দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত বাংলাদেশি
jugantor
দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত বাংলাদেশি
নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে হবে

  সম্পাদকীয়  

০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বিশ্বজুড়ে যখন উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে, তখন দেশে দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত ২৪০ ব্যক্তির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। তারা ঠিকানাও ভুল দিয়েছে।

তবে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরুর পর ইতোমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফেরত আসা মাত্র কয়েকজনের সন্ধান মিলেছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ওমিক্রন সংক্রমিত রোগী সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত বাংলাদেশিদের নিখোঁজের ঘটনায় করোনার নতুন ধরনটি দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

এর আগে করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় ইতালি থেকে ফেরত আসা নাগরিকদের আইসোলেশনসহ প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে না পারার কারণে অল্প সময়ে দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছিল। এ বাস্তবতায় সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফেরত আসা সবার খোঁজখবর রাখা জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়াতে পারে এবং মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এড়াতে পারে।

এ কারণে নতুন ভ্যারিয়েন্টটি থেকে রক্ষা পেতে বিদেশ ফেরত সবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরদারি চালানো প্রয়োজন। একইসঙ্গে আফ্রিকা মহাদেশসহ ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে এমন দেশ থেকে কেউ এলে নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে। রিপোর্ট পজিটিভ হলে আইসোলেশন ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে আসা কয়েকজন ইতোমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০টি দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। কাজেই কেবল আফ্রিকা নয়, বিদেশ ফেরত সব যাত্রীর বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর রাখতে হবে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট এরই মধ্যে পুরো বিশ্বেই আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। অনেক দেশ সীমান্ত বন্ধ করার পাশাপাশি ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও নতুন এ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংক্রমণের হার কমে যাওয়ায় দেশে টিকা গ্রহণে অনেকেরই আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে।

টিকা সনদ প্রদর্শন করে সেবা নেওয়ার শর্ত আরোপ করা হলে টিকা গ্রহণে পুনরায় সবার মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হবে। টিকার জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভর করলে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যা অতীতে আমরা লক্ষ করেছি। তাই নতুন ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধের টিকা আবিষ্কার এবং তা সময়মতো দেশে প্রাপ্তির বিষয়টিতেও নজর দেওয়া উচিত। দেশে তৈরি টিকা দিয়েই যাতে করোনা মোকাবিলা করা যায়, সে উদ্দেশ্যেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত বাংলাদেশি

নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে হবে
 সম্পাদকীয় 
০২ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বিশ্বজুড়ে যখন উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে, তখন দেশে দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত ২৪০ ব্যক্তির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। তারা ঠিকানাও ভুল দিয়েছে।

তবে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরুর পর ইতোমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফেরত আসা মাত্র কয়েকজনের সন্ধান মিলেছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, ওমিক্রন সংক্রমিত রোগী সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরত বাংলাদেশিদের নিখোঁজের ঘটনায় করোনার নতুন ধরনটি দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।

এর আগে করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় ইতালি থেকে ফেরত আসা নাগরিকদের আইসোলেশনসহ প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে না পারার কারণে অল্প সময়ে দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছিল। এ বাস্তবতায় সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে ফেরত আসা সবার খোঁজখবর রাখা জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টটি অত্যন্ত দ্রুত ছড়াতে পারে এবং মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এড়াতে পারে।

এ কারণে নতুন ভ্যারিয়েন্টটি থেকে রক্ষা পেতে বিদেশ ফেরত সবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরদারি চালানো প্রয়োজন। একইসঙ্গে আফ্রিকা মহাদেশসহ ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে এমন দেশ থেকে কেউ এলে নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে। রিপোর্ট পজিটিভ হলে আইসোলেশন ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ভারতে আসা কয়েকজন ইতোমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০টি দেশে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। কাজেই কেবল আফ্রিকা নয়, বিদেশ ফেরত সব যাত্রীর বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজখবর রাখতে হবে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট এরই মধ্যে পুরো বিশ্বেই আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। অনেক দেশ সীমান্ত বন্ধ করার পাশাপাশি ভ্রমণে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও নতুন এ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংক্রমণের হার কমে যাওয়ায় দেশে টিকা গ্রহণে অনেকেরই আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে।

টিকা সনদ প্রদর্শন করে সেবা নেওয়ার শর্ত আরোপ করা হলে টিকা গ্রহণে পুনরায় সবার মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হবে। টিকার জন্য অন্য দেশের ওপর নির্ভর করলে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়, যা অতীতে আমরা লক্ষ করেছি। তাই নতুন ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধের টিকা আবিষ্কার এবং তা সময়মতো দেশে প্রাপ্তির বিষয়টিতেও নজর দেওয়া উচিত। দেশে তৈরি টিকা দিয়েই যাতে করোনা মোকাবিলা করা যায়, সে উদ্দেশ্যেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন