দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ
jugantor
দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ
গতিশীল করার উদ্যোগ নিতে হবে

  সম্পাদকীয়  

১১ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজ প্রশংসার দাবি রাখে। তবে সরকার ঘোষিত প্রথম প্রণোদনা প্যাকেজের প্রায় অর্ধেক অর্থ গ্রাহকদের হাতে সময়মতো না পৌঁছার বিষয়টি হতাশাজনক।

ঋণ বিতরণসহ পুরো প্রক্রিয়াকে কাক্সিক্ষত মাত্রায় গতিশীল করা গেলে উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্টরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারতেন, যা দেশের অর্থনীতির চাকাকে আরও সচল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।

গতকাল যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনার প্রভাব মোকাবিলায় শিগগিরই আসছে দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ, যাতে থাকবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য নতুন তহবিল। এবার এসএমইর সঙ্গে যুক্ত করা হবে অতি ক্ষুদ্র খাতকেও।

জানা গেছে, এবার কোনো ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হবে না। তা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি, মাইক্রো ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউট ও বিসিকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা বিতরণ করবে। ঋণ বিতরণসহ পুরো প্রক্রিয়াকে কাক্সিক্ষত মাত্রায় গতিশীল করা না গেলে নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

প্রথম প্যাকেজের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রেখে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া গেলে আশা করা যায়, নতুন প্যাকেজের মাধ্যমে উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্টরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। স্বাভাবিক সময়েও ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের শিল্প খাতে ঋণ পেতে নানা রকম সমস্যা হয়। করোনা পরিস্থিতিতে এটি আরও প্রকট হয়েছে। অতি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বেশি সুযোগ দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। কারণ এসব খাতও কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বয়স্কদের ভাতা দেওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া এ প্যাকেজের আওতায় বিধবা এবং অতি দরিদ্রদের ভাতা প্রদানের যে পরিকল্পনা রয়েছে তা প্রশংসার দাবি রাখে। জানা গেছে, দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় গ্রাহককে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করা হবে। এক্ষেত্রে সুদের হার কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার।

দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ

গতিশীল করার উদ্যোগ নিতে হবে
 সম্পাদকীয় 
১১ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মহামারির ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে প্রণোদনা প্যাকেজ প্রশংসার দাবি রাখে। তবে সরকার ঘোষিত প্রথম প্রণোদনা প্যাকেজের প্রায় অর্ধেক অর্থ গ্রাহকদের হাতে সময়মতো না পৌঁছার বিষয়টি হতাশাজনক।

ঋণ বিতরণসহ পুরো প্রক্রিয়াকে কাক্সিক্ষত মাত্রায় গতিশীল করা গেলে উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্টরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারতেন, যা দেশের অর্থনীতির চাকাকে আরও সচল রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত।

গতকাল যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনার প্রভাব মোকাবিলায় শিগগিরই আসছে দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ, যাতে থাকবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য নতুন তহবিল। এবার এসএমইর সঙ্গে যুক্ত করা হবে অতি ক্ষুদ্র খাতকেও।

জানা গেছে, এবার কোনো ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে তহবিলের অর্থ বিতরণ করা হবে না। তা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি, মাইক্রো ফাইন্যান্স ইনস্টিটিউট ও বিসিকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থা বিতরণ করবে। ঋণ বিতরণসহ পুরো প্রক্রিয়াকে কাক্সিক্ষত মাত্রায় গতিশীল করা না গেলে নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের উদ্দেশ্য প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।

প্রথম প্যাকেজের অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রেখে সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া গেলে আশা করা যায়, নতুন প্যাকেজের মাধ্যমে উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্টরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে। স্বাভাবিক সময়েও ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের শিল্প খাতে ঋণ পেতে নানা রকম সমস্যা হয়। করোনা পরিস্থিতিতে এটি আরও প্রকট হয়েছে। অতি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বেশি সুযোগ দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। কারণ এসব খাতও কর্মসংস্থান ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নতুন প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় বয়স্কদের ভাতা দেওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া এ প্যাকেজের আওতায় বিধবা এবং অতি দরিদ্রদের ভাতা প্রদানের যে পরিকল্পনা রয়েছে তা প্রশংসার দাবি রাখে। জানা গেছে, দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় গ্রাহককে ৯ শতাংশ সুদে ঋণ বিতরণ করা হবে। এক্ষেত্রে সুদের হার কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা দরকার।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস