নতুন রিপোর্ট : ভিনগ্রহে সত্যিই আছে প্রাণ
jugantor
নতুন রিপোর্ট : ভিনগ্রহে সত্যিই আছে প্রাণ

  একদিন প্রতিদিন ডেস্ক  

০৮ জুন ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবী কি একমাত্র গ্রহ যেখানে প্রাণ আছে? সাধারণ জ্ঞানে আমরা তাই জানি। তবে গবেষণায় উঠে এসেছে নতুন তথ্য। গবেষকদের দাবি, পৃথিবীর মতো দেখতে গ্রহ রয়েছে ব্রহ্মাণ্ডে। সম্প্রতি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে এই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

পৃথিবীর মতো গ্রহ থাকার সম্ভাবনার কথা বলছেন গবেষকরা। প্রবন্ধটির লেখক ও গবেষক ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-রসায়ন এবং মহাজাগতিক বিজ্ঞান বিষয়ক প্রফেসর এডওয়ার্ড ইয়ং এই বিষয়ে বলেন, ‘আমরা শুধু পৃথিবীর মতো গ্রহ থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধির কথা বলেছি প্রবন্ধে। মহাকাশে পাথুরে গ্রহের সংখ্যা প্রচুর, যেগুলোর সঙ্গে পৃথিবীর সামঞ্জস্য রয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। আর যে গবেষণার ভিত্তিতে এই প্রবন্ধটি লেখা হয় সেই দলের নেতৃত্বে ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-রসায়ন এবং মহাজাগতিক বিজ্ঞানের স্নাতক স্তরের ছাত্রী অ্যালেক্সান্দ্রা ডয়েল। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের ছাত্রছাত্রী ও গবেষকরা এই গবেষণায় তাকে সাহায্য করেন। বিজ্ঞানীরা একটি নতুন পদ্ধতি অবলম্বনে গ্রহাণুর পাথরের নমুনা পরীক্ষা করে এই প্রবন্ধ রচনা করেছেন। নিকটতম গ্রহটি ২০০ আলোকবর্ষ দূরে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, মূলত ৬টি সাদা ডোয়ার্ফ তারার সৌরজগতে পৃথিবীর মতো এই গ্রহের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে এসব সৌরজগতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রবল হওয়ায় সেখানে কার্বন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল।

ডয়েল জানান, সব থেকে নিকটতম ডোয়ার্ফ তারার সৌরজগৎটি পৃথিবী ২০০ আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। ডয়েল আরও জানান, সাধারণত এই ডোয়ার্ফ তারাগুলোর সৌরজগতে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন থাকে। তবে গবেষণায় তারা জানতে পেরেছেন, সেই সব সৌরজগতের গ্রহে রয়েছে অক্সিজেন। কারণ সেখানের পাথরে অক্সিডেশন দেখা গেছে। ডয়েল জানান, পৃথিবীতেও সমুদ্র ও প্রাণ এসেছে এই অক্সিডেশনের মাধ্যমেই।

নতুন রিপোর্ট : ভিনগ্রহে সত্যিই আছে প্রাণ

 একদিন প্রতিদিন ডেস্ক 
০৮ জুন ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবী কি একমাত্র গ্রহ যেখানে প্রাণ আছে? সাধারণ জ্ঞানে আমরা তাই জানি। তবে গবেষণায় উঠে এসেছে নতুন তথ্য। গবেষকদের দাবি, পৃথিবীর মতো দেখতে গ্রহ রয়েছে ব্রহ্মাণ্ডে। সম্প্রতি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে এই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।

পৃথিবীর মতো গ্রহ থাকার সম্ভাবনার কথা বলছেন গবেষকরা। প্রবন্ধটির লেখক ও গবেষক ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-রসায়ন এবং মহাজাগতিক বিজ্ঞান বিষয়ক প্রফেসর এডওয়ার্ড ইয়ং এই বিষয়ে বলেন, ‘আমরা শুধু পৃথিবীর মতো গ্রহ থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধির কথা বলেছি প্রবন্ধে। মহাকাশে পাথুরে গ্রহের সংখ্যা প্রচুর, যেগুলোর সঙ্গে পৃথিবীর সামঞ্জস্য রয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের গবেষণায় উঠে এসেছে এই তথ্য। আর যে গবেষণার ভিত্তিতে এই প্রবন্ধটি লেখা হয় সেই দলের নেতৃত্বে ছিলেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-রসায়ন এবং মহাজাগতিক বিজ্ঞানের স্নাতক স্তরের ছাত্রী অ্যালেক্সান্দ্রা ডয়েল। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের ছাত্রছাত্রী ও গবেষকরা এই গবেষণায় তাকে সাহায্য করেন। বিজ্ঞানীরা একটি নতুন পদ্ধতি অবলম্বনে গ্রহাণুর পাথরের নমুনা পরীক্ষা করে এই প্রবন্ধ রচনা করেছেন। নিকটতম গ্রহটি ২০০ আলোকবর্ষ দূরে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, মূলত ৬টি সাদা ডোয়ার্ফ তারার সৌরজগতে পৃথিবীর মতো এই গ্রহের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে এসব সৌরজগতে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রবল হওয়ায় সেখানে কার্বন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন থাকার সম্ভাবনা রয়েছে প্রবল।

ডয়েল জানান, সব থেকে নিকটতম ডোয়ার্ফ তারার সৌরজগৎটি পৃথিবী ২০০ আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। ডয়েল আরও জানান, সাধারণত এই ডোয়ার্ফ তারাগুলোর সৌরজগতে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন থাকে। তবে গবেষণায় তারা জানতে পেরেছেন, সেই সব সৌরজগতের গ্রহে রয়েছে অক্সিজেন। কারণ সেখানের পাথরে অক্সিডেশন দেখা গেছে। ডয়েল জানান, পৃথিবীতেও সমুদ্র ও প্রাণ এসেছে এই অক্সিডেশনের মাধ্যমেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন