যে সমাধিক্ষেত্র দেখতে আসেন পর্যটকরা
jugantor
যে সমাধিক্ষেত্র দেখতে আসেন পর্যটকরা

  একদিন প্রতিদিন ডেস্ক  

০৮ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেগালিথগুলোতে খোদাই করা আছে অসংখ্য চিত্রকর্ম। এগুলোতে প্রাচীনকালের মানুষের অজানা কোনো ভাষা, তাদের সংস্কৃতি, সমাজ, গৃহপালিত পশু, দেবদেবী, শিকার, পবিত্র ও রহস্যময় সব চিহ্ন ফুটে উঠেছে...

ফ্রান্সের ব্রিট্টানিতে গাভ্রিনিস নামের ছোট্ট একটি দ্বীপ। এ দ্বীপেই রয়েছে পৃথিবীতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সর্বপ্রাচীন সমাধিক্ষেত্রগুলোর একটি। নাম গাভ্রিনিস। নামটি এসেছে দুটি ব্রেটন শব্দ ‘গেভর’ অর্থ ছাগল আর ‘ইনিস’ অর্থ দ্বীপ থেকে। নামের পুরো অর্থ দাঁড়ায়- ছাগলের দ্বীপ। দ্বীপের নামেই সমাধিক্ষেত্রের নামকরণ করা হয়েছিল গাভ্রিনিস।

তবে সমাধির নির্মাণকালে এর নাম কী ছিল কিংবা দ্বীপের নাম কী ছিল তা জানা যায় না। গাভ্রিনিস নামকরণের ঘটনা মাত্র ১ হাজার বছর আগের। সবচেয়ে শিল্পসমৃদ্ধ সমাধি বলা যেতে পারে এটিকে। ৩৫০০-৩৪০০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দের মাঝে নির্মিত এই স্থাপনাটির মাঝারি আকৃতির মেগালিথগুলোতে খোদাই করা আছে অসংখ্য চিত্রকর্ম।

এগুলোতে প্রাচীনকালের মানুষের অজানা কোনো ভাষা, তাদের সংস্কৃতি, সমাজ, গৃহপালিত পশু, দেবদেবী, শিকার, পবিত্র ও রহস্যময় সব চিহ্নের চিত্র ফুটে উঠেছে।

১৮৩৫ সালে প্রথম আবিষ্কৃত হলেও এর যথাযথ খনন কাজ শেষ হয় ১৯৮০-এর দশকে। বর্তমানে এটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত। এখানকার অনেক খোদাই করা পাথুরে চিত্রকর্ম বর্তমানে বুগন জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে। এ জাদুঘরটি আবার আরেক প্রাচীন সমাধি টিউমুলাস অব বুগনের জন্য তৈরি।

যে সমাধিক্ষেত্র দেখতে আসেন পর্যটকরা

 একদিন প্রতিদিন ডেস্ক 
০৮ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেগালিথগুলোতে খোদাই করা আছে অসংখ্য চিত্রকর্ম। এগুলোতে প্রাচীনকালের মানুষের অজানা কোনো ভাষা, তাদের সংস্কৃতি, সমাজ, গৃহপালিত পশু, দেবদেবী, শিকার, পবিত্র ও রহস্যময় সব চিহ্ন ফুটে উঠেছে...

ফ্রান্সের ব্রিট্টানিতে গাভ্রিনিস নামের ছোট্ট একটি দ্বীপ। এ দ্বীপেই রয়েছে পৃথিবীতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত সর্বপ্রাচীন সমাধিক্ষেত্রগুলোর একটি। নাম গাভ্রিনিস। নামটি এসেছে দুটি ব্রেটন শব্দ ‘গেভর’ অর্থ ছাগল আর ‘ইনিস’ অর্থ দ্বীপ থেকে। নামের পুরো অর্থ দাঁড়ায়- ছাগলের দ্বীপ। দ্বীপের নামেই সমাধিক্ষেত্রের নামকরণ করা হয়েছিল গাভ্রিনিস।

তবে সমাধির নির্মাণকালে এর নাম কী ছিল কিংবা দ্বীপের নাম কী ছিল তা জানা যায় না। গাভ্রিনিস নামকরণের ঘটনা মাত্র ১ হাজার বছর আগের। সবচেয়ে শিল্পসমৃদ্ধ সমাধি বলা যেতে পারে এটিকে। ৩৫০০-৩৪০০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দের মাঝে নির্মিত এই স্থাপনাটির মাঝারি আকৃতির মেগালিথগুলোতে খোদাই করা আছে অসংখ্য চিত্রকর্ম।

এগুলোতে প্রাচীনকালের মানুষের অজানা কোনো ভাষা, তাদের সংস্কৃতি, সমাজ, গৃহপালিত পশু, দেবদেবী, শিকার, পবিত্র ও রহস্যময় সব চিহ্নের চিত্র ফুটে উঠেছে।

১৮৩৫ সালে প্রথম আবিষ্কৃত হলেও এর যথাযথ খনন কাজ শেষ হয় ১৯৮০-এর দশকে। বর্তমানে এটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত। এখানকার অনেক খোদাই করা পাথুরে চিত্রকর্ম বর্তমানে বুগন জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে। এ জাদুঘরটি আবার আরেক প্রাচীন সমাধি টিউমুলাস অব বুগনের জন্য তৈরি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন