কোরবানির পশুর হাট
jugantor
কোরবানির পশুর হাট
স্বাস্থ্যবিধির প্রশ্নে কঠোর হতে হবে

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৬ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গতকালের যুগান্তরের প্রথম পাতায় কোরবানির পশুর হাটের একটি ছবি ছাপা হয়েছে। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে বসেছে এই পশুর হাট। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ক্রেতা ও বিক্রেতায় গিজগিজ করছে পুরো এলাকা। পশুর হাটটি থানার কাছে হলেও কেউ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। ছবিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পশুর হাটে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে সরকারিভাবে নির্দেশনা থাকলেও এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তদারকি নেই।

তদারকির অভাবে শারীরিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না, কেউ কেউ মাস্ক ব্যবহার করলেও তা ঝুলছে থুতনিতে। হাটে ঢোকার আগে হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা রাখেনি ইজারাদাররা। বলাই বাহুল্য, পশুর হাটটির এ অবস্থায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় সচেতন মহল।

এবারের কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সংক্রমণ এড়াতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পশুর হাটকে নিরুৎসাহিত করে পশু বেচাকেনায় অনলাইন বাজার চালু করেছে জেলা প্রশাসন। তবে নিরুৎসাহিত করার বিষয়টি তেমন কাজে আসছে না। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বসছে পশুর হাট। রাজধানীতে বসবে আজ থেকে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ঈদের পর করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের এ আশঙ্কার ভিত্তি রয়েছে। প্রথম কথা, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোরবানির পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার যত নির্দেশনা বা পরামর্শই দেয়া হোক না কেন, বাস্তব সত্য এই যে, এসব নির্দেশনা বা পরামর্শ তেমন কোনো কাজে আসবে না।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি তখনই নিশ্চিত হতে পারে, যদি প্রশাসন তথা হাটের ইজারাদাররা এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিতে পারেন। আমাদের অভিজ্ঞতা বলছে, জনসংখ্যার একটা বড় অংশ করোনা সংক্রমণের বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না এখন। অনেকেই করোনা-পূর্ববর্তী স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে এনেছেন। এ অবস্থায় প্রশাসন তথা সরকারের কঠোর হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনলাইনে পশু কেনাবেচার বিষয়টিকে উৎসাহিত করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, মানুষের সচেতনতা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি। করোনা সংক্রমণের বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আশা করব, পশু কোরবানি দিতে ইচ্ছুক যারা, তাদের সর্বাগ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টিকে বিবেচনা করতে হবে। শুধু পশুর ক্ষেত্রে নয়, পশু জবাই করার ক্ষেত্রেও কথাটা প্রযোজ্য। সব ক্ষেত্রেই সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

কোরবানির পশুর হাট

স্বাস্থ্যবিধির প্রশ্নে কঠোর হতে হবে
 যুগান্তর ডেস্ক 
২৬ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গতকালের যুগান্তরের প্রথম পাতায় কোরবানির পশুর হাটের একটি ছবি ছাপা হয়েছে। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে বসেছে এই পশুর হাট। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ক্রেতা ও বিক্রেতায় গিজগিজ করছে পুরো এলাকা। পশুর হাটটি থানার কাছে হলেও কেউ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। ছবিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পশুর হাটে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে সরকারিভাবে নির্দেশনা থাকলেও এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তদারকি নেই।

তদারকির অভাবে শারীরিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না, কেউ কেউ মাস্ক ব্যবহার করলেও তা ঝুলছে থুতনিতে। হাটে ঢোকার আগে হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা রাখেনি ইজারাদাররা। বলাই বাহুল্য, পশুর হাটটির এ অবস্থায় সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় সচেতন মহল।

এবারের কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সংক্রমণ এড়াতে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পশুর হাটকে নিরুৎসাহিত করে পশু বেচাকেনায় অনলাইন বাজার চালু করেছে জেলা প্রশাসন। তবে নিরুৎসাহিত করার বিষয়টি তেমন কাজে আসছে না। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বসছে পশুর হাট। রাজধানীতে বসবে আজ থেকে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ঈদের পর করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাদের এ আশঙ্কার ভিত্তি রয়েছে। প্রথম কথা, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোরবানির পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার যত নির্দেশনা বা পরামর্শই দেয়া হোক না কেন, বাস্তব সত্য এই যে, এসব নির্দেশনা বা পরামর্শ তেমন কোনো কাজে আসবে না।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি তখনই নিশ্চিত হতে পারে, যদি প্রশাসন তথা হাটের ইজারাদাররা এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিতে পারেন। আমাদের অভিজ্ঞতা বলছে, জনসংখ্যার একটা বড় অংশ করোনা সংক্রমণের বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছে না এখন। অনেকেই করোনা-পূর্ববর্তী স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে এনেছেন। এ অবস্থায় প্রশাসন তথা সরকারের কঠোর হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনলাইনে পশু কেনাবেচার বিষয়টিকে উৎসাহিত করতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, মানুষের সচেতনতা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে জরুরি। করোনা সংক্রমণের বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। আমরা আশা করব, পশু কোরবানি দিতে ইচ্ছুক যারা, তাদের সর্বাগ্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টিকে বিবেচনা করতে হবে। শুধু পশুর ক্ষেত্রে নয়, পশু জবাই করার ক্ষেত্রেও কথাটা প্রযোজ্য। সব ক্ষেত্রেই সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে।