বিশেষায়িত হাসপাতাল

এ ধরনের আরও প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা দরকার

  যুগান্তর ডেস্ক    ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিশেষায়িত হাসপাতাল

পরিপাকতন্ত্রবিষয়ক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি বিভিন্ন নামের ওষুধ বাজারজাত করলেও দেশে নেই এ বিষয়ক বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এবং পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর এক-তৃতীয়াংশই পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগে আক্রান্ত। বিএসএমএমইউ, ঢাকা মেডিকেল কলেজসহ দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে পরিপাকতন্ত্রবিষয়ক কোর্স চালু থাকলেও দেশে এ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।

আশার কথা হল, রাজধানীর মহাখালীতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ডাইজেস্টিভ ডিজিজেস রিসার্চ অ্যান্ড হসপিটাল নির্মিত হচ্ছে, যা শিগগিরই চালু হওয়ার কথা। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকের বক্তব্য উদ্ধৃত করে মঙ্গলবার যুগান্তরে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এ হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হলে রোগীরা ন্যূনতম ব্যয়ে বিশ্বমানের সেবা পাবেন। এটি অত্যন্ত ইতিবাচক একটি খবর।

দেশে প্রতি ৩০ লাখ জনগোষ্ঠীর জন্য মাত্র একজন গ্যাস্ট্রোইন্টেসটাইনাল বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। নতুন এ বিশেষায়িত হাসপাতালের কার্যক্রম চালু হলে দেশের মানুষ স্বল্প ব্যয় উন্নত চিকিৎসা পাবে, পাশাপাশি এ প্রতিষ্ঠান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমরা আশা করব, দেশে অন্যান্য বিষয়েও সরকারিভাবে বিশেষায়িত হাসপাতাল তৈরি করা হবে, যাতে দেশের নিুআয়ের মানুষ ন্যূনতম ব্যয়ে উন্নত সেবা পেতে পারেন। দেশে বেসরকারিভাবে বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে উঠলেও স্বল্প ও নিু আয়ের মানুষ সেসব হাসপাতালের সেবা নিতে পারেন না।

দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিপাকতন্ত্রবিষয়ক বিভাগ স্থাপন এবং চিকিৎসা দেয়ার জন্য পদ সৃষ্টি হলেও জনবল সংকটের কারণে একাডেমিক কোর্স চালু করা সম্ভব হয়নি। এসব সমস্যা দূর করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

কারণ দেশে উল্লেখিত রোগে আক্রান্ত বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রতি বছর দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসার জন্য ভারতসহ বিভিন্ন দেশে গমন করেন। দেশে বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করা হলে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে আগ্রহীদের সংখ্যা কমবে। নতুন বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোয় যাতে দালালদের দৌরাত্ম্য না থাকে সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter