গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা
jugantor
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা
সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে

  সম্পাদকীয়  

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে হওয়া সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা সামনে রেখে অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের বাড়তি ব্যয় এবং সীমাহীন ভোগান্তির কথা সর্বজনবিদিত। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এত আলোচনা সত্ত্বেও এখনো দেশের বড় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় একমত হতে পারেনি। এ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় বহু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সীমাহীন ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার পথ বের করা জরুরি।

দূর-দূরান্ত থেকে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যয়ভার বহন করতে না পারার কারণে বহু মেধাবী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই একটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানে একমত হওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় পদ্ধতিগত জটিলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে কোচিং ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় একমত হতে না পারলে কোচিং ব্যবসার মূলোৎপাটন করা কঠিন হতে পারে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় একমত হতে না পারার বহু কারণই দেখানো হয়। অথচ অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বহু শিক্ষক ও শীর্ষকর্তা ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না। ভর্তি পরীক্ষাকে আয়ের উৎস না বানিয়ে এখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিনা ফি’তে বা নামমাত্র ফি’তে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেনি। গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টি যে কঠিন কিছু নয়, তাও ইতোমধ্যে স্পষ্ট।

দেশকে উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষার সুযোগ অবাধ ও সহজ করতে হবে। এক্ষেত্রে ভর্তি নিয়ে ভোগান্তি ও ব্যয় কমানোর বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে। ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সর্বোপরি সরকারের শীর্ষ মহল সদিচ্ছা নিয়ে এগিয়ে এলে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ কঠিন কিছু নয়। গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ত্র“টিমুক্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা

সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হবে
 সম্পাদকীয় 
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বহুল আলোচিত ও প্রত্যাশিত গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে শুরু হতে হওয়া সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা সামনে রেখে অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের বাড়তি ব্যয় এবং সীমাহীন ভোগান্তির কথা সর্বজনবিদিত। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এত আলোচনা সত্ত্বেও এখনো দেশের বড় কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় একমত হতে পারেনি। এ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় বহু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সীমাহীন ভোগান্তির কথা বিবেচনা করে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার পথ বের করা জরুরি।

দূর-দূরান্ত থেকে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ব্যয়ভার বহন করতে না পারার কারণে বহু মেধাবী শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই একটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠানে একমত হওয়া। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় পদ্ধতিগত জটিলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাজধানীসহ সারা দেশে কোচিং ব্যবসার প্রসার ঘটেছে। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় একমত হতে না পারলে কোচিং ব্যবসার মূলোৎপাটন করা কঠিন হতে পারে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় একমত হতে না পারার বহু কারণই দেখানো হয়। অথচ অভিযোগ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বহু শিক্ষক ও শীর্ষকর্তা ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না। ভর্তি পরীক্ষাকে আয়ের উৎস না বানিয়ে এখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিনা ফি’তে বা নামমাত্র ফি’তে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেনি। গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষার বিষয়টি যে কঠিন কিছু নয়, তাও ইতোমধ্যে স্পষ্ট।

দেশকে উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষার সুযোগ অবাধ ও সহজ করতে হবে। এক্ষেত্রে ভর্তি নিয়ে ভোগান্তি ও ব্যয় কমানোর বিষয়টি অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে। ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সর্বোপরি সরকারের শীর্ষ মহল সদিচ্ছা নিয়ে এগিয়ে এলে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ কঠিন কিছু নয়। গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ত্র“টিমুক্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন