দেশের পক্ষে পীর হাবিব ছিলেন নির্ভীক
jugantor
স্মরণসভায় বক্তারা
দেশের পক্ষে পীর হাবিব ছিলেন নির্ভীক

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘সাংবাদিকতা জীবনের সহকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের সঙ্গে পীর হাবিবুর রহমানের সম্পর্ক ছিল পরমাত্মীয়ের মতো। হৃদ্যতার বন্ধনে সবাইকে জড়িয়ে নেওয়া ছিল তার সহজাত প্রবৃত্তি। দেশ ও দেশের মানুষের পক্ষাবলম্বনে ছিলেন নির্ভীক, সংকটে ছিলেন বলিষ্ঠ।’ রোববার সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা একথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক আবু তাহেরের সভাপতিত্বে সভায় কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ-সদস্য সোহরাব জাহান, পীর হাবিবুর রহমানের ভাই পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ এমপি, গাইবান্ধা-১ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু, সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, পীর হাবিবের স্ত্রী ডায়না নাজনিন, ছেলে ব্যারিস্টার আহনাফ ফাহমিন অন্তর, পূর্ব-পশ্চিম সম্পাদক (পীর হাবিবের সহপাঠী) এবিএম জাকিরুল হক টিটন, সিনিয়র সাংবাদিক তানজির আহমেদ চৌধুরী সিদ্দিকী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের উপসম্পাদক মাহমুদ হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রতন প্রমুখ বক্তব্য দেন। সভা সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম রনি।

সংসদ-সদস্য সোহরাব জাহান বাদশাহ বলেন, ‘পীর হাবিব অত্যন্ত উদ্দীপক মানুষ ছিলেন। তাকে কখনো বেয়াদবি করতে দেখিনি। তিনি রাজনীতি সচেতন অমায়িক মানুষ ছিলেন।’ পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ এমপি বলেন, ‘তিনি (পীর হাবিব) অনেক সংগ্রাম করেছেন। কাউকে পরোয়া করে চলেন নাই।’ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘আমাদের সমাজে তার মতো নিরপেক্ষ লোকের অভাব রয়েছে। পীর হাবিব সবকিছুর ঊর্ধ্বে লিখতেন।’

মোজাম্মেল হক বাবু বলেন, ‘পীর হাবিবের মতো অনর্গল-সাবলীল লেখক আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। একটানে লিখে যেতে পারতেন।’ নঈম নিজাম বলেন, ‘পীর হাবিব ছিলেন স্বকীয় ও সব্যসাচী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। চারপাশের মানুষকে আপন করে নেওয়া ছিল তার অনন্য বৈশিষ্ট্য।’

মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘পীর হাবিবের লেখনী, শব্দ চয়ন, বিশ্লেষণ-সব ছিল অসাধারণ।’ ডায়না নাজনিন বলেন, ‘এত মানুষ, এত স্মরণসভা, সবাই ওকে নিয়ে এত কথা বলে, ও এত উদার মনের মানুষ ছিল, আমি অবাক হয়ে যাই।’ পীর হাবিবুর রহমান গত বছর ৫ ফেব্রুয়ারি ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন।

স্মরণসভায় বক্তারা

দেশের পক্ষে পীর হাবিব ছিলেন নির্ভীক

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘সাংবাদিকতা জীবনের সহকর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী ও রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের সঙ্গে পীর হাবিবুর রহমানের সম্পর্ক ছিল পরমাত্মীয়ের মতো। হৃদ্যতার বন্ধনে সবাইকে জড়িয়ে নেওয়া ছিল তার সহজাত প্রবৃত্তি। দেশ ও দেশের মানুষের পক্ষাবলম্বনে ছিলেন নির্ভীক, সংকটে ছিলেন বলিষ্ঠ।’ রোববার সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা একথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক আবু তাহেরের সভাপতিত্বে সভায় কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ-সদস্য সোহরাব জাহান, পীর হাবিবুর রহমানের ভাই পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ এমপি, গাইবান্ধা-১ আসনে জাতীয় পার্টির সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, একাত্তর টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু, সিনিয়র সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, পীর হাবিবের স্ত্রী ডায়না নাজনিন, ছেলে ব্যারিস্টার আহনাফ ফাহমিন অন্তর, পূর্ব-পশ্চিম সম্পাদক (পীর হাবিবের সহপাঠী) এবিএম জাকিরুল হক টিটন, সিনিয়র সাংবাদিক তানজির আহমেদ চৌধুরী সিদ্দিকী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের উপসম্পাদক মাহমুদ হাসান, সিনিয়র সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম রতন প্রমুখ বক্তব্য দেন। সভা সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম রনি।

সংসদ-সদস্য সোহরাব জাহান বাদশাহ বলেন, ‘পীর হাবিব অত্যন্ত উদ্দীপক মানুষ ছিলেন। তাকে কখনো বেয়াদবি করতে দেখিনি। তিনি রাজনীতি সচেতন অমায়িক মানুষ ছিলেন।’ পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ এমপি বলেন, ‘তিনি (পীর হাবিব) অনেক সংগ্রাম করেছেন। কাউকে পরোয়া করে চলেন নাই।’ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘আমাদের সমাজে তার মতো নিরপেক্ষ লোকের অভাব রয়েছে। পীর হাবিব সবকিছুর ঊর্ধ্বে লিখতেন।’

মোজাম্মেল হক বাবু বলেন, ‘পীর হাবিবের মতো অনর্গল-সাবলীল লেখক আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। একটানে লিখে যেতে পারতেন।’ নঈম নিজাম বলেন, ‘পীর হাবিব ছিলেন স্বকীয় ও সব্যসাচী ব্যক্তিত্বের অধিকারী। চারপাশের মানুষকে আপন করে নেওয়া ছিল তার অনন্য বৈশিষ্ট্য।’

মনজুরুল আহসান বুলবুল বলেন, ‘পীর হাবিবের লেখনী, শব্দ চয়ন, বিশ্লেষণ-সব ছিল অসাধারণ।’ ডায়না নাজনিন বলেন, ‘এত মানুষ, এত স্মরণসভা, সবাই ওকে নিয়ে এত কথা বলে, ও এত উদার মনের মানুষ ছিল, আমি অবাক হয়ে যাই।’ পীর হাবিবুর রহমান গত বছর ৫ ফেব্রুয়ারি ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন