ক্ষুদ্রঋণে বিশেষ মনিটরিং সেল
jugantor
উচ্চপর্যায়ে সিদ্ধান্ত
ক্ষুদ্রঋণে বিশেষ মনিটরিং সেল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৯ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ও কিস্তি আদায় কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে এমন আশঙ্কা থেকে আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে। মাঠপর্যায়ের সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করেছে।

এই সেল থেকে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনকে কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রেখে ৮টি বিভাগের জন্য ৮ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা বিভাগীয় পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।

এমআরএ’র পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াকুব হোসেনকে প্রধান সমন্বয়ক করে গঠিত এই সেলে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বে আছেন উপপরিচালক কেএএমএম রইসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে উপপরিচালক জিল্লুর রহমান, রাজশাহী বিভাগে উপপরিচালক শহিদুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগে উপপরিচালক আবদুল মান্নান, ময়মনসিংহ বিভাগে কামাল হোসেন, রংপুর বিভাগে প্রদীপ কুমার ঘোষ, খুলনা বিভাগে আবু বকর সিদ্দিক, সিলেট বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মিজানুর রহমানকে।

এছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্তমানে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায়ে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি কোনো চাপ দেয়া যাবে না। কোনো গ্রাহক তার নেতিবাচক আর্থিক অবস্থার কারণে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পারলে তাকে খেলাপি বা কিস্তি বকেয়া করা যাবে না। গ্রাহক চাইলে পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন ঋণ দিতে পারবে। গ্রাহকের সক্ষমতা থাকলে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে।

সেল থেকে মাঠপর্যায়ে এসব বিষয়গুলো তদারকি করা হচ্ছে। সেলের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক থেকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এনজিও ও জেলা প্রশাসন থেকে এনজিও’র আঞ্চলিক অফিসগুলোতে চিঠি দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আলোকে অচিরেই জেলা প্রশাসন থেকে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি জেলা প্রশাসন থেকে স্থানীয় এনজিওগুলোকে চিঠি দিয়ে ঋণের কিস্তি আদায়ে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি কোনো চাপ প্রয়োগ না করার নির্দেশ দিয়েছে।

সূত্র জানায়, দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে দরিদ্র ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে। করোনার প্রভাবে তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে ক্ষুদ্রঋণ খাতে বড় ছাড় দেয়া হয়েছে। গ্রামের দরিদ্র মানুষের হাতে যাতে টাকার প্রবাহ বাড়ে সেজন্য গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করতেও বলা হয়েছে।

এছাড়া সমবায় অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত বিভিন্ন কো-অপারেটিভ সোসাইটিগুলো থেকেও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

উচ্চপর্যায়ে সিদ্ধান্ত

ক্ষুদ্রঋণে বিশেষ মনিটরিং সেল

 যুগান্তর রিপোর্ট  
২৯ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রভাবে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ও কিস্তি আদায় কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে এমন আশঙ্কা থেকে আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে। মাঠপর্যায়ের সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করেছে।

এই সেল থেকে মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে তদারকি করা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনকে কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক রেখে ৮টি বিভাগের জন্য ৮ জন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা বিভাগীয় পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।

এমআরএ’র পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াকুব হোসেনকে প্রধান সমন্বয়ক করে গঠিত এই সেলে ঢাকা বিভাগের দায়িত্বে আছেন উপপরিচালক কেএএমএম রইসুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে উপপরিচালক জিল্লুর রহমান, রাজশাহী বিভাগে উপপরিচালক শহিদুল ইসলাম, বরিশাল বিভাগে উপপরিচালক আবদুল মান্নান, ময়মনসিংহ বিভাগে কামাল হোসেন, রংপুর বিভাগে প্রদীপ কুমার ঘোষ, খুলনা বিভাগে আবু বকর সিদ্দিক, সিলেট বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে মিজানুর রহমানকে।

এছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্তমানে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি আদায়ে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি কোনো চাপ দেয়া যাবে না। কোনো গ্রাহক তার নেতিবাচক আর্থিক অবস্থার কারণে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে না পারলে তাকে খেলাপি বা কিস্তি বকেয়া করা যাবে না। গ্রাহক চাইলে পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন ঋণ দিতে পারবে। গ্রাহকের সক্ষমতা থাকলে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে।

সেল থেকে মাঠপর্যায়ে এসব বিষয়গুলো তদারকি করা হচ্ছে। সেলের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক থেকে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এনজিও ও জেলা প্রশাসন থেকে এনজিও’র আঞ্চলিক অফিসগুলোতে চিঠি দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর আলোকে অচিরেই জেলা প্রশাসন থেকে সংশ্লিষ্টদের চিঠি দেয়া হবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি জেলা প্রশাসন থেকে স্থানীয় এনজিওগুলোকে চিঠি দিয়ে ঋণের কিস্তি আদায়ে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি কোনো চাপ প্রয়োগ না করার নির্দেশ দিয়েছে।

সূত্র জানায়, দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে দরিদ্র ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে। করোনার প্রভাবে তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে ক্ষুদ্রঋণ খাতে বড় ছাড় দেয়া হয়েছে। গ্রামের দরিদ্র মানুষের হাতে যাতে টাকার প্রবাহ বাড়ে সেজন্য গ্রাহকদের মধ্যে নতুন করে ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করতেও বলা হয়েছে।

এছাড়া সমবায় অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত বিভিন্ন কো-অপারেটিভ সোসাইটিগুলো থেকেও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।