প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের বাস্তবায়নে শিক্ষা বাণিজ্য কমে আসবে
jugantor
প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের বাস্তবায়নে শিক্ষা বাণিজ্য কমে আসবে

  আবু সাঈদ  

২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রস্তাবিত জাতীয় শিক্ষাক্রমকে স্বাগত জানাই। এটি একটি যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম। পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা খুদে শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করছিল। নবম ও দশম শ্রেণির সিলেবাস শিক্ষার্থীদের ওপর বোঝাস্বরূপ ছিল বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা বিভিন্ন সময় মতামত ব্যক্ত করেছি। বিভাগ প্রথাটা তুলে দিয়ে সমন্বিতভাবে শিক্ষা প্রয়োগ করা হলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে তাদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারবে।

উন্নত বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থার দিকে তাকালে দেখা যায়-জাপানে ১০ বছর পর্যন্ত কোনো একাডেমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয় না। ওই সময় নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়ে তাদের গড়ে তোলা হয়। এর ফলে সেখানে অপরাধপ্রবণতা কমে যায়। দুর্নীতিও সেখানে অনেক কম হয়। প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের যে রূপরেখা, তার বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীদের জন্য তা হবে ভালো একটি পদ্ধতি। এছাড়া কোচিং ও গাইড প্রথা তথা শিক্ষা বাণিজ্য কমে আসবে। ফলে ক্লাসে সঠিক পাঠদান হবে বলে বিশ্বাস করি। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা ধাপে ধাপে শেষ হয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা খুশি হবে। পাঠদান করতে পারবে প্রাণবন্তভাবে।

আবু সাঈদ : অধ্যক্ষ, হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুর

প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের বাস্তবায়নে শিক্ষা বাণিজ্য কমে আসবে

 আবু সাঈদ 
২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রস্তাবিত জাতীয় শিক্ষাক্রমকে স্বাগত জানাই। এটি একটি যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম। পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা খুদে শিক্ষার্থীদের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করছিল। নবম ও দশম শ্রেণির সিলেবাস শিক্ষার্থীদের ওপর বোঝাস্বরূপ ছিল বলে আমাদের কাছে প্রতীয়মান হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা বিভিন্ন সময় মতামত ব্যক্ত করেছি। বিভাগ প্রথাটা তুলে দিয়ে সমন্বিতভাবে শিক্ষা প্রয়োগ করা হলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এক্ষেত্রে তাদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারবে।

উন্নত বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থার দিকে তাকালে দেখা যায়-জাপানে ১০ বছর পর্যন্ত কোনো একাডেমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয় না। ওই সময় নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়ে তাদের গড়ে তোলা হয়। এর ফলে সেখানে অপরাধপ্রবণতা কমে যায়। দুর্নীতিও সেখানে অনেক কম হয়। প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের যে রূপরেখা, তার বাস্তবায়ন হলে শিক্ষার্থীদের জন্য তা হবে ভালো একটি পদ্ধতি। এছাড়া কোচিং ও গাইড প্রথা তথা শিক্ষা বাণিজ্য কমে আসবে। ফলে ক্লাসে সঠিক পাঠদান হবে বলে বিশ্বাস করি। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা ধাপে ধাপে শেষ হয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা খুশি হবে। পাঠদান করতে পারবে প্রাণবন্তভাবে।

আবু সাঈদ : অধ্যক্ষ, হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুর

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন