ইবিতে নিয়োগ বাণিজ্য

অভিযুক্তদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হোক

  যুগান্তর ডেস্ক    ৩০ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ঘাড় থেকে দুর্নীতির আছর নামছেই না। টানা তিনবারের মতো এই বিভাগের নিয়োগ বোর্ডের সভা স্থগিত করা হয়েছে।

স্মরণ করা যেতে পারে, ২০১৭ সালের ২ এপ্রিল যুগান্তরে ‘থ্রি ফার্স্ট ক্লাসে ১৫, ফোরে ১২’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর নিয়োগ বোর্ডের সভা স্থগিত করেছিল কর্তৃপক্ষ।

এরপর ২০১৮ সালের ১০ জুলাই আবারও সেই বিতর্কিত বোর্ডের সভার তারিখ নির্ধারণ করা হয়। ঠিক আগের দিন যুগান্তরে আবারও ‘তদন্ত ছাড়াই বিতর্কিত নিয়োগ বোর্ড’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর ওই নিয়োগ বোর্ডের সভাও স্থগিত করা হয়।

সর্বশেষ নিয়োগ বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে গত শুক্রবার যুগান্তরে ‘এবার ১৮ লাখ টাকায় চুক্তি, অগ্রিম ১০’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর তৃতীয়বারের মতো নিয়োগ বোর্ডের সভা স্থগিত করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক- ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক রুহুল আমিন এবং ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এসএম আবদুর রহিমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এটা প্রায় অবিশ্বাস্য, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বাণিজ্যের কারণে নিয়োগ বোর্ডের সভা টানা তিনবারের জন্য স্থগিত করা হয়েছে! এ ব্যাপারে অবশ্য যুগান্তরের সাফল্য রয়েছে। প্রতিবারই যুগান্তর নিয়োগ বাণিজ্যের খবর প্রকাশ করেছে।

যুগান্তর নিয়োগ বাণিজ্যের ব্যাপারে ভূমিকা গ্রহণ না করলে হয়তো মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়েই বিভাগটিতে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হতো। বলার অপেক্ষা রাখে না, যুগান্তর হাওয়ার ওপর ভিত্তি করে নিয়োগ বাণিজ্যের খবর প্রকাশ করেনি। ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের নিয়োগ নিয়ে প্রার্থীদের সঙ্গে দেন-দরবারের ছয়টি অডিও ক্লিপ যুগান্তরের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

অর্থাৎ যুগান্তর কর্তৃক আনীত অভিযোগ অমূলক নয়। আমরা অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের ‘সাময়িক বরখাস্তের’ শাস্তিতেই সন্তুষ্ট হতে চাই না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি যেমনটা বলেছেন- অভিযুক্তরা কীভাবে চাকরি পেয়েছেন সেটাও খতিয়ে দেখা হবে- এ কথার বাস্তবায়ন দেখতে চাই আমরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি জরুরি সভা আহ্বান করে শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠনের সুপারিশ করেছে। সুষ্ঠু তদন্তের পর দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে- এটাই প্রত্যাশা।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

 
×