শিক্ষণীয় গল্প

ময়ূর আর কাক

  আশরাফুল আলম পিনটু ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এক বনে ছিল এক কাক। বেশ সুখেই দিন কাটছিল তার। কিন্তু একদিন সে এক রাজহাঁস দেখল। দেখে ভাবল, ‘আহা, রাজহাঁসের গায়ের রং কত সাদা! আর আমি কত কালো! এই রাজহাঁসই হল দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী পাখি।’

এ কথা সে রাজহাঁসকে জানাল।

রাজহাঁস বলল, ‘আমি নিজেও সেটাই মনে করতাম। কিন্তু টিয়াপাখি দেখে আমার ধারণা ভেঙে গেছে। তার দুটো রং আরও সুন্দর। এখন আমার মনে হয়, টিয়াই দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী পাখি।’

এ কথা শুনে টিয়াকে খুঁজে বের করল কাক। টিয়া বলল, ‘ময়ূরকে দেখার আগ পর্যন্ত সুখেই ছিলাম আমি। আমার মাত্র দুটো রং। কিন্তু ময়ূরের গায়ে অনেক রং।’

এবার ময়ূর দেখতে কাক গেল চিড়িয়াখানায়। দেখতে পেলো প্রচুর লোক ভিড় করে ময়ূর দেখছে। লোকজন একসময় চলে গেল। এই সুযোগে কাক গেল ময়ূরের কাছে। বলল, ‘ভাই ময়ূর, তুমি খুবই সুন্দর। প্রতিদিন হাজার হাজার লোক তোমাকে দেখতে আসে। আর মানুষ আমাকে দেখলেই দূরছাই করে তাড়িয়ে দেয়। আমার ধারণা, তুমিই হলে দুনিয়ার সবচেয়ে সুখী পাখি।’

ময়ূর জবাব দিল, ‘আমিও সবসময় ভাবতাম, আমি দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর আর সুখী পাখি। কিন্তু আমার সৌন্দর্যের কারণেই আমি চিড়িয়াখানায় বন্দি। আমি চিড়িয়াখানা খুব ভালো করে পরখ করে দেখেছি আর তাতে যা বুঝেছি, কাকই একমাত্র পাখি যাকে খাঁচায় বন্দি করা হয় না। কাজেই কয়েকদিন থেকে ভাবছি, যদি কাক হতাম তাহলে মনের সুখে সব জায়গায় ঘুরে বেড়াতাম।’

নীতিকথা : আমরা অনেকেই নিজেকে সুখী মনে করি না। কিন্তু নিজের অবস্থান নিয়ে যারা সন্তুষ্টু তারাই সবচেয়ে সুখী।

মূল গল্প : হু ইজ হ্যাপি

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×