রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিংয়ের নির্দেশ
jugantor
রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিংয়ের নির্দেশ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিং করতে প্রবেশ গেটে স্ক্যানার মেশিন স্থাপন করতে গত বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। মূলত চট্টগ্রাম বন্দরে ইন্টারন্যাশনাল শিপ অ্যান্ড পোর্ট ফ্যাসিলিটি সিকিউরিটি (আইএসপিএস) কোড বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্ক্যানার বসানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৫ ও ২৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র কোস্টগার্ডের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করে। তারা বন্দরের নিরাপত্তা বিশ্বমানে উন্নীত করতে সাইবার নিরাপত্তা, পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিং এবং বন্দরের ভেতরে পণ্য খালাস বন্ধসহ ৫ দফা সুপারিশ করেন। এ সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্ক্যানার বসাতে এনবিআরকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

যদিও চলতি অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী রফতানি পণ্য স্ক্যানিং করার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন। এর আগে ৮ মে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আগামী বছর থেকে মালামাল যা দেশে আসবে-যাবে, তার শতভাগ স্ক্যান করা হবে। এ বিষয়ে আইন করা হবে। ওই সভায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের জন্য দুটি কনটেইনার স্ক্যানার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এতে মোট ব্যয় হবে ৯০ কোটি ৩১ লাখ টাকা । চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য মতে, ওই দুটি স্ক্যানারের মধ্যে একটি স্ক্যানার ১ নম্বর গেটে আমদানিকৃত কন্টেইনার স্ক্যানিংয়ের জন্য বসানো হচ্ছে। অপর স্ক্যানারটি রফতানি গেটে বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিংয়ের নির্দেশ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রফতানি পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিং করতে প্রবেশ গেটে স্ক্যানার মেশিন স্থাপন করতে গত বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। মূলত চট্টগ্রাম বন্দরে ইন্টারন্যাশনাল শিপ অ্যান্ড পোর্ট ফ্যাসিলিটি সিকিউরিটি (আইএসপিএস) কোড বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে স্ক্যানার বসানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৫ ও ২৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র কোস্টগার্ডের তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করে। তারা বন্দরের নিরাপত্তা বিশ্বমানে উন্নীত করতে সাইবার নিরাপত্তা, পণ্যবাহী কনটেইনার স্ক্যানিং এবং বন্দরের ভেতরে পণ্য খালাস বন্ধসহ ৫ দফা সুপারিশ করেন। এ সুপারিশের প্রেক্ষিতে স্ক্যানার বসাতে এনবিআরকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

যদিও চলতি অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী রফতানি পণ্য স্ক্যানিং করার উদ্যোগ নেয়ার কথা জানিয়েছেন। এর আগে ৮ মে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, আগামী বছর থেকে মালামাল যা দেশে আসবে-যাবে, তার শতভাগ স্ক্যান করা হবে। এ বিষয়ে আইন করা হবে। ওই সভায় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের জন্য দুটি কনটেইনার স্ক্যানার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এতে মোট ব্যয় হবে ৯০ কোটি ৩১ লাখ টাকা । চট্টগ্রাম বন্দরের তথ্য মতে, ওই দুটি স্ক্যানারের মধ্যে একটি স্ক্যানার ১ নম্বর গেটে আমদানিকৃত কন্টেইনার স্ক্যানিংয়ের জন্য বসানো হচ্ছে। অপর স্ক্যানারটি রফতানি গেটে বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।