উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম চালুর চিন্তা
jugantor
উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম চালুর চিন্তা
শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার বিকল্প নেই

  সম্পাদকীয়  

২৫ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার কারণে দেশের অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা এক সময় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হলেও শিক্ষা খাতের ক্ষতি সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। তাই আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্র্থীসহ সংশ্লিষ্টদের করোনা টিকার আওতায় আনা প্রয়োজন। এজন্য নিতে হবে বিশেষ পদক্ষেপ। বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার প্রথমে শুধু আবাসিক শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। জানা গেছে, এখন সব শিক্ষক-শিক্ষার্র্থীসহ সংশ্লিষ্টদের টিকা দিয়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার সংশ্লিষ্টদের তালিকা তৈরি ও নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তা পাঠানো হচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু সব শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এতে সবাইকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য অর্জনও বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে দীর্ঘ হতে পারে প্রতিষ্ঠানগুলোর চলমান ছুটি। ইতোমধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব শিক্ষক এবং অন্যান্য জনবল টিকা পেয়েছেন, এটি ইতিবাচক খবর। বর্তমানে ৩০ বছর বয়সিরা টিকা পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে সর্বনিু ১৮ বছর বয়সি সব শিক্ষার্থীকেই টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে তা সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

দেশে বর্তমানে প্রায় দেড়শ সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রায় আড়াই হাজার কলেজ এবং ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ হাজার ৩৪৬টি মাদ্রাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্র্থীসহ সংশ্লিষ্টদের টিকা প্রদান সুচারুভাবে সম্পন্ন করার কাজটি যে সহজ নয়, তা বলাই বাহুল্য। কাজেই এ ক্ষেত্রে একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রয়োজন। বস্তুত ক্রমান্বয়ে পরিবারের সব সদস্যকেই টিকার আওতায় আনতে হবে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকা কতটা কার্যকর তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কাজেই টিকা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে কেউ যাতে শৈথিল্য প্রদর্শন না করে সে বিষয়েও মানুষকে সচেতন করতে হবে, এজন্য নিতে হবে কার্যকর পদক্ষেপ।

উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম চালুর চিন্তা

শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনার বিকল্প নেই
 সম্পাদকীয় 
২৫ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার কারণে দেশের অর্থনীতিসহ বিভিন্ন খাতে যে ক্ষতি হয়েছে, তা এক সময় কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হলেও শিক্ষা খাতের ক্ষতি সহজে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। তাই আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্র্থীসহ সংশ্লিষ্টদের করোনা টিকার আওতায় আনা প্রয়োজন। এজন্য নিতে হবে বিশেষ পদক্ষেপ। বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার প্রথমে শুধু আবাসিক শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। জানা গেছে, এখন সব শিক্ষক-শিক্ষার্র্থীসহ সংশ্লিষ্টদের টিকা দিয়ে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসার সংশ্লিষ্টদের তালিকা তৈরি ও নাম নিবন্ধন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তা পাঠানো হচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে। কিন্তু সব শিক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কিছুটা সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এতে সবাইকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য অর্জনও বিলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে দীর্ঘ হতে পারে প্রতিষ্ঠানগুলোর চলমান ছুটি। ইতোমধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব শিক্ষক এবং অন্যান্য জনবল টিকা পেয়েছেন, এটি ইতিবাচক খবর। বর্তমানে ৩০ বছর বয়সিরা টিকা পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে সর্বনিু ১৮ বছর বয়সি সব শিক্ষার্থীকেই টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হলে তা সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

দেশে বর্তমানে প্রায় দেড়শ সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন প্রায় আড়াই হাজার কলেজ এবং ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১ হাজার ৩৪৬টি মাদ্রাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্র্থীসহ সংশ্লিষ্টদের টিকা প্রদান সুচারুভাবে সম্পন্ন করার কাজটি যে সহজ নয়, তা বলাই বাহুল্য। কাজেই এ ক্ষেত্রে একটি সুষ্ঠু পরিকল্পনা প্রয়োজন। বস্তুত ক্রমান্বয়ে পরিবারের সব সদস্যকেই টিকার আওতায় আনতে হবে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে টিকা কতটা কার্যকর তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। কাজেই টিকা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে কেউ যাতে শৈথিল্য প্রদর্শন না করে সে বিষয়েও মানুষকে সচেতন করতে হবে, এজন্য নিতে হবে কার্যকর পদক্ষেপ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন