কৃষিপণ্য যাচ্ছে ১২১ দেশে
jugantor
কৃষিপণ্য যাচ্ছে ১২১ দেশে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বের ১২১টি দেশে রফতানি হচ্ছে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য। গত সাত অর্থবছরে এ খাত থেকে মোট আয় হয়েছে ৪৪৭ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতি অর্থবছরে এ খাত থেকে রফতানি আয় বাড়ছে। তবে কিভাবে এ খাত থেকে রফতানি আরও বাড়ানো যায় এজন্য সরকারকে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে হবে।

ইপিবি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে চা, সবজি, তামাক, ফুল, ফল, মসলা, শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য রফতানি হয়। আর এসব পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রফতানি হয় সবজি জাতীয় কৃষিপণ্য।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, মরিশাস, ভারত, সুইডেন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ফ্রান্স, কুয়েত, ভুটান, সিয়েরালিওন, সেনেগালসহ ১২১টি দেশে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রফতানি হয়। এসব পণ্য রফতানিতে এখন মূল্যসংযোজনের হার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন কৃষিপণ্যের সমন্বয়ে নতুন নতুন পণ্য উদ্ভাবন করে সেগুলো রফতানির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে তাজা সবজির পরিবর্তে হিমায়িত সবজি, রান্না করা হিমায়িত সবজি, চালের পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের পিঠা, ফলের পরিবর্তে বিভিন্ন ফলের তৈরি জুস রফতানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকেও নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষিজাত পণ্যের রফতানি বাড়াতে সরকার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সেই লক্ষ্যে বিদ্যমান রফতানি নীতিতে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া কৃষিপণ্য উন্নয়নে বিভিন্ন গবেষণামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে এবং বালাইমুক্ত কৃষিপণ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আওতাধীন উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইংকে শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এদিকে ইপিবি সূত্রে জানা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রফতানিতে আয় হয় ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এ আয় বেড়ে হয় ৬১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আবার রফতানি আয় কমে যায়। তখন এ খাত থেকে আয় হয় ৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আয় হয় ৫৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আয় হয় ৫৫ কোটি ৩১ লাখ ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ আয় বেড়ে হয় ৬৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় হয় ৯০ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে আয়ের টার্গেট ১১২ কোটি ডলার। যার মধ্যে জুলাই-আগস্টে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৮ কোটি ৯১ লাখ ডলার। আয় হয়েছে ১৩ কোটি ৪৪ লাখ ডলার; যা কম হয়েছে ২৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

কৃষিপণ্য যাচ্ছে ১২১ দেশে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বের ১২১টি দেশে রফতানি হচ্ছে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য। গত সাত অর্থবছরে এ খাত থেকে মোট আয় হয়েছে ৪৪৭ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতি অর্থবছরে এ খাত থেকে রফতানি আয় বাড়ছে। তবে কিভাবে এ খাত থেকে রফতানি আরও বাড়ানো যায় এজন্য সরকারকে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে হবে।

ইপিবি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ থেকে চা, সবজি, তামাক, ফুল, ফল, মসলা, শুকনো খাবারসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য রফতানি হয়। আর এসব পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রফতানি হয় সবজি জাতীয় কৃষিপণ্য।

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, মরিশাস, ভারত, সুইডেন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, ফ্রান্স, কুয়েত, ভুটান, সিয়েরালিওন, সেনেগালসহ ১২১টি দেশে বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রফতানি হয়। এসব পণ্য রফতানিতে এখন মূল্যসংযোজনের হার বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য বিভিন্ন কৃষিপণ্যের সমন্বয়ে নতুন নতুন পণ্য উদ্ভাবন করে সেগুলো রফতানির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে তাজা সবজির পরিবর্তে হিমায়িত সবজি, রান্না করা হিমায়িত সবজি, চালের পরিবর্তে বিভিন্ন ধরনের পিঠা, ফলের পরিবর্তে বিভিন্ন ফলের তৈরি জুস রফতানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকেও নজর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, কৃষিজাত পণ্যের রফতানি বাড়াতে সরকার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। সেই লক্ষ্যে বিদ্যমান রফতানি নীতিতে কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া কৃষিপণ্য উন্নয়নে বিভিন্ন গবেষণামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে এবং বালাইমুক্ত কৃষিপণ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আওতাধীন উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ উইংকে শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এদিকে ইপিবি সূত্রে জানা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে কৃষিপণ্য রফতানিতে আয় হয় ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ডলার। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এ আয় বেড়ে হয় ৬১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আবার রফতানি আয় কমে যায়। তখন এ খাত থেকে আয় হয় ৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আয় হয় ৫৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আয় হয় ৫৫ কোটি ৩১ লাখ ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ আয় বেড়ে হয় ৬৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আয় হয় ৯০ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। এছাড়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে আয়ের টার্গেট ১১২ কোটি ডলার। যার মধ্যে জুলাই-আগস্টে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৮ কোটি ৯১ লাখ ডলার। আয় হয়েছে ১৩ কোটি ৪৪ লাখ ডলার; যা কম হয়েছে ২৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।