আশ্চর্য আন্টার্কটিকার অজানা তথ্য: শেষ পর্ব
jugantor
আশ্চর্য আন্টার্কটিকার অজানা তথ্য: শেষ পর্ব

  একদিন প্রতিদিন ডেস্ক  

১৪ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবীর দুর্গমতম, উচ্চতম, শীতলতম, শুষ্কতম তথা নির্জনতম মহাদেশ আন্টার্কটিকা। এখানেই দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি বাতাস চলাচল করে। এ মহাদেশ সম্পর্কে বেশ কিছু নতুন অজানা তথ্য নিয়ে আজ শেষ পর্ব...

* আন্টার্কটিকায় রয়েছে বিশ্বের দক্ষিণতম পানশালাটি। শীতলতম অবস্থানে একটু উষ্ণ হতে চাইলে ভার্নার্ডস্কাই গবেষণা কেন্দ্র লাগোয়া এই বার-ই ভরসা।

* পৃথিবীর বুকে শীতলতম তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছিল আন্টার্কটিকাতেই। ১৯৮৩ সালের ২১ জুলাই আন্টার্কটিকার ভস্তক স্টেশনে রেকর্ড হওয়া তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ১২৮.৫৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট অর্থাৎ, মাইনাস ৮৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

* আন্টার্কটিকা পৃথিবীর পঞ্চম বিশালতম মহাদেশ। এর মোট এলাকা ১.৪ কোটি বর্গ কিলোমিটার।

* আন্টার্কটিকার ১৪.৯৯ শতাংশ অঞ্চল বরফে মোড়া। একাধিক হিমবাহের নিচে চাপা পড়েছে মহাদেশের জমি। তুষারের এই স্তরকে বলা হয় বরফ চাদর।

* আন্টার্কটিকার কঠিন বরফ চাদরের গড়ে প্রায় ১.৬ কিলোমিটার পুরু। পৃথিবীর মিষ্টি জলভাণ্ডারের প্রায় ৭০ শতাংশই আন্টার্কটিকায় অবস্থিত।

* আন্টার্কটিকার মাঝে রয়েছে ট্র্যান্সআন্টার্কটিক পর্বতশ্রেণি যা মহাদেশকে পূর্ব ও পশ্চিম অংশে ভাগ করেছে। কেপ অ্যাডেয়ার থেকে কোটসল্যান্ড পর্যন্ত এই পর্বতশ্রেণির মোট বিস্তৃতি ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার।

* ১৮২০ সালে আবিষ্কার হওয়ার আগে পর্যন্ত আন্টার্কটিকাকে দ্বীপপুঞ্জ হিসেবে মনে করা হতো।

* নরওয়ের বাসিন্দা রোয়াল্ড আমুন্ডসেন প্রথম মানুষ যিনি দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছেছিলেন। ব্রিটিশ অভিযাত্রী রবার্ট স্কটকে পেছনে ফেলে এ মহাদেশে তিনি পৌঁছেন ১৯১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর।

* ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ আন্টার্কটিকা চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুসারে, এ মহাদেশকে শান্তিপূর্ণ গবেষণামূলক কাজের জন্য উৎসর্গ করা হয়। বর্তমানে মোট ৪৮টি দেশ এই চুক্তির শরিক।

* ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি মাসে আন্টার্কটিকায় জন্মগ্রহণ করে প্রথম মানবশিশু এমিলিও মার্কো পামা। এ নিয়ে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। অভিযোগ, তুষারভূমির একাংশ দখল করার উদ্দেশ্যে এক সন্তানসম্ভবাকে আন্টার্কটিকায় পাঠিয়েছিল আর্জেন্টিনা।

আশ্চর্য আন্টার্কটিকার অজানা তথ্য: শেষ পর্ব

 একদিন প্রতিদিন ডেস্ক 
১৪ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পৃথিবীর দুর্গমতম, উচ্চতম, শীতলতম, শুষ্কতম তথা নির্জনতম মহাদেশ আন্টার্কটিকা। এখানেই দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি বাতাস চলাচল করে। এ মহাদেশ সম্পর্কে বেশ কিছু নতুন অজানা তথ্য নিয়ে আজ শেষ পর্ব...

* আন্টার্কটিকায় রয়েছে বিশ্বের দক্ষিণতম পানশালাটি। শীতলতম অবস্থানে একটু উষ্ণ হতে চাইলে ভার্নার্ডস্কাই গবেষণা কেন্দ্র লাগোয়া এই বার-ই ভরসা।

* পৃথিবীর বুকে শীতলতম তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছিল আন্টার্কটিকাতেই। ১৯৮৩ সালের ২১ জুলাই আন্টার্কটিকার ভস্তক স্টেশনে রেকর্ড হওয়া তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ১২৮.৫৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট অর্থাৎ, মাইনাস ৮৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

* আন্টার্কটিকা পৃথিবীর পঞ্চম বিশালতম মহাদেশ। এর মোট এলাকা ১.৪ কোটি বর্গ কিলোমিটার।

* আন্টার্কটিকার ১৪.৯৯ শতাংশ অঞ্চল বরফে মোড়া। একাধিক হিমবাহের নিচে চাপা পড়েছে মহাদেশের জমি। তুষারের এই স্তরকে বলা হয় বরফ চাদর।

* আন্টার্কটিকার কঠিন বরফ চাদরের গড়ে প্রায় ১.৬ কিলোমিটার পুরু। পৃথিবীর মিষ্টি জলভাণ্ডারের প্রায় ৭০ শতাংশই আন্টার্কটিকায় অবস্থিত।

* আন্টার্কটিকার মাঝে রয়েছে ট্র্যান্সআন্টার্কটিক পর্বতশ্রেণি যা মহাদেশকে পূর্ব ও পশ্চিম অংশে ভাগ করেছে। কেপ অ্যাডেয়ার থেকে কোটসল্যান্ড পর্যন্ত এই পর্বতশ্রেণির মোট বিস্তৃতি ৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার।

* ১৮২০ সালে আবিষ্কার হওয়ার আগে পর্যন্ত আন্টার্কটিকাকে দ্বীপপুঞ্জ হিসেবে মনে করা হতো।

* নরওয়ের বাসিন্দা রোয়াল্ড আমুন্ডসেন প্রথম মানুষ যিনি দক্ষিণ মেরুতে পৌঁছেছিলেন। ব্রিটিশ অভিযাত্রী রবার্ট স্কটকে পেছনে ফেলে এ মহাদেশে তিনি পৌঁছেন ১৯১১ সালের ১৪ ডিসেম্বর।

* ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ আন্টার্কটিকা চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুসারে, এ মহাদেশকে শান্তিপূর্ণ গবেষণামূলক কাজের জন্য উৎসর্গ করা হয়। বর্তমানে মোট ৪৮টি দেশ এই চুক্তির শরিক।

* ১৯৭৯ সালের জানুয়ারি মাসে আন্টার্কটিকায় জন্মগ্রহণ করে প্রথম মানবশিশু এমিলিও মার্কো পামা। এ নিয়ে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। অভিযোগ, তুষারভূমির একাংশ দখল করার উদ্দেশ্যে এক সন্তানসম্ভবাকে আন্টার্কটিকায় পাঠিয়েছিল আর্জেন্টিনা।