কীটনাশক প্রতিরোধী মশা

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে

  সম্পাদকীয় ১০ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

কীটনাশক প্রতিরোধী মশা

ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের বিষয়ে জনগণ আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন হওয়া সত্ত্বেও হঠাৎ ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় রাজধানীবাসী উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে নতুন তথ্য হল- দেশে বর্তমানে ব্যবহৃত কীটনাশক প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে সব ধরনের মশা।

আইসিডিডিআর’বির গবেষণা তথ্য উল্লেখ করে মঙ্গলবার যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রচলিত ওষুধে মশা শতভাগ কীটনাশক প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব কীটনাশক পরিবর্তন করা না হলে সারা দেশে মশাবাহিত জীবাণুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাবে। জানা গেছে, কর্তৃপক্ষ ইচ্ছামতো কীটনাশক পরিবর্তন করতে পারে না।

বেশকিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরই দেশে প্রচলিত কীটনাশকের পরিবর্তে নতুন কীটনাশকের ব্যবহার শুরু করতে হয়। মশা নির্মূলে বিশেষভাবে কার্যকর তা জানা থাকা সত্ত্বেও পরিবেশের ওপর নতুন কীটনাশকের প্রভাব কেমন- এ রকম বিভিন্ন বিষয় যাচাই করার পরই নতুন কীটনাশক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়া হয়। এতে এটাই স্পষ্ট যে, আরও বেশ কিছুদিন পর নতুন কীটনাশকের ব্যবহার শুরু হবে।

মাঝখানে এই ক’দিন রাজধানীসহ সারা দেশে মশাবাহিত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময়ে সবার বিশেষভাবে দায়িত্ব সচেতন হওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। আমাদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোনো ধরনের মশাই বংশবিস্তার করতে না পারে।

এটা নিশ্চিত করতে হলে মশার বাসস্থানগুলো নির্মূল করতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। সচেতন থাকার পরও কারও ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, এ রোগে আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগী ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।

শুধু রাজধানী নয়, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সারা দেশেই মশাবাহিত জীবাণুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে। এ অবস্থা মোকাবেলায় কর্তৃপক্ষকে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে রোগীর দুর্ভোগের খবর প্রায়ই গণমাধ্যমে আসে।

এ দুর্ভোগ নিরসন না হলে চিকিৎসার জন্য অনেকেই রাজধানী বা বড় শহরগুলোয় যেতে চাইবে। কিন্তু সে সামর্থ্য সবার নেই। তাই স্থানীয় পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতেও মশাবাহিত রোগের চিকিৎসার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×