যুগান্তর একটি অগ্রবর্তী পত্রিকা

  মো. আবুল কাসেম শিখদার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুই দশকে যুগান্তর
দুই দশকে যুগান্তর

যুগান্তর দেশের অন্যতম পাঠকনন্দিত পত্রিকা। পাঠকপ্রিয়তার অন্যতম কারণ পত্রিকাটি সব শ্রেণী-পেশা ও মানুষের তথ্য চাহিদা পূরণে সদা তৎপর। পাঠক, লেখক সবাই পত্রিকাটিতে পেয়ে থাকেন সংবাদ পরিবেশনে-বিশ্লেষণে তীক্ষ্ম পর্যবেক্ষণের পরিচয়।

সংবাদ পরিবেশনায় এর রয়েছে সহজাত সারল্য, অথচ তা চমৎকারভাবে তথ্য-উপাত্ত সংবলিত। সংবাদপত্রের গুণগত সব ধরনের বৈশিষ্ট্য পত্রিকাটি নিষ্ঠার সঙ্গে মেনে চলে। এর ছবি, সংবাদ লিখন ও সম্পাদনায় দক্ষতা ও মুনশিয়ানা সহজেই মন কাড়ে।

পত্রিকাটির প্রতিটি পাতায় রয়েছে সৌন্দর্যের ছাপ। যুগান্তর বড় মাপের একটি পত্রিকা। প্রচারসংখ্যাও অনেক। বিজ্ঞাপন বিন্যাসেও রয়েছে মননশীলতা ও সৃষ্টিশীলতা।

যুগান্তর তার সাহসী অভিযাত্রায় ২০তম বছরে পদার্পণ করছে। বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ, বলিষ্ঠ মত প্রকাশে যুগান্তর দেশের অগ্রগামী একটি পত্রিকায় পরিণত হয়েছে। রাজনীতি, অর্থনীতি, জাতীয়, আন্তর্জাতিক সবখানেই রয়েছে এর অভিনবত্ব।

ঘরে বাইরে, একদিন প্রতিদিন, প্রতিমঞ্চ, তারা ঝিলমিল, চিত্র-বিচিত্র, পরবাস, ইসলাম ও জীবন, সাহিত্য সাময়িকী, সম্পাদকীয়, বাতায়ন, সুরঞ্জনা, দৃষ্টিপাত, স্বজন সমাবেশ, প্রকৃতি ও জীবন, আইটি বিশ্ব- সর্বত্রই রয়েছে অভিজ্ঞতার ছাপ।

সংবাদকর্মীদের লেখায় পাঠকের আগ্রহ সঞ্চারে যে সহজাত বৈশিষ্ট্য তা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সব মিলিয়ে পত্রিকাটিকে দেশসেরা একটি বাংলা সংবাদপত্রে পরিণত করেছে। বিশেষ করে দেশের জেলা-উপজেলা পর্যায়ে পাঠকের কাছে পত্রিকাটি খুবই জনপ্রিয়। বিশ বছরে এসে পত্রিকাটি অর্জন করেছে আরও পাঠকপ্রিয়তা।

বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাস ২৩০ বছরেরও বেশি। ‘বেঙ্গল গেজেট’ নামে বাংলা ভাষায় পত্রিকা প্রকাশের যে যাত্রা শুরু হয়, কালের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় সে পথে অনেক বাংলা পত্রিকার আত্মপ্রকাশ ঘটে। অভিজ্ঞতার পথ বেয়ে অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে, বিকশিত হয়েছে বাংলা ভাষায় পত্রিকা। আবার মাঝপথে অনেক পত্রিকার যবনিকাপাতও ঘটেছে।

যুগান্তরের ক্রমবিকাশে সুদক্ষ সম্পাদনা এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। জনস্বার্থে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ, মানসম্পন্ন উপসম্পাদকীয় এর অসামান্য সম্পদ। নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতা, নির্ভুল সংবাদ পরিবেশন, পেশাদারিত্ব, প্রান্তিক মানুষের সংবাদ পরিবেশনে আন্তরিকতা, পাঠকের প্রত্যাশার মূল্যায়ন, সৃজনশীলতার বিকাশ, নির্মোহ দৃষ্টিভঙ্গি, আপসহীন মনোভাব, ঘটনার গভীরে গিয়ে সত্যানুসন্ধানের ক্ষমতা যুগান্তরকে অনন্য করে তুলেছে।

২০০০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি দেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষের মনের কথা বলতে; সমাজের শিক্ষক, ছাত্র, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিল্পী-সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী, ক্রীড়াবিদদের মুখপত্র হিসেবে যুগান্তরের আত্মপ্রকাশ। সেই থেকে যুগান্তরের যাত্রা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে কাজ করে যাচ্ছে যুগান্তর। সেই যে প্রথম দিন ‘সুপ্রভাত বাংলাদেশ’ শিরোনামে যুগান্তরের যাত্রা শুরু হয়েছিল, নানা বন্ধুর পথ পেরিয়ে সেই যাত্রায় বিশ বছরে পা দিয়েছে পত্রিকাটি। আলোকিত করে চলেছে সমাজ, দেশ, মানুষ, জনপদ তথা সমগ্র বাংলাদেশকে।

দেশে আজ অনেক সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক মাধ্যম, অনলাইন পত্রিকা। জেলা পর্যায়েও সংবাদপত্রের বিকাশ ঘটেছে। তারই মাঝে কোটি মানুষের কাছে যুগান্তর একটি অগ্রবর্তী পত্রিকা। দেশের সব মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে যুগান্তর সর্বদাই সহযাত্রী- অতীতে যেমন ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে- আরও দৃঢ়ভাবে।

মো. আবুল কাসেম শিখদার : পরিচালক, তথ্য ও গণসংযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×