মুদ্রায় স্বাধীনতার চেতনা
jugantor
মুদ্রায় স্বাধীনতার চেতনা

  হামিদ বিশ্বাস  

২২ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন মানের নোটে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন স্মৃতি চিহ্ন স্থান পেয়েছে। এর মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি চিহ্নগুলো তুলে ধরা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ। বিভিন্ন মুদ্রায় জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি, জলছাপ বা স্কেচ ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী (২৫ বছর পূর্তি) উপলক্ষে ১৯৯৬ সালে একটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ফাইন সিলভার স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করা হয়েছে।

বাজারে প্রচলিত ২ টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১৮, ২০১৭, ২০১৬ ও ২০১১ সালে ইস্যু করা ৫ টাকা মূল্যমানের নোটগুলোর সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১২ সালে ইস্যু করা ১০ টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ। ২০১২ সালে ইস্যু করা ২০ টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশেও রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ। ২০১২ সালে ইস্যু করা ৫০ টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ১৯৮৭ সালে ইস্যু করা ৫০ টাকার নোটের সামনের অংশে স্মৃতিসৌধের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

বাজারে প্রচলিত ১০০ টাকা মূল্যমানের নোটগুলোর মধ্যে ২০১১, ২০১৭ ও ২০১৯ সালে ইস্যু করা নোটগুলোর সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০০৫ ও ২০০৬ সালে ইস্যু করা একই মানের নোটের সামনের অংশের এক পাশে স্মৃতিসৌধের স্কেচ ব্যবহার করা হয়েছে।

৫০০ টাকা মূল্যমানের বিভিন্ন নোট বাজারে চালু রয়েছে। এর মধ্যে ২০১১ ও ২০১৭ সালে ইস্যু করা ৫০০ টাকার নোটগুলোর সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০০২ ও ২০০৪ সালে ইস্যু করা নোটগুলোর সামনের অংশের এক পাশে ব্যবহার করা হয়েছে স্মৃতিসৌধের স্কেচ। ১৯৯৮ সালে ইস্যু করা ৫০০ টাকার নোটের সামনের অংশে ব্যবহার করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি।

২০১৯ ও ২০১১ সালে ইস্যু করা এক হাজার টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী বা সিলভার জুবিলী উপলক্ষে ১৯৯৬ সালে দশ টাকা মূল্যমানের স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর এক পিঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও অন্য পাশে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি রয়েছে। কয়েন আকৃতির এই মুদ্রা ফাইন সিলভার দিয়ে ছাপানো হয়েছে।

এই স্মারক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসগুলো থেকে যে কেউ কিনতে পারেন। এছাড়া অন্য নোটগুলো বাজারে প্রচলিত রয়েছে।

মুদ্রায় স্বাধীনতার চেতনা

 হামিদ বিশ্বাস  
২২ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশের বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন মানের নোটে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন স্মৃতি চিহ্ন স্থান পেয়েছে। এর মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতি চিহ্নগুলো তুলে ধরা হচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ। বিভিন্ন মুদ্রায় জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি, জলছাপ বা স্কেচ ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী (২৫ বছর পূর্তি) উপলক্ষে ১৯৯৬ সালে একটি ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ফাইন সিলভার স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করা হয়েছে।

বাজারে প্রচলিত ২ টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১৮, ২০১৭, ২০১৬ ও ২০১১ সালে ইস্যু করা ৫ টাকা মূল্যমানের নোটগুলোর সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০১২ সালে ইস্যু করা ১০ টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ। ২০১২ সালে ইস্যু করা ২০ টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশেও রয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ। ২০১২ সালে ইস্যু করা ৫০ টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। ১৯৮৭ সালে ইস্যু করা ৫০ টাকার নোটের সামনের অংশে স্মৃতিসৌধের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

বাজারে প্রচলিত ১০০ টাকা মূল্যমানের নোটগুলোর মধ্যে ২০১১, ২০১৭ ও ২০১৯ সালে ইস্যু করা নোটগুলোর সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০০৫ ও ২০০৬ সালে ইস্যু করা একই মানের নোটের সামনের অংশের এক পাশে স্মৃতিসৌধের স্কেচ ব্যবহার করা হয়েছে।

৫০০ টাকা মূল্যমানের বিভিন্ন নোট বাজারে চালু রয়েছে। এর মধ্যে ২০১১ ও ২০১৭ সালে ইস্যু করা ৫০০ টাকার নোটগুলোর সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে। ২০০২ ও ২০০৪ সালে ইস্যু করা নোটগুলোর সামনের অংশের এক পাশে ব্যবহার করা হয়েছে স্মৃতিসৌধের স্কেচ। ১৯৯৮ সালে ইস্যু করা ৫০০ টাকার নোটের সামনের অংশে ব্যবহার করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি।

২০১৯ ও ২০১১ সালে ইস্যু করা এক হাজার টাকা মূল্যমানের নোটের সামনের অংশে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট হিসেবে জাতীয় স্মৃতিসৌধের জলছাপ ব্যবহার করা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী বা সিলভার জুবিলী উপলক্ষে ১৯৯৬ সালে দশ টাকা মূল্যমানের স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর এক পিঠে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি ও অন্য পাশে জাতীয় স্মৃতিসৌধের ছবি রয়েছে। কয়েন আকৃতির এই মুদ্রা ফাইন সিলভার দিয়ে ছাপানো হয়েছে।

এই স্মারক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা অফিসগুলো থেকে যে কেউ কিনতে পারেন। এছাড়া অন্য নোটগুলো বাজারে প্রচলিত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন