বিদেশে পাচার হচ্ছে মাস্ক-গ্লাভস স্যানিটাইজার
jugantor
বিদেশে পাচার হচ্ছে মাস্ক-গ্লাভস স্যানিটাইজার
প্রতিরোধে সতর্ক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ শুল্ক কর্তৃপক্ষের

  সাদ্দাম হোসেন ইমরান  

২২ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশ থেকে এবার পাচারের তালিকায় উঠে এসেছে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের নাম। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এসব উপকরণ বেশি ব্যবহৃত হওয়ায় এগুলোর চাহিদা বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। মুনাফা বেশি হওয়ায় পাচারকারীরা এখন এগুলো পাচারে মনোযোগী হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহৃত অন্যতম উপকরণ মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এগুলো যেমন বিদেশ থেকে আমদানি হয়, তেমনি দেশেও উৎপাদন হচ্ছে। এর একটি অংশ এখন দেশ থেকে পাচার হচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের পণ্যের পাচার রোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শুল্ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পাচারকালে দুই দফায় মোট ৩৪ হাজার পিস মাস্ক আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দফায় ১২ হাজার পিস ও দ্বিতীয় দফায় ২২ হাজার পিস মাস্ক আটক করেছে। লাগেজ পার্টির মাধ্যমে এগুলো বিদেশে পাচার হচ্ছিল। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে বিমান ও স্থলপথে এসব পণ্য আরও পাচার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে তারা জানিয়েছে, সম্প্রতি চীন, থাইল্যান্ড, হংকংসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। যে কারণে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ বা চোরাই পথে লাগেজ পার্টির মাধ্যমে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাচার হচ্ছে। এ ধরনের পাচার বন্ধে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য তারা এনবিআরকে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর থেকে সম্প্রতি দেশের সব বিমান ও স্থলবন্দরে কার্যরত শুল্ক কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের পাচার বন্ধে সতর্ক পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরকে এবং আঞ্চলিক শুল্ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশেও করোনার সংক্রমণ ঘটেছে। এ কারণে দেশের বাজারে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো এগুলোর যেমন উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছে, তেমনি বিদেশ থেকেও এসব পণ্য আমদানি করছে। দেশের পাশাপাশি এসব পণ্যের চাহিদা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশেও রয়েছে। এ কারণে একটি চক্র এসব পণ্য বিভিন্নভাবে বিদেশে পাচার করছে।

কেননা এ ধরনের পণ্যগুলো দেশে এখন জরুরি ভিত্তিতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে। ফলে দেশের বাজারে এগুলোর সরবরাহ ও জোগান বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী বাজারে এগুলো পাওয়া যাচ্ছে না।

বিদেশে পাচার হচ্ছে মাস্ক-গ্লাভস স্যানিটাইজার

প্রতিরোধে সতর্ক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ শুল্ক কর্তৃপক্ষের
 সাদ্দাম হোসেন ইমরান  
২২ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশ থেকে এবার পাচারের তালিকায় উঠে এসেছে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের নাম। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এসব উপকরণ বেশি ব্যবহৃত হওয়ায় এগুলোর চাহিদা বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। মুনাফা বেশি হওয়ায় পাচারকারীরা এখন এগুলো পাচারে মনোযোগী হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহৃত অন্যতম উপকরণ মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার। এগুলো যেমন বিদেশ থেকে আমদানি হয়, তেমনি দেশেও উৎপাদন হচ্ছে। এর একটি অংশ এখন দেশ থেকে পাচার হচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ ধরনের পণ্যের পাচার রোধে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শুল্ক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে পাচারকালে দুই দফায় মোট ৩৪ হাজার পিস মাস্ক আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম দফায় ১২ হাজার পিস ও দ্বিতীয় দফায় ২২ হাজার পিস মাস্ক আটক করেছে। লাগেজ পার্টির মাধ্যমে এগুলো বিদেশে পাচার হচ্ছিল। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্তৃপক্ষ ধারণা করছে বিমান ও স্থলপথে এসব পণ্য আরও পাচার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে তারা জানিয়েছে, সম্প্রতি চীন, থাইল্যান্ড, হংকংসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। যে কারণে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ বা চোরাই পথে লাগেজ পার্টির মাধ্যমে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার পাচার হচ্ছে। এ ধরনের পাচার বন্ধে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য তারা এনবিআরকে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করেছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর থেকে সম্প্রতি দেশের সব বিমান ও স্থলবন্দরে কার্যরত শুল্ক কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের পাচার বন্ধে সতর্ক পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরকে এবং আঞ্চলিক শুল্ক কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশেও করোনার সংক্রমণ ঘটেছে। এ কারণে দেশের বাজারে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। দেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো এগুলোর যেমন উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছে, তেমনি বিদেশ থেকেও এসব পণ্য আমদানি করছে। দেশের পাশাপাশি এসব পণ্যের চাহিদা পার্শ্ববর্তী দেশসহ বিভিন্ন দেশেও রয়েছে। এ কারণে একটি চক্র এসব পণ্য বিভিন্নভাবে বিদেশে পাচার করছে।

কেননা এ ধরনের পণ্যগুলো দেশে এখন জরুরি ভিত্তিতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্যে পরিণত হয়েছে। ফলে দেশের বাজারে এগুলোর সরবরাহ ও জোগান বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী বাজারে এগুলো পাওয়া যাচ্ছে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন