আয়-রোজগারে এগিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি নারী
jugantor
আয়-রোজগারে এগিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি নারী

  সুশীল প্রসাদ চাকমা, রাঙ্গামাটি  

০৮ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িদের প্রত্যেক পরিবারে আয়-উপার্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন নারীরা। বহুবিধ অর্থনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত পাহাড়ি নারীরা। তারা যেমন কর্মঠ, তেমনি সম্পৃক্ত হতে পারেন বিভিন্ন পেশা ও কাজকর্মে। গৃহস্থালির দৈনন্দিন কাজকর্মসহ পারিবারিক আয় থেকে শুরু করে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, হস্ত ও ক্ষুদ্রশিল্প, আউটসোর্সিং, চাকরিসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত হয়ে উপার্জন করছেন পাহাড়ের নারীরা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, লুসাই, খুমি, বম, মুরং, রিয়াং, খিয়াং, উসুইসহ চৌদ্দ জাতিগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস রয়েছে। প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠীর নারীরা পারিবারিকসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকেন। তারা খুবই পরিশ্রমী। আগেকার সময়ে কেবল কৃষিভিত্তিক পেশা জুম চাষ, কৃষিজ ফসল এবং কোমর তাঁতে বুনন কাজে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে পাহাড়ি নারীরা জড়িত হচ্ছেন নানা পেশায়। অনেক পাহাড়ি নারী উচ্চশিক্ষা লাভ করে দেশ-বিদেশে সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে নিয়োজিত হচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিন পার্বত্য জেলার গ্রামীণ পাহাড়ি নারীরা জুম চাষের পাশাপাশি শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদে জড়িত। উৎপাদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করেন নিজেরাই। আর শহরে বিভিন্ন শপিং মল, দোকান, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বিউটি পার্লার, কাপড়ের দোকান, সেলাই, বুননসহ বহুবিধ আয়বর্ধন পেশায় জড়িত। ঘরে বসে কোমর তাঁতে কাপড় তৈরি ও সেলাই করে পোশাক তৈরির কাজ করছেন অনেকে। রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন বাজার ও জায়গায় এসব নারী উদ্যোক্তা গড়ে তুলছেন বিপণী বিতান। শুক্রবার রাঙ্গামাটি সদরের বালুখালী ইউনিয়নের কাইন্দ্যা এলাকার সুমনা চাকমা (৩২) নিজের উৎপাদিত শাক-সবজি বিক্রি করতে আসেন শহরের বনরূপা বাজারে। তিনি যুগান্তরকে জানান, এ মৌসুমে প্রতি সপ্তাহে ১০-১২ হাজার টাকার নিজের উৎপাদিত শাক-সবজি বিক্রি করছেন তিনি। ২০১৭ সাল থেকে চাষাবাদের সঙ্গে জড়িত। বছরে পাঁচ মাসের মৌসুমে খরচ বাদ দিয়ে ৭০-৮০ হাজার টাকা লাভ থাকে তার।

আয়-রোজগারে এগিয়ে যাচ্ছে পাহাড়ি নারী

 সুশীল প্রসাদ চাকমা, রাঙ্গামাটি 
০৮ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়িদের প্রত্যেক পরিবারে আয়-উপার্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন নারীরা। বহুবিধ অর্থনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত পাহাড়ি নারীরা। তারা যেমন কর্মঠ, তেমনি সম্পৃক্ত হতে পারেন বিভিন্ন পেশা ও কাজকর্মে। গৃহস্থালির দৈনন্দিন কাজকর্মসহ পারিবারিক আয় থেকে শুরু করে উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, হস্ত ও ক্ষুদ্রশিল্প, আউটসোর্সিং, চাকরিসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত হয়ে উপার্জন করছেন পাহাড়ের নারীরা।

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, পাংখোয়া, লুসাই, খুমি, বম, মুরং, রিয়াং, খিয়াং, উসুইসহ চৌদ্দ জাতিগোষ্ঠীর মানুষের বসবাস রয়েছে। প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠীর নারীরা পারিবারিকসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকেন। তারা খুবই পরিশ্রমী। আগেকার সময়ে কেবল কৃষিভিত্তিক পেশা জুম চাষ, কৃষিজ ফসল এবং কোমর তাঁতে বুনন কাজে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে পাহাড়ি নারীরা জড়িত হচ্ছেন নানা পেশায়। অনেক পাহাড়ি নারী উচ্চশিক্ষা লাভ করে দেশ-বিদেশে সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে নিয়োজিত হচ্ছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিন পার্বত্য জেলার গ্রামীণ পাহাড়ি নারীরা জুম চাষের পাশাপাশি শাক-সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদে জড়িত। উৎপাদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করেন নিজেরাই। আর শহরে বিভিন্ন শপিং মল, দোকান, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, বিউটি পার্লার, কাপড়ের দোকান, সেলাই, বুননসহ বহুবিধ আয়বর্ধন পেশায় জড়িত। ঘরে বসে কোমর তাঁতে কাপড় তৈরি ও সেলাই করে পোশাক তৈরির কাজ করছেন অনেকে। রাঙ্গামাটি শহরের বিভিন্ন বাজার ও জায়গায় এসব নারী উদ্যোক্তা গড়ে তুলছেন বিপণী বিতান। শুক্রবার রাঙ্গামাটি সদরের বালুখালী ইউনিয়নের কাইন্দ্যা এলাকার সুমনা চাকমা (৩২) নিজের উৎপাদিত শাক-সবজি বিক্রি করতে আসেন শহরের বনরূপা বাজারে। তিনি যুগান্তরকে জানান, এ মৌসুমে প্রতি সপ্তাহে ১০-১২ হাজার টাকার নিজের উৎপাদিত শাক-সবজি বিক্রি করছেন তিনি। ২০১৭ সাল থেকে চাষাবাদের সঙ্গে জড়িত। বছরে পাঁচ মাসের মৌসুমে খরচ বাদ দিয়ে ৭০-৮০ হাজার টাকা লাভ থাকে তার।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন