সড়ক ও ফুটপাতে দোকানপাট: দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে
jugantor
সড়ক ও ফুটপাতে দোকানপাট: দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে

  সম্পাদকীয়  

০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকাজুড়ে সড়কে নৈরাজ্যের খবর প্রকাশিত হয়েছে গতকালের যুগান্তরে। এ নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে ভ্রাম্যমাণ দোকানপাটের দোকানিরা। জানা যায়-মোহাম্মদপুর, শ্যামলী ও আশপাশের এলাকায় মূল সড়ক থেকে শুরু করে গলিপথগুলো দখল করে নিয়েছে এসব ভ্রাম্যমাণ দোকান। কোথাও কোথাও সড়কের দুই-তৃতীয়াংশ জায়গাজুড়ে বসে এসব দোকান। সকালে সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান এড়াতে বেলা ৩টার পর থেকে বসা শুরু করে এসব দোকান। শুধু সড়ক নয়, ফুটপাতেও বসে ভ্রাম্যমাণ দোকান। এসব দোকানপাটের কারণে সড়ক ও ফুটপাত দিয়ে চলাচলে পথচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে নাগরিকদের ঝুঁকি নিয়ে সড়কের মাঝ দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সড়কের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অংশ দোকানপাটের দখলে থাকায় বাড়ছে যানজটও। এ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।

শুধু মোহাম্মদপুর-শ্যামলী এলাকা নয়, রাজধানীর অধিকাংশ এলাকার চিত্র এটি। শুধু ভ্রাম্যমাণ দোকান নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের রড, ইট, বালু ও অন্যান্য সামগ্রী রাস্তার উপর ও ফুটপাতে রাখা অনেকটা নিয়মেই পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া বহু জায়গায় নির্মাণসামগ্রীর কারণে ড্রেন ভরাট হয়ে যায়। এতেও নাগরিকদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। আমরা জানি, সড়ক মূলত যানবাহন চলাচলের জন্য এবং ফুটপাত নাগরিকদের হাঁটার সুবিধার্থে তৈরি করা হয়। এগুলো ভ্রাম্যমাণ দোকানের কারণে নাগরিকদের ভোগান্তির কারণ হোক, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সড়ক ও ফুটপাত দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করা জনগণের নাগরিক অধিকার। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি তথা সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কেউ ভ্রাম্যমাণ দোকান বসালে তা কঠোরভাবে উচ্ছেদ করা দরকার। দুর্ভাগ্যজনক, এক্ষেত্রে প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের তেমন কোনো ভূমিকা লক্ষ করা যায় না। বিভিন্ন সময় ফুটপাত থেকে হকারদের তুলে দেওয়া হলেও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তা আবারও দখল হয়ে যায়। ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির বিষয়টিও বহুল আলোচিত। কেবল ফুটপাত নয়, এখন মূল সড়কের অংশ দখল করা দোকানপাটের দোকানিদের কাছ থেকেও নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বুঝতে অসুবিধা হয় না সড়ক ও ফুটপাত দখলকারীরা কীভাবে বহাল তবিয়তে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছে। এটি প্রতিরোধ করা জরুরি। আমরা আশা করব, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাতগুলো অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সেগুলো যাতে আবার দখল না হয় সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সড়ক ও ফুটপাতে দোকানপাট: দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান চালাতে হবে

 সম্পাদকীয় 
০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকাজুড়ে সড়কে নৈরাজ্যের খবর প্রকাশিত হয়েছে গতকালের যুগান্তরে। এ নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে ভ্রাম্যমাণ দোকানপাটের দোকানিরা। জানা যায়-মোহাম্মদপুর, শ্যামলী ও আশপাশের এলাকায় মূল সড়ক থেকে শুরু করে গলিপথগুলো দখল করে নিয়েছে এসব ভ্রাম্যমাণ দোকান। কোথাও কোথাও সড়কের দুই-তৃতীয়াংশ জায়গাজুড়ে বসে এসব দোকান। সকালে সিটি করপোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান এড়াতে বেলা ৩টার পর থেকে বসা শুরু করে এসব দোকান। শুধু সড়ক নয়, ফুটপাতেও বসে ভ্রাম্যমাণ দোকান। এসব দোকানপাটের কারণে সড়ক ও ফুটপাত দিয়ে চলাচলে পথচারীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বাধ্য হয়ে নাগরিকদের ঝুঁকি নিয়ে সড়কের মাঝ দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সড়কের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অংশ দোকানপাটের দখলে থাকায় বাড়ছে যানজটও। এ পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।

শুধু মোহাম্মদপুর-শ্যামলী এলাকা নয়, রাজধানীর অধিকাংশ এলাকার চিত্র এটি। শুধু ভ্রাম্যমাণ দোকান নয়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের রড, ইট, বালু ও অন্যান্য সামগ্রী রাস্তার উপর ও ফুটপাতে রাখা অনেকটা নিয়মেই পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া বহু জায়গায় নির্মাণসামগ্রীর কারণে ড্রেন ভরাট হয়ে যায়। এতেও নাগরিকদের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়। আমরা জানি, সড়ক মূলত যানবাহন চলাচলের জন্য এবং ফুটপাত নাগরিকদের হাঁটার সুবিধার্থে তৈরি করা হয়। এগুলো ভ্রাম্যমাণ দোকানের কারণে নাগরিকদের ভোগান্তির কারণ হোক, তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সড়ক ও ফুটপাত দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করা জনগণের নাগরিক অধিকার। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি তথা সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কেউ ভ্রাম্যমাণ দোকান বসালে তা কঠোরভাবে উচ্ছেদ করা দরকার। দুর্ভাগ্যজনক, এক্ষেত্রে প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের তেমন কোনো ভূমিকা লক্ষ করা যায় না। বিভিন্ন সময় ফুটপাত থেকে হকারদের তুলে দেওয়া হলেও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তা আবারও দখল হয়ে যায়। ফুটপাতকেন্দ্রিক চাঁদাবাজির বিষয়টিও বহুল আলোচিত। কেবল ফুটপাত নয়, এখন মূল সড়কের অংশ দখল করা দোকানপাটের দোকানিদের কাছ থেকেও নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বুঝতে অসুবিধা হয় না সড়ক ও ফুটপাত দখলকারীরা কীভাবে বহাল তবিয়তে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারছে। এটি প্রতিরোধ করা জরুরি। আমরা আশা করব, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাতগুলো অবৈধ দখলমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সেগুলো যাতে আবার দখল না হয় সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন