রাজশাহী বিএনপির গণসমাবেশে নেতাকর্মী কম
jugantor
রাজশাহী বিএনপির গণসমাবেশে নেতাকর্মী কম

  রাজশাহী ব্যুরো  

০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহীর গণসমাবেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় অংশ নিয়েছেন পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোর জেলার নেতাকর্মীরা। আবার উত্তরাঞ্চলে বিএনপির দুর্গখ্যাত রাজশাহী ও বগুড়া জেলার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল না। রাজশাহী ও বগুড়া থেকে গণসমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ কম থাকা নিয়ে বিএনপি নেতৃত্বের মধ্যে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সেই সঙ্গে রাজশাহী জেলা, মহানগর ও বগুড়া জেলা ও পৌর শাখা বিএনপির নেতাদের উপস্থিতিও ছিল নিষ্প্রভ। এই দুই জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সরব উপস্থিতি গণসমাবেশের কোথাও চোখে পড়ার মতো ছিল না। কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাতেও তাদের দেখতে না পেয়ে নেতাকর্মীরা হতাশ হয়েছেন। দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অন্যদিকে বিশাল এই গণসমাবেশ সফল করতে বরং সাবেক নেতারাই দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। বিশেষ করে এই গণসমাবেশ সফল করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু। গণসমাবেশ ঘোষণার পর থেকেই একটানা রাজশাহীতে অবস্থান করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন গণসমাবেশ কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে গণসমাবেশের সারাদিন ও আগের দুদিন সরেজমিন দেখা গেছে, মাদ্রাসা মাঠের একটা বড় অংশজুড়েই ছিলেন নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে আসা নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নিজ জেলা সিরাজগঞ্জ। গণসমাবেশের আগের দুই সপ্তাহ তিনি সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় অবস্থান করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেছেন।

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশে নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে অধিক সংখ্যায় নেতাকর্মীর উপস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, নেতাকর্মীরা ১৮ বছর ধরে হামলা-মামলায় জর্জরিত। এরপরও শত প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে তারা বুকে সাহস করে গণসমাবেশে গিয়েছিলেন। দেশের মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। পরিবহন বন্ধের কারণে ও ব্যাপক পুলিশি হয়রানির কারণে সব জেলা থেকে সমানসংখ্যক নেতাকর্মী সমাবেশে উপস্থিত হতে পারেননি এটা ঠিক। তারপরও গণসমাবেশে বিভাগের বিভিন্ন জেলার কয়েক লাখ বিএনপি নেতাকর্মী ছিলেন মাঠে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর গণসমাবেশের আগের রাতে হারুনুর রশীদ এমপি মেয়ের কাছে অস্ট্রেলিয়া চলে যান। গণসমাবেশের আগের রাতে হারুনের দেশত্যাগ নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা যায়। কেন্দ্রীয় নেতারাও বিব্রত হন। হারুন না থাকায় গণসমাবেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল নগণ্য। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, রাজশাহীর গণসমাবেশ শতভাগ সফল হয়েছে। অন্য বিভাগীয় সমাবেশগুলোর চেয়ে রাজশাহীর সমাবেশ ছিল আলাদা। রাজশাহীর সমাবেশ বানচাল করতে সরকার সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। থানায় থানায় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত মামলা করা হয়।

রাজশাহী বিএনপির গণসমাবেশে নেতাকর্মী কম

 রাজশাহী ব্যুরো 
০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত ৩ ডিসেম্বর বিএনপির রাজশাহীর গণসমাবেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় অংশ নিয়েছেন পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোর জেলার নেতাকর্মীরা। আবার উত্তরাঞ্চলে বিএনপির দুর্গখ্যাত রাজশাহী ও বগুড়া জেলার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ প্রত্যাশা অনুযায়ী ছিল না। রাজশাহী ও বগুড়া থেকে গণসমাবেশে নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ কম থাকা নিয়ে বিএনপি নেতৃত্বের মধ্যে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সেই সঙ্গে রাজশাহী জেলা, মহানগর ও বগুড়া জেলা ও পৌর শাখা বিএনপির নেতাদের উপস্থিতিও ছিল নিষ্প্রভ। এই দুই জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সরব উপস্থিতি গণসমাবেশের কোথাও চোখে পড়ার মতো ছিল না। কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাতেও তাদের দেখতে না পেয়ে নেতাকর্মীরা হতাশ হয়েছেন। দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অন্যদিকে বিশাল এই গণসমাবেশ সফল করতে বরং সাবেক নেতারাই দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। বিশেষ করে এই গণসমাবেশ সফল করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু। গণসমাবেশ ঘোষণার পর থেকেই একটানা রাজশাহীতে অবস্থান করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন গণসমাবেশ কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে গণসমাবেশের সারাদিন ও আগের দুদিন সরেজমিন দেখা গেছে, মাদ্রাসা মাঠের একটা বড় অংশজুড়েই ছিলেন নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে আসা নেতাকর্মীদের উপস্থিতি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নিজ জেলা সিরাজগঞ্জ। গণসমাবেশের আগের দুই সপ্তাহ তিনি সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় অবস্থান করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করেছেন।

বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশে নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ থেকে অধিক সংখ্যায় নেতাকর্মীর উপস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, নেতাকর্মীরা ১৮ বছর ধরে হামলা-মামলায় জর্জরিত। এরপরও শত প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে তারা বুকে সাহস করে গণসমাবেশে গিয়েছিলেন। দেশের মানুষ একটা পরিবর্তন চায়। পরিবহন বন্ধের কারণে ও ব্যাপক পুলিশি হয়রানির কারণে সব জেলা থেকে সমানসংখ্যক নেতাকর্মী সমাবেশে উপস্থিত হতে পারেননি এটা ঠিক। তারপরও গণসমাবেশে বিভাগের বিভিন্ন জেলার কয়েক লাখ বিএনপি নেতাকর্মী ছিলেন মাঠে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহীর গণসমাবেশের আগের রাতে হারুনুর রশীদ এমপি মেয়ের কাছে অস্ট্রেলিয়া চলে যান। গণসমাবেশের আগের রাতে হারুনের দেশত্যাগ নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা যায়। কেন্দ্রীয় নেতারাও বিব্রত হন। হারুন না থাকায় গণসমাবেশে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে নেতাকর্মীদের উপস্থিতিও ছিল নগণ্য। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেন, রাজশাহীর গণসমাবেশ শতভাগ সফল হয়েছে। অন্য বিভাগীয় সমাবেশগুলোর চেয়ে রাজশাহীর সমাবেশ ছিল আলাদা। রাজশাহীর সমাবেশ বানচাল করতে সরকার সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন। থানায় থানায় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত মামলা করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন