তথ্য গোপন করে এসআই পদে চাকরি

তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে

তাহিরপুর ওসির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  সিলেট ব্যুরো

তথ্য গোপন করে পুলিশের (নিরস্ত্র) সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদে চাকরি পাওয়ার অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ে জমা দেয়া হয়েছে। ওই কর্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব কুমার দেব ১৪ আগস্ট প্রতিবেদন দেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বেশ কয়েকজন সাক্ষী এবং নিকাহ রেজিস্ট্রারের মতামতে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

নিয়োগ বিধিমালা অমান্য করে বিয়ের তথ্য গোপন রেখে পুলিশের এসআই পদে চাকরি নেয়ার ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে আইজিপি বরাবরে লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ৬ আগস্ট দৈনিক যুগান্তরে এ সংক্রান্ত্র খবর প্রকাশ করা হয়। সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে পুলিশ প্রশাসন। সিলেট রেঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজীব কুমার দেবকে বিষয়টি তদন্তের জন্য দায়িত্ব দেন ডিআইজি কামরুল আহসান। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন তিনি। প্রতিবেদনে বলা হয়, মো. সাইফুল ইসলাম পুলিশ বাহিনীতে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। তার কনস্টেবল নং-৭৯৪, বিপি নং- ৯১১৩১৬৬৪৮৭৮। তিনি হবিগঞ্জ জেলা পুলিশে কর্মরত থাকা অবস্থায় পুলিশের বহিরাগত ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি-২০১৬ এর পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ হয়ে বহিরাগত ক্যাডেট হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহীতে প্রশিক্ষণরত আছেন। ১০-০৮-১৭ইং তারিখে সাইফুলের সঙ্গে একই উপজেলার হলহলিয়া গ্রামের আক্তার আলীর মেয়ে মোছা. সুফিয়া আক্তারের সঙ্গে বিবাহ সম্পন্ন হয় বলে কাবিননামা সূত্রে এবং কয়েকজনের জবানবন্দিতে জানা যায়। কাবিননামা যাচাইকালে দেখা যায়, কাবিনটি তাহিরপুর থানাধীন ৩নং বড়দল ইউপির ট্যাকের ঘাট শাখার কাজী অফিসের বহি নং-এ/১৭ তে হুবহু লিপিবদ্ধ আছে। এদিকে বিবাহিত পুলিশ কনস্টেবল মো. সাইফুল ইসলামকে অবিবাহিত বলে ভেরিফিকেশন রিপোর্ট প্রদানকারী তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নন্দন কান্তি ধরের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে। ১৯ আগস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি আবিদা সুলতানা স্বাক্ষরিত পত্রে সিলেট জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়।