তাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুনীল চন্দ্র সাহা বলেন, ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে সরকারকে খুশি করতে পুলিশ অতি উৎসাহী হয়ে এসব করছে। যুবদলের সাবেক সভাপতি সোলাইমান দেওয়ানের বড়ভাই ও সাভার উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি দেওয়ান আব্দুল বাছেদ বলেন, সোলাইমান আগে যুবদল করলেও এখন রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই। এরপরও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে এবং নানাভাবে আমাদের হয়রানি করছে।

ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুল ইসলাম বলেন, এখানে কোনো নাশকতার ঘটনা না ঘটলেও পুলিশ আমাদের নামে গায়েবি মামলা দিয়েছে। তমিজ উদ্দীন চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর অবস্থান করার পরও তাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএ কামরুজ্জামান বলেন, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই দেওয়ান সোলাইমানকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন