সৌদি প্রবাসীদের হাহাকার
jugantor
সৌদি প্রবাসীদের হাহাকার
ফ্লাইট জটিলতার দ্রুত অবসান কাম্য

  সম্পাদকীয়  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিমান ও সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকিটের জন্য মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন সৌদি প্রবাসীরা। দুই এয়ারলাইন্সের অফিসের সামনে তারা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। তাদের উদ্বেগের কারণটি বোধগম্য। ফিরতি টিকিট না পেলে আটকে পড়া প্রবাসীদের সৌদি আরব যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তারা চাকরির ঝুঁকিতে আছেন।

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিরতে না পারলে সমস্যায় পড়বেন তারা। তাদের ওয়ার্ক পারমিট থাকবে না। অথচ সৌদি আরবের সঙ্গে বিমান চলাচল পুনরায় চালু করা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। জানা গেছে, সৌদি এয়ারলাইন্স গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সপ্তাহে দুই দিন ঢাকা থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালানোর অনুমতি পেলেও মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত বাংলাদেশ সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির কাছ থেকে ফ্লাইট চালু করার অনুমতি পায়নি।

আর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ অক্টোবর থেকে সৌদি আরবে বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরুর অনুমতি পেলেও এখনও ল্যান্ডিং পারমিশন পায়নি। এদিকে দেশে আটকে পড়া সৌদি আরবে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজে ফেরার বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বস্তুত এ কারণেই বাংলাদেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীরা টিকিটের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন। অনেকের ফিরতি প্লেনের টিকিট থাকলেও তা পাচ্ছেন না। ফলে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন প্রবাসীরা।

সৌদি প্রবাসী কর্মীরা আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধা। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে তারা দেশে ছুটি কাটাতে এসেছেন। এখন তারা যদি সময়মতো তাদের কর্মক্ষেত্রে পৌঁছতে না পারেন, তাহলে তারা চাকরি হারাতে পারেন। সেটা শুধু তাদের জন্যই নয়, দেশের জন্যও ক্ষতির কারণ হবে। দেশের অর্থনীতিতে রেমিটেন্সের অবদান কী, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জানা যায়, বর্তমানে ২০ হাজারের মতো সৌদি প্রবাসী চাকরির ঝুঁকিতে আছেন। বস্তুত অনেক প্রবাসীর ভিসা ও আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা যাওয়ার পথে।

এ অবস্থায় সৌদি প্রবাসীদের টিকিট ও ফ্লাইট নিয়ে জটিলতা অবিলম্বে দূর করা প্রয়োজন বলে মনে করি আমরা। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের সৌদি আরব যাওয়া নিশ্চিত করতে সৌদি এয়ারলাইন্স ও বিমানের ফ্লাইট যেন চালু হতে পারে, সে ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে হবে। প্রবাসীদের ভিসা ও আকামা সমস্যার সমাধানে সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগও জরুরি। করোনা মহামারীর এ সময়ে কোনো প্রবাসীকে যেন চাকরি হারাতে না হয় সে ব্যাপারে সবারই আন্তরিক ভূমিকা কাম্য।

সৌদি প্রবাসীদের হাহাকার

ফ্লাইট জটিলতার দ্রুত অবসান কাম্য
 সম্পাদকীয় 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিমান ও সৌদি এয়ারলাইন্সের টিকিটের জন্য মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর রাস্তায় বিক্ষোভ করেছেন সৌদি প্রবাসীরা। দুই এয়ারলাইন্সের অফিসের সামনে তারা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন। তাদের উদ্বেগের কারণটি বোধগম্য। ফিরতি টিকিট না পেলে আটকে পড়া প্রবাসীদের সৌদি আরব যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তারা চাকরির ঝুঁকিতে আছেন।

৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফিরতে না পারলে সমস্যায় পড়বেন তারা। তাদের ওয়ার্ক পারমিট থাকবে না। অথচ সৌদি আরবের সঙ্গে বিমান চলাচল পুনরায় চালু করা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। জানা গেছে, সৌদি এয়ারলাইন্স গতকাল ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সপ্তাহে দুই দিন ঢাকা থেকে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালানোর অনুমতি পেলেও মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত বাংলাদেশ সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির কাছ থেকে ফ্লাইট চালু করার অনুমতি পায়নি।

আর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ১ অক্টোবর থেকে সৌদি আরবে বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুরুর অনুমতি পেলেও এখনও ল্যান্ডিং পারমিশন পায়নি। এদিকে দেশে আটকে পড়া সৌদি আরবে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজে ফেরার বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বস্তুত এ কারণেই বাংলাদেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীরা টিকিটের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছেন। অনেকের ফিরতি প্লেনের টিকিট থাকলেও তা পাচ্ছেন না। ফলে বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছেন প্রবাসীরা।

সৌদি প্রবাসী কর্মীরা আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধা। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে তারা দেশে ছুটি কাটাতে এসেছেন। এখন তারা যদি সময়মতো তাদের কর্মক্ষেত্রে পৌঁছতে না পারেন, তাহলে তারা চাকরি হারাতে পারেন। সেটা শুধু তাদের জন্যই নয়, দেশের জন্যও ক্ষতির কারণ হবে। দেশের অর্থনীতিতে রেমিটেন্সের অবদান কী, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জানা যায়, বর্তমানে ২০ হাজারের মতো সৌদি প্রবাসী চাকরির ঝুঁকিতে আছেন। বস্তুত অনেক প্রবাসীর ভিসা ও আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা যাওয়ার পথে।

এ অবস্থায় সৌদি প্রবাসীদের টিকিট ও ফ্লাইট নিয়ে জটিলতা অবিলম্বে দূর করা প্রয়োজন বলে মনে করি আমরা। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের সৌদি আরব যাওয়া নিশ্চিত করতে সৌদি এয়ারলাইন্স ও বিমানের ফ্লাইট যেন চালু হতে পারে, সে ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে হবে। প্রবাসীদের ভিসা ও আকামা সমস্যার সমাধানে সৌদি আরবের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগও জরুরি। করোনা মহামারীর এ সময়ে কোনো প্রবাসীকে যেন চাকরি হারাতে না হয় সে ব্যাপারে সবারই আন্তরিক ভূমিকা কাম্য।