নতুন কূপ ভোলা নর্থ-১ ড্রিলিং শেষ
jugantor
নতুন কূপ ভোলা নর্থ-১ ড্রিলিং শেষ

  অমিতাভ অপু, ভোলা  

১৯ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলা জেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের মাঝিরহাট। এখানেই নতুন খননকৃত ভোলা নর্থ-১ কূপের ৩ হাজার ২শ’ মিটার গভীরতায় গ্যাসের অস্তিত্ব মিলেছে। বের হয়ে আসছে গ্যাস। ড্রিলিং কাজ শেষ হওয়ায় দু’একদিনের মধ্যে মজুদ ও চাপ নির্ণয়ের জন্য ডিএসটি পরীক্ষা শুরু হবে বলে বুধবার যুগান্তরকে জানান কূপের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার।

বাপেক্স নিয়ন্ত্রিত দেশের ২৭তম গ্যাস ক্ষেত্র এটি। এ কূপ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাসে আগুন প্রজ্বলন করা হবে। গ্যাসের মজুদ ও চাপ পরীক্ষাকে বলা হয় ডিএসটি। এমন ডিএসটি-১ ও ডিএসটি-২ পরীক্ষা শেষেই গ্যাসের প্রকৃত মজুদের পরিমাণ নিশ্চিত হবে। তবে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে মজুদের পরিমাণ ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট ছাড়িয়ে যাবে। এমন তথ্য ভোলা নর্থ-১ মনিটরিং টিমের। ১০ বছর আগে এখানে একটি বাড়িতে গভীর টিউবওয়েল স্থাপনের সময় প্রথম বেরিয়ে আসা পকেট গ্যাসে আগুন জ্বালিয়ে ছিল স্থানীয়রা। ওই গ্যাস বের হওয়ার ঘটনা ছিল সাময়িক। তবে ওই সময় থেকে ধারণা করা হচ্ছিল এ অঞ্চলেও গ্যাসের মজুদ রয়েছে। দুই বছর আগে পেট্রোবাংলার অধীন সিসিমিক জরিপে মাঝির এলাকায় গ্যাস জোনের অস্তিত্ব মেলে। ওই জরিপের ভিত্তিতেই ভোলা নর্থ-১ কূপ খননের কাজ শুরু হয় ৯ ডিসেম্বর। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাপেক্সের তত্ত্বাবধানে রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপপ খনন কাজ করছে। ৩৫ দিনের মধ্যে ৩ হাজার ২শ’ মিটার খনন শেষের অস্তিত্ব বের হয়ে আসে। কূপের ম্যানেজার ও ড্রিলিং মনিটরিং টিমের প্রধান যুগান্তরকে জানান, ড্রিলিং কাজ শেষ। এখন ডিএসটি-১ এ কাজ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এ কূপে ৩ হাজার ২শ’ মিটার গভীরতায় গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। এটি সম্পূর্ণ আলাদা জোন। ভোলার জন্য এটি আলাদা গ্যাস ক্ষেত্র। এটি দেশের জন্যও সুখবর। বাপেক্সের তত্ত্বাবধানে রাশিয়ান গ্যাজপপ কোম্পানি এ কূপ খননের কাজ করে। ওই কোম্পানি দেড় মাস আগে ৬০ কিলোমিটার দূরের বোরহানউদ্দিন উপজেলার শাহবাজপুর ইস্ট-১ কূপ খনন করেছিল। ওই কূপে ৭শ’ বিলিয়ন গ্যাসের মজুদ পাওয়া যায়। ভোলায় ৬টি কূপের গ্যাসের মজুদ প্রায় পেনে ২ ট্রিলিয়ন ছাড়িয়ে যাওয়ার ধারণা করছেন বাপেক্স কর্মকর্তারা।

বাপেক্স সূত্র জানায়, ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া এলাকায় ৪টি ও টবগি এলাকায় ১টিসহ ৫টি কূপ এরইমধ্যে খনন শেষে গ্যাসের মজুদ নিশ্চিত হয়েছে। ৪টি থেকে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের ব্যবহার শুরু হয়েছে। তবে এই ৫টি কূপের গ্যাসের স্তর কাছাকাছি রয়েছে। ভোলা-নর্থ কূপ সর্বশেষ খননকৃত শাহবাজপুর ইস্ট-১ কূপ থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। এ কূপে গ্যাসের আলাদা জোন রয়েছে।

নতুন কূপ ভোলা নর্থ-১ ড্রিলিং শেষ

 অমিতাভ অপু, ভোলা 
১৯ জানুয়ারি ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলা জেলা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের মাঝিরহাট। এখানেই নতুন খননকৃত ভোলা নর্থ-১ কূপের ৩ হাজার ২শ’ মিটার গভীরতায় গ্যাসের অস্তিত্ব মিলেছে। বের হয়ে আসছে গ্যাস। ড্রিলিং কাজ শেষ হওয়ায় দু’একদিনের মধ্যে মজুদ ও চাপ নির্ণয়ের জন্য ডিএসটি পরীক্ষা শুরু হবে বলে বুধবার যুগান্তরকে জানান কূপের দায়িত্বে থাকা ম্যানেজার।

বাপেক্স নিয়ন্ত্রিত দেশের ২৭তম গ্যাস ক্ষেত্র এটি। এ কূপ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাসে আগুন প্রজ্বলন করা হবে। গ্যাসের মজুদ ও চাপ পরীক্ষাকে বলা হয় ডিএসটি। এমন ডিএসটি-১ ও ডিএসটি-২ পরীক্ষা শেষেই গ্যাসের প্রকৃত মজুদের পরিমাণ নিশ্চিত হবে। তবে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে মজুদের পরিমাণ ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট ছাড়িয়ে যাবে। এমন তথ্য ভোলা নর্থ-১ মনিটরিং টিমের। ১০ বছর আগে এখানে একটি বাড়িতে গভীর টিউবওয়েল স্থাপনের সময় প্রথম বেরিয়ে আসা পকেট গ্যাসে আগুন জ্বালিয়ে ছিল স্থানীয়রা। ওই গ্যাস বের হওয়ার ঘটনা ছিল সাময়িক। তবে ওই সময় থেকে ধারণা করা হচ্ছিল এ অঞ্চলেও গ্যাসের মজুদ রয়েছে। দুই বছর আগে পেট্রোবাংলার অধীন সিসিমিক জরিপে মাঝির এলাকায় গ্যাস জোনের অস্তিত্ব মেলে। ওই জরিপের ভিত্তিতেই ভোলা নর্থ-১ কূপ খননের কাজ শুরু হয় ৯ ডিসেম্বর। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাপেক্সের তত্ত্বাবধানে রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপপ খনন কাজ করছে। ৩৫ দিনের মধ্যে ৩ হাজার ২শ’ মিটার খনন শেষের অস্তিত্ব বের হয়ে আসে। কূপের ম্যানেজার ও ড্রিলিং মনিটরিং টিমের প্রধান যুগান্তরকে জানান, ড্রিলিং কাজ শেষ। এখন ডিএসটি-১ এ কাজ শুরুর প্রস্তুতি চলছে। এ কূপে ৩ হাজার ২শ’ মিটার গভীরতায় গ্যাসের সন্ধান মিলেছে। এটি সম্পূর্ণ আলাদা জোন। ভোলার জন্য এটি আলাদা গ্যাস ক্ষেত্র। এটি দেশের জন্যও সুখবর। বাপেক্সের তত্ত্বাবধানে রাশিয়ান গ্যাজপপ কোম্পানি এ কূপ খননের কাজ করে। ওই কোম্পানি দেড় মাস আগে ৬০ কিলোমিটার দূরের বোরহানউদ্দিন উপজেলার শাহবাজপুর ইস্ট-১ কূপ খনন করেছিল। ওই কূপে ৭শ’ বিলিয়ন গ্যাসের মজুদ পাওয়া যায়। ভোলায় ৬টি কূপের গ্যাসের মজুদ প্রায় পেনে ২ ট্রিলিয়ন ছাড়িয়ে যাওয়ার ধারণা করছেন বাপেক্স কর্মকর্তারা।

বাপেক্স সূত্র জানায়, ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া এলাকায় ৪টি ও টবগি এলাকায় ১টিসহ ৫টি কূপ এরইমধ্যে খনন শেষে গ্যাসের মজুদ নিশ্চিত হয়েছে। ৪টি থেকে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের ব্যবহার শুরু হয়েছে। তবে এই ৫টি কূপের গ্যাসের স্তর কাছাকাছি রয়েছে। ভোলা-নর্থ কূপ সর্বশেষ খননকৃত শাহবাজপুর ইস্ট-১ কূপ থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। এ কূপে গ্যাসের আলাদা জোন রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন