শিক্ষাবিদ খান সারওয়ার মুরশিদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
jugantor
শিক্ষাবিদ খান সারওয়ার মুরশিদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

   

০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আজ শিক্ষাবদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক খান সারওয়ার মুরশিদের ১০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা ও মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের সব রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনে প্রথম সারিতে থেকে প্রেরণা জুগিয়েছেন সারওয়ার মুরশিদ। তিনি ১৯৬১ সালে আইয়ুব খানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনের মাধ্যমে দেশে রবীন্দ্র চর্চার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন। পঞ্চাশের দশকে একটি ইংরেজি পত্রিকা New Values একাধারে সতেরো বছর সম্পাদনা করে সামরিক সরকারসহ শিক্ষিত সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। ৬৬’র শিক্ষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের উপদেষ্টা, মুক্তিযুদ্ধকালীন ও পরবর্তী সময়ে মুজিবনগর কমিশনের সদস্য হিসাবে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ স্টাডিজ নামে এটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও নাগরিক উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ১০টায় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে এ কর্মসূচিগুলোতে অংশগ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শিক্ষাবিদ খান সারওয়ার মুরশিদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  
০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আজ শিক্ষাবদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক অধ্যাপক খান সারওয়ার মুরশিদের ১০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা ও মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের সব রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক আন্দোলনে প্রথম সারিতে থেকে প্রেরণা জুগিয়েছেন সারওয়ার মুরশিদ। তিনি ১৯৬১ সালে আইয়ুব খানের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনের মাধ্যমে দেশে রবীন্দ্র চর্চার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন। পঞ্চাশের দশকে একটি ইংরেজি পত্রিকা New Values একাধারে সতেরো বছর সম্পাদনা করে সামরিক সরকারসহ শিক্ষিত সমাজে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। ৬৬’র শিক্ষা আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের উপদেষ্টা, মুক্তিযুদ্ধকালীন ও পরবর্তী সময়ে মুজিবনগর কমিশনের সদস্য হিসাবে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কাঠামো তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ স্টাডিজ নামে এটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও নাগরিক উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানও ছিলেন তিনি।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ১০টায় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হবে। পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে এ কর্মসূচিগুলোতে অংশগ্রহণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন