পাঠ্যবইয়ে ভুল: দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন
jugantor
পাঠ্যবইয়ে ভুল: দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন

  সম্পাদকীয়  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে থাকা ভুলের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান ও সদস্যকে (শিক্ষাক্রম) তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ নভেম্বর তাদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মাধ্যমিক পর্যায়ে ছয়টি ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের একটি পাঠ্যবইয়ে থাকা বিভিন্ন ভুল তুলে ধরে তা সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আদালতের নির্দেশনা চেয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক গত ৬ সেপ্টেম্বর একটি রিট করেছিলেন। এনসিটিবির প্রকাশিত বইগুলোতে ভুল ও অসঙ্গতির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। ইতঃপূর্বে দেখা গেছে, প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তকগুলোর মধ্যে কোথাও একটি অধ্যায়ের অর্ধেক নেই, আবার কোথাও এক পৃষ্ঠার সঙ্গে অপর পৃষ্ঠার কোনো মিল নেই।

ভুলে ভরা এসব পাঠ্যপুস্তক নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও যথাযথ তদারকির অভাবেই পাঠ্যপুস্তক থেকে ভুল ও নানা অসঙ্গতি দূর হচ্ছে না। ভুলে গেলে চলবে না, শিক্ষার অপরিহার্য উপকরণ বই। সরকার স্কুল পর্যায়ে বিনামূল্যে বই দিচ্ছে। যথাসময়ে বই দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার শতভাগ সফল; তবে সেসব বই যদি নানারকম ভুল ও অসঙ্গতিতে ভরা থাকে, তাহলে এর চেয়ে দুভার্গ্যজনক আর কী হতে পারে!

দেশের শিক্ষার্থীদের মঙ্গলচিন্তার দায়িত্বভার যেহেতু এনসিটিবির হাতে ন্যস্ত, তাই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার আগে এ ব্যাপারে তাদের ভূমিকা স্পষ্ট হওয়া উচিত। সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ভুল পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার সক্ষমতা এতদিনেও কেন অর্জন করতে পারেনি, তা খতিয়ে দেখা উচিত। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেখানে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে বই লেখানো হয় না, বইয়ের অনুমোদন দিতে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয় ইত্যাদি।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে থাকা ভুল ও অসঙ্গতির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি এগুলো সংশোধনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কারণ নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই ভুলগুলো সংশোধন করা না হলে আবারও শিক্ষার্থীদের হাতে ভুল বই চলে যাবে, যা মোটেই কাম্য নয়।

পাঠ্যবইয়ে ভুল: দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন

 সম্পাদকীয় 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে থাকা ভুলের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান ও সদস্যকে (শিক্ষাক্রম) তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ নভেম্বর তাদের আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, মাধ্যমিক পর্যায়ে ছয়টি ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের একটি পাঠ্যবইয়ে থাকা বিভিন্ন ভুল তুলে ধরে তা সংশোধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আদালতের নির্দেশনা চেয়ে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক গত ৬ সেপ্টেম্বর একটি রিট করেছিলেন। এনসিটিবির প্রকাশিত বইগুলোতে ভুল ও অসঙ্গতির অভিযোগ নতুন কিছু নয়। ইতঃপূর্বে দেখা গেছে, প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তকগুলোর মধ্যে কোথাও একটি অধ্যায়ের অর্ধেক নেই, আবার কোথাও এক পৃষ্ঠার সঙ্গে অপর পৃষ্ঠার কোনো মিল নেই।

ভুলে ভরা এসব পাঠ্যপুস্তক নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও যথাযথ তদারকির অভাবেই পাঠ্যপুস্তক থেকে ভুল ও নানা অসঙ্গতি দূর হচ্ছে না। ভুলে গেলে চলবে না, শিক্ষার অপরিহার্য উপকরণ বই। সরকার স্কুল পর্যায়ে বিনামূল্যে বই দিচ্ছে। যথাসময়ে বই দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকার শতভাগ সফল; তবে সেসব বই যদি নানারকম ভুল ও অসঙ্গতিতে ভরা থাকে, তাহলে এর চেয়ে দুভার্গ্যজনক আর কী হতে পারে!

দেশের শিক্ষার্থীদের মঙ্গলচিন্তার দায়িত্বভার যেহেতু এনসিটিবির হাতে ন্যস্ত, তাই শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার আগে এ ব্যাপারে তাদের ভূমিকা স্পষ্ট হওয়া উচিত। সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ভুল পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার সক্ষমতা এতদিনেও কেন অর্জন করতে পারেনি, তা খতিয়ে দেখা উচিত। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ওঠা উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেখানে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের দিয়ে বই লেখানো হয় না, বইয়ের অনুমোদন দিতে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয় ইত্যাদি।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ে থাকা ভুল ও অসঙ্গতির জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি এগুলো সংশোধনে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কারণ নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই ভুলগুলো সংশোধন করা না হলে আবারও শিক্ষার্থীদের হাতে ভুল বই চলে যাবে, যা মোটেই কাম্য নয়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন