ফরিদপুর-১: আ’লীগ-বিএনপির লড়াই
jugantor
ফরিদপুর-১: আ’লীগ-বিএনপির লড়াই

  বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি  

২১ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসনে চলছে বিরামহীন প্রচারণা। এ আসনে বিভিন্ন দলের মোট ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত সাবেক সিনিয়র সচিব মনজুর হোসেন (নৌকা), বিএনপি মনোনীত শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর (ধানের শীষ), ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন মনোনীত মো. ওয়ালিউর রহমান রাসেল (হাতপাখা) ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির মো. জাকারিয়া হোসেন (আম)। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়, এ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

অপর দুই প্রার্থী ভোটের ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলবে না। এ আসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চমক হিসেবে সম্পূর্ণ নতুন মুখ মনজুর হোসেনকে মনোনয়ন দেন। তিনি সৎ ও দক্ষ আমলা হিসেবে পরিচিত ও প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন। অপরদিকে শাহ জাফর চারবারের এমপি। তিনি ১৯৭৯ সালে আ’লীগ, ৮৬ সালে বাকশাল, ৮৮ সালে অপর একটি ফল ও সর্বশেষ ২০০৫ সালে উপ-নির্বাচনে বিএনপি থেকে এমপি নির্বাচিত হন।

মনজুর হোসেন নতুন মুখ হলেও তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পালনের সময় এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর ২০০৩ সালে বিএনপিতে যোগ দিলে ফরিদপুর-১ আসেন বিএনপি অনেক শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

বিএনপি সংগঠনের চেয়ে শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের ব্যক্তি ইমেজ বড় ফ্যাক্টর। নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হলে এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এদিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মনজুর হোসেন উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

তিনি শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ও বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত করার লক্ষ্যে পুনরায় আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান। শাহ্ জাফর বর্তমান সরকারের দুর্নীতি, গুম-খুন, লুটপাট, সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিকে সামনে রেখে ধানের শীষে ভোট দেয়ার প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, তিন উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২৫ জন নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

ফরিদপুর-১: আ’লীগ-বিএনপির লড়াই

 বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি 
২১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-১ আসনে চলছে বিরামহীন প্রচারণা। এ আসনে বিভিন্ন দলের মোট ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত সাবেক সিনিয়র সচিব মনজুর হোসেন (নৌকা), বিএনপি মনোনীত শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর (ধানের শীষ), ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন মনোনীত মো. ওয়ালিউর রহমান রাসেল (হাতপাখা) ও বাংলাদেশ পিপলস পার্টির মো. জাকারিয়া হোসেন (আম)। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়, এ আসনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীর মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।

অপর দুই প্রার্থী ভোটের ফলাফলে কোনো প্রভাব ফেলবে না। এ আসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চমক হিসেবে সম্পূর্ণ নতুন মুখ মনজুর হোসেনকে মনোনয়ন দেন। তিনি সৎ ও দক্ষ আমলা হিসেবে পরিচিত ও প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন। অপরদিকে শাহ জাফর চারবারের এমপি। তিনি ১৯৭৯ সালে আ’লীগ, ৮৬ সালে বাকশাল, ৮৮ সালে অপর একটি ফল ও সর্বশেষ ২০০৫ সালে উপ-নির্বাচনে বিএনপি থেকে এমপি নির্বাচিত হন।

মনজুর হোসেন নতুন মুখ হলেও তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে সচিবের দায়িত্ব পালনের সময় এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর ২০০৩ সালে বিএনপিতে যোগ দিলে ফরিদপুর-১ আসেন বিএনপি অনেক শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

বিএনপি সংগঠনের চেয়ে শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরের ব্যক্তি ইমেজ বড় ফ্যাক্টর। নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হলে এ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। এদিকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মনজুর হোসেন উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

তিনি শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ও বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধশালী উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত করার লক্ষ্যে পুনরায় আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান। শাহ্ জাফর বর্তমান সরকারের দুর্নীতি, গুম-খুন, লুটপাট, সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে ও খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিকে সামনে রেখে ধানের শীষে ভোট দেয়ার প্রচারণা চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, তিন উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২৫ জন নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন