পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল হচ্ছে

সেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৫৭ শতাংশ

প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  শেখ সাইদুর রহমান টুটুল, লৌহজং

ফাইল ছবি

পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল তৈরি হবে। আবুল হাসিমের নেতৃত্বে একটি দল তা নির্মাণ করবে। ওই দলটি বুধবার প্রকল্প এলাকা ঘুরে গেছে।

দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, শিগগির এ ম্যুরাল তৈরি শুরু হবে। সেতু উদ্বোধনের আগেই শেষ করা হবে এর নির্মাণ কাজ।

বেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ। সেতু বাস্তবায়নে দুটি বাধা- নতুন করে কিছু ভূমি অধিগ্রহণ ও কয়েকটি পিলারের নকশা জটিলতা দূর হওয়ার পথে।

এরই মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে। জটিলতা থাকা পিলারের কয়েকটির নকশা চূড়ান্ত হয়েছে, বাকিগুলোর জন্য কাজ চলছে।

সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৫৭ শতাংশ।

শনিবার প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মাঝ নদীতে গিয়েও শোনা যাচ্ছে কাজের ধুম-ধুম শব্দ। ঈদের ছুটিতে যাওয়া কর্মীরা এসে যোগ দেয়ায় কাজের গতি বেড়েছে। নদীতে এ পর্যন্ত ১৬৯টি পাইল বসেছে। আরও ১১টি পাইল বটম সেকশন হয়েছে। স্প্যান বসানোর জন্য খুঁটিও তৈরি হচ্ছে। ৭ সেপ্টেম্বর আরও একটি স্প্যান নদীপথে এসে পৌঁছার কথা রয়েছে।

দুই পাড়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সেতুর (ভায়াডাক্ট) কাজও বেশ গতিতে চলছে। এর ৩৬৫টি পাইল বসে গেছে। এগুলোর ওপর ক্যাপ ও খুঁটি বসানো হচ্ছে। মাওয়া প্রান্তের ২ থেকে ৫ নম্বর খুঁটি নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পদ্মা সেতুর ডিপিপি প্রণয়নকালে প্রায় ১১৬২ হেক্টর জমি (নদীর চর, ডুবোচর ও খাসজমি) হিসাবে রাখা হয়নি। পরে ওই চরগুলো পলি পড়ে উঁচু হওয়ায় সেগুলো ব্যক্তিমালিকানাধীন হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ফলে এসব জমি নতুন করে অধিগ্রহণ করতে হচ্ছে।

আবার নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় মাওয়া প্রান্তে ভাঙন দেখা দেয়, জাজিরা প্রান্তে চর সৃষ্টি হয়। নতুন করে বরাদ্দ দেয়ায় পদ্মা সেতুর নির্মাণ ব্যয় ঠেকছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকায়। ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বাড়তি বরাদ্দের আগে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।