প্রিয় কাগজ, সাহসী কাগজ

  মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সাদিক ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

যদি বইকে বলা হয় ‘জ্ঞানের ভাণ্ডার’ তাহলে পত্রিকা হল সেই জ্ঞানের মূল উৎস। পত্রিকা পাঠের মাধ্যমে জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত ও সমৃদ্ধ হয়। সমসাময়িক দেশ-বিদেশের সব তথ্য আমরা পত্রিকায়ই পেয়ে যাই।

আর সময়কে জয় করে একটি পত্রিকা হয়ে ওঠে সমাজের অন্যতম প্রতিচ্ছবি। তবে বর্তমান পেক্ষাপটে শুধু সমাজ বললে ভুল হবে, বরং এখন সমাজ, রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে সারা বিশ্বের প্রতিচ্ছবি।

যুগান্তর সারা দেশের সব অঞ্চলে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার, শোষণ, বঞ্চনার কথা স্থান পাওয়ায় সর্বমহলে বেশ সাড়া জাগিয়েছে পত্রিকাটি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা প্রকাশের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠেছে যুগান্তর।

দেশে নতুন নতুন পত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছে। কিন্তু তার অনেকগুলোই স্থায়ী হচ্ছে না। নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক পত্রিকার প্রকাশনা। যুগান্তরও মোকাবেলা করছে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি।

সেসব প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত সবার দৃঢ মনোবল আর প্রবল ইচ্ছাশক্তির কারণে। ন্যায় ও সত্যের পক্ষে ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে সত্যের পথে সংগ্রাম করছে পত্রিকাটি।

যে সময় অহরহ ঝুঁকি বাড়ছে এ পেশায়, যখন পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নির্যাতন, নিপীড়ন, এমনকি হত্যাকাণ্ডের শিকার হতে হচ্ছে সাংবাদিকদের, তখনও থেমে থাকেনি যুগান্তরের কলমযুদ্ধ।

শিষ্টের লালন ও দুষ্টের দমন চেতনাকে উপজীব্য করে, অসৎ ও দুর্বৃত্তদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে কলমযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে যুগান্তর।

যুগান্তর শুধু খবরের খোরাকই মেটাচ্ছে না, আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

দেশ-বিদেশ, শিল্প-সাহিত্য, শিক্ষা-সংস্কৃতি, খেলাধুলা, বিজ্ঞান ইত্যাদি বিষয়ের খবরাখবর সুন্দর ও সাবলীলভাবে প্রকাশ করছে। এর মাধ্যমে আমরা পাঠক সমাজ সচেতন হচ্ছি।

গণমানুষের দাবি-দাওয়া, অসহায় ও নির্যাতিতদের আর্তনাদ, বঞ্চিতদের অসহায়ত্ব তুলে ধরছে যুগান্তর। এর ফলে সব মহলেই একটি আসন গড়ে নিতে সক্ষম হয়েছে যুগান্তর।

এসবের মধ্য দিয়ে পত্রিকাটি পেয়েছে মানুষের গ্রহণযোগ্যতা, ভালোবাসা ও পাঠকপ্রিয়তা। বস্তুত যুগান্তর যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিল, তা সবার ভালোবাসার মাধ্যমে এবং মর্যাদার মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে। তবে যুগান্তরের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়নি। বরং দায়িত্ব ও কর্তব্য বহুগুণে বেড়ে গেছে।

পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই শুভক্ষণে বলতে চাই, সত্যের পথে সদা অকুতোভয় থেকে সুন্দর হোক যুগান্তরের আগামীর পথচলা।

মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম সাদিক : প্রাবন্ধিক

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত