ভালো ফলে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ : ০৭ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক

২০১৮ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল রোববার প্রকাশিত হয়েছে। ভালো ফলে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। ফল প্রকাশের পর নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেচে-গেয়ে আনন্দ উল্লাস করে ছাত্রছাত্রীরা। প্রতিবেশীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন অভিভাবকরা। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে এবারও কলেজিয়েট প্রথম স্থানে রয়েছে। কলেজিয়েট স্কুলে শতভাগ পাসের পাশাপাশি ৩৯৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। সেরা স্কুলের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম হাইস্কুল। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২৬ জন শিক্ষার্থী।

তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ মহিলা সমিতি গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ। এই স্কুলের ৪৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে চারজন ছাড়া সবাই পাস করে। এদের মধ্যে ২৭৯ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। চতুর্থ স্থানে রয়েছে ডা. খাস্তগীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলের ৩২৮ জন শিক্ষার্থীর সবাই পাস ও ২৭৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এ ছাড়া সেরা দশের পঞ্চম স্থানে রয়েছে নাসিরাবাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ষষ্ঠ স্থানে নৌবাহিনী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, সপ্তম স্থানে চট্টগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, অষ্টম স্থানে চট্টগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নবম স্থানে বাকলিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় এবং দশম স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম ক্যান্টনম্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

বগুড়া ব্যুরো : ফলাফলে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কম হলেও বগুড়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল করেছে। ৮টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে এক হাজার ৪৯৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। জেলার মোট ৩৩ হাজার ৪৩৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে, ২৮ হাজার ৮৮৮ জন। বোর্ডের হিসাবে পাসের হার কমলেও বগুড়া জেলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা বেড়েছে। বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এবার ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। বরাবরই ভালো করা স্কুলটিতে এবার দু’জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য এবং একজন ছাত্রীর ফলাফল স্থগিত হয়েছে। এই স্কুল থেকে মোট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫৭ জন। পাস করে ২৫৪ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২০২ জন।

সিংড়া (নাটোর) : চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়া উপজেলার শীর্ষস্থান অধিকারী দমদমা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬০ জন। আর ১৮৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৮১ জন। কতুয়াবাড়ি উচ্চবিদ্যালয় থেকে সাতজন এবং নিঙ্গইন ও জোড় মল্লিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চারজন জিপিএ-৫ পেলেও উপজেলার একমাত্র সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র একজন। এছাড়াও বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন।

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) : রায়পুরে মঙ্গলবার এসএসসিতে ৪৬ ও দাখিলে ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। স্কুল পর্যায়ে পাসের হার ৮০.১২ শতাংশ ও মাদ্রাসায় ৬১.৮ শতাংশ। ফলের দিক দিয়ে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকি স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩২ জনের মধ্যে ১৩১ জন পাস করেছে ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন, এছাড়া মার্চেন্টার্স একাডেমি থেকে ১৯ জন, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১১ জন ও হায়দরগঞ্জ মডেল স্কুল থেকে ৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। আলিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে ৪ জন ও হায়দরগঞ্জ টিআরএম কামিল মাদ্রাসা থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

বুড়িচং (কুমিল্লা) : বুড়িচং আনন্দ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯১ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ২১ জন জিপিএ-৫সহ শতভাগ পাস করেছে। প্রকাশিত ফলে উপজেলা পর্যায় এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠটি বরাবরের মতো শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। খাড়াতাইয়া ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৩৩ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে একমাত্র একজন জিপিএ-৫সহ শতভাগ পাস করার গৌরব অর্জন করে। অপরদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উপজেলা পর্যায়ে ফজলুর রহমান মেমোরিয়্যাল কলেজ অব টেকনোলজি থেকে ১০২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৩টি জিপিএ-৫সহ ৯৯ জন উত্তীর্ণ হয়।

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) : চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় হাজীগঞ্জ পাইলট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪ জন। হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২২ জন, বাকিলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২ জন, আলকাউসার স্কুলে ১১ জন, রামচন্দ্রপুর ভূঁইয়া একাডেমিতে ৫ জন, জগন্নাথপুর হাজী এরশাদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ জনসহ উপজেলায় ১২৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

এ দিকে হাজীগঞ্জ আহমাদিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে দাখিলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন, নেছারবাদ ফাজিল মাদ্রাসায় একজন ও সালেহ আবাদ ফাজিল মাদ্রাসায় একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) : রায়গঞ্জে পাসের হার ৮৮.৪৫ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৬৬ জন। দাখিলে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন পরীক্ষার্থী। পাসের হার ৫৪.৪৭ শতাংশ ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেয় ২৪৭ জন পরীক্ষার্থী। পাসের হার ৫০.৬১ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন পরীক্ষার্থী। এসএসসিতে উপজেলার সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ধানঘরা উচ্চ বিদ্যালয়। ৬৪ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে এই প্রতিষ্ঠান থেকে। পাসের হার ৯৫ শতাংশ।

গাইবান্ধা : গাইবান্ধা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২১৯ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। শতভাগ উত্তীর্ণ ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৭ জন। আহম্মেদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২১৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ২১৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৯.৫৩। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৩ জন। এছাড়া গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩৮ ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। অনুত্তীর্ণ হয়েছে ৮ জন। পাসের হার ৯৭ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৩ জন। অন্যদিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১০০ জন। পাস করেছে ৯৯ জন ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন।

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) : অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ১০৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। শীর্ষ রয়েছে ফুলবাড়ী জছিমিয়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়।

রোববার চলতি বছরের এসএসসির পরীক্ষার ফল প্রকাশ হলে ফুলবাড়ী উপজেলার ১২টি প্রতিষ্ঠানে ১০৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। ফুলবাড়ী জছিমিয়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৩ জন, বালারহাট আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫ জন, রাবাইটারী এসবি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯ জন, বড়ভিটা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭ জন, ফুলবাড়ী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ জন, কাশিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৮ জন, গংগাহাট এমএএস উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ জন, বড়লই উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ জন, একতা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ২ জন, উত্তর শিমুলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে একজন,শাহবাজার উচ্চবিদ্যালয়ে একজন, বেড়াকুটিহাট উচ্চবিদ্যালয় থেকে একজন করে।

লালমনিরহাট : ৪৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে লালমনিরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। আর শতভাগ পাস করার পাশাপাশি ৪০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে লালমনিরহাট ক্যান্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে। অন্যদিকে সদ্য সরকারি স্কুল হিসেবে যাত্রা শুরু করা হাতীবান্ধা এসএস সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩ জন জিপিএ-৫ পেয়ে জেলায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। চতুর্থ স্থানে থাকা কালীগঞ্জ কেইউপি উচ্চ বিদ্যালয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী। লালমনিরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পঞ্চম স্থান রয়েছে ২০ জন শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ পেয়েছে।

নাটোর : নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এবারও জেলায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। এই স্কুল থেকে ১৩০ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছিল। মোবাইলে প্রশ্ন ফাঁসে বাবা জড়িত হওয়ায় যে এক পলীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছিল। সে ছাড়া বাকি সবাই পাস করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৯ জন। এছাড়া জেলা সদরের নাটোর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩১ জন পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২১ জন এবং পাস করেছে ২২৯ জন।

নাটোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩৮ জন পরীক্ষা দিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৭ জন এবং পাস করেছে ২৩৭ জন। এছাড়া নাটোর সদরের চিনিকল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। বাগাতিপাড়ার উপজেলার অন্য স্কুলগুলোর মধ্যে মিশ্রিপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩২ জন, নূরপুর মালঞ্চি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

লালপুর উপজেলায় ৬১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮ জন, শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। সিংড়া উপজেলার শীর্ষস্থান অধিকারী দমদমা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬০ জন। গুরুদাসপুর উপজেলার মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যাালয় থেকে ২১ জন, চাঁচকৈড় নাজিমউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৯ জন, বেগম রোকেয়া বালিকা বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৩ জন, নাজিরপুর ও ধারাবারিষা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৩ জন করে এবং খুবজীপুর বিদ্যালয়ে ১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

বিরামপুর (দিনাজপুর) : উপজেলার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বিরামপুর আদর্শ হাইস্কুল। চলতি বছর এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১০৭ জন শিক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে। এদের মধ্যে ৪৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এদিকে বিরামপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৭ জন জিপিএ-৫সহ ১৪৪ জন পাস করেছে। কাটলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১২ জন জিপিএ-৫সহ ১৩২ জন পাস করেছে।

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) : উল্লাপাড়ায় এসএসসি পরীক্ষায় ফলে মোমেনা আলী বিজ্ঞান স্কুল উপজেলায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ২১৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫সহ শতভাগ পাস করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৪৩ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এ ছাড়া উপজেলার পাচিলা বদরুল আলম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২১ জন জিপিএ-৫সহ শতভাগ পাস করেছে। এছাড়াও হামিদা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০ জন, মার্চেন্টস পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১ জন এবং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

গুরুদাসপুর (নাটোর) : উপজেলা গুরুদাসপুর বেগম রোকেয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১২৮ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ জন। পাইলট মডেল স্কুল থেকে ৯৬ জন পাস করেছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ শিক্ষার্থী। নাজিম উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাস করেছে ১৪১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৪ জন। ধারাবারিষা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পাস করেছে ১৪৮। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন।

ছাগলনাইয়া : ছাগলনাইয়ায় ৪৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮ জন, পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন, ছাগলনাইয়া একাডেমি থেকে ২২ জন, দক্ষিণ বল্লভপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চারজন, হাবিব উল্যাহ খান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দু’জন, জয়পুর সরজনি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তিনজন, হরিপুর আলি আকবর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন এবং চাঁদগাজী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

কুমিল্লা ব্যুরো : কুমিল্লা বোর্ডে এবার ৩টি বিভাগে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ৬ হাজার ৮৬৫ জন। তার মধ্যে ৩ হাজার ৪৮৬ জন ছাত্র এবং ছাত্রী ৩ হাজার ৩৭৯ জন। বিজ্ঞান বিভাগে ৬ হাজার ৬৪৫ জনের মধ্যে ৩ হাজার ৪৩২ জন ছাত্র ও ৩ হাজার ২১৩ জন ছাত্রী। মানবিক বিভাগে ৬২ জনের মধ্যে ছাত্র ১১ জন ও ৫১ জন ছাত্রী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৫৮ জন ছাত্রছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এখানে ৪৩ জন ছাত্র ও ১১৫ জন ছাত্রী।

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) : বসুরহাট সরকারি এএইচসি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪২ জন, আবু নাছের পৌর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১ জন, মুছাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, চরপার্বতী এসসি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, হাজারীহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, বামনী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন, চরকাঁকড়া একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, পেশকারহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে একজন, কবি জসীম উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে দু’জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। দাখিল পরিক্ষায় বসুরহাট ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন এবং রংমালা দারুস সুন্নাহ মডেল মাদ্রাসা থেকে ১১ জন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

কাউনিয়া (রংপুর) : কাউনিয়া উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় ১০৪ জন জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। কাউনিয়া মোফাজ্জাল হোসেন মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯, হারাগাছ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২১, দরদী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭, টেপামধুপুর বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৬, টেপামধুপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬, বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) : কমলগঞ্জের শমশেরনগর বিএএফ শাহীন কলেজে শতভাগ পাসসহ ৫৯টি জিপিএ-৫ লাভ করেছে। কমলগঞ্জ উপজেলা সদরের বহুমুখী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭ জন জিপিএ-৫ লাভ করে। কমলগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন তেঁতইগাঁও রসিদ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০ জন, মুন্সীবাজার কালী প্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫ জন ৫ জন পতনঊষার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫ জন চিৎলিয়া জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন মাধবপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

বড়াইগ্রাম (নাটোর) : বড়াইগ্রামের বনপাড়া সেন্ট যোসেফস উচ্চ বিদ্যালয় উপজেলার শীর্ষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থান দখল করেছে। এ স্কুল থেকে ২৬০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে ৯৮.৮৪ ভাগ পাসসহ ৫২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এছাড়া এবারের এসএসসি পরীক্ষায় উপজেলায় মোট ২০৭ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

রাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৯০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৯৪.৮৭ ভাগ পাসসহ ৫২ জন জিপিএ-৫ পেয়ে উপজেলার দ্বিতীয় ও বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২১ জন জিপিএ-৫ পেয়ে তৃতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম অর্জন করেছে।

ফেনী : ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে শতভাগ জিপিএ-৫ পেয়েছে। কলেজ থেকে ৫১ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। অপর দিকে ফেনী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এবার ৩১৬ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন মাত্র একজন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৫ জন।

ফেনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৩৬ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করেছে ২৩৩ জন। জিপিএ-৫ অর্জন করে ১২৪ জন। শাহীন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৭৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪৪৯ জন। এদের মধ্যে জিপিএ-৫ লাভ করে ৬৫ শিক্ষার্থী। ফেনী মডেল হাইস্কুলের ৫০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪৪৬ জন।

জয়পুরহাট : জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ। ৫১ জন পরীক্ষার্থিনীর সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছে।

সর্বাধিক সংখ্যক জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে জয়পুরহাট সরকারি রামদেও বাজলা উচ্চ বিদ্যালয়। ১৫৯ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

চকরিয়া (কক্সবাজার) : চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ এবারের এসএসির ফলাফলে কক্সবাজার জেলায় অসাধারণ ফলাফল অর্জন করেছে। চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মোট ৪৩১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে ৪২৪ পাস করেছে এবং ১০২ জন শিক্ষার্থী এ+ পেয়েছে।

বরুড়া (কুমিল্লা) : ৭৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবারের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় ১৭২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ৮টি বিদ্যালয় ও ৮টি মাদ্রাসা থেকে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। বরুড়া হাজী নোয়াব আলী পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে ৪৬ আড্ডা উমেদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও রামমোহন তমিজিয়া বিদ্যালয় থেকে ১২ জন এবং বরুড়া বালিকা বিদ্যালয় থেকে ১০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

বাঘা (রাজশাহী) : আড়ানি মনোমোহিনী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ জন। পাসের হার ৯২ ভাগ। চলতি বছর এই বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৬৭ জন শিক্ষার্থী। পাস করেছে ১৫৪ জন।

ফরিদগঞ্জ : ফরিদগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় মোট ১০৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এসএসসিতে সাতটি এবং দাখিল পর্যায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাসের কীর্তি গড়েছে। ১৪ জন জিপিএ-৫ নিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ফরিদগঞ্জ এআর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়।

চাটখিল : নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ২৪ জন জিপিএ-৫ পেয়ে সবার শীর্ষে রয়েছে চাটখিল পিজি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এ ছাড়া চাটখিল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১০ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।