সাত বছরে সবচেয়ে খারাপ তাও দেশসেরা রাজশাহী

  রাজশাহী ব্যুরো ০৭ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেও দেশসেরা হয়েছে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে এবার পাসের হার ৮৬ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ হার ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে সর্বনিম্ন। তারপরও এবার টানা দ্বিতীয়বারের মতো দেশসেরা হয়েছে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড। রোববার দুপুরে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. মো. আনারুল হক প্রামাণিক সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন। বোর্ড সচিব প্রফেসর তরুণ কুমার সরকারসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক জানান, রাজশাহী বোর্ডে অধীনে অংশ নেয়া ১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৭৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬৫ জন। গত বছর পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৭০ শতাংশ। ২০১৬ সালে ছিল ৯৫ দশমিক ৭০, ২০১৫ সালে ৯৪ দশমিক ৯৭, ২০১৪ সালে ৯৬ দশমিক ৩৪, ২০১৩ সালে ৯৪ দশমিক ০৩ এবং ২০১২ সালে পাসের হার ছিল ৮৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বোর্ডের আট জেলায় এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯ হাজার ৪৯৮ জন ছাত্র ১০ হাজার ১৮ এবং ছাত্রী ৯ হাজার ৪৮০ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৭ হাজার ৩৪৯ জন। এ বছর প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী ছিল ২৯ জন। দুজন ছাড়া পাস করেছে সবাই। কারাগার থেকেও পরীক্ষা দেয়া চার জনের মধ্যে তিনজনই ফেল করেছে। পাস করেছে শুধু নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার মাধবাড়ীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী রিপন আলী।

এবার রাজশাহী বোর্ডে মোট ২৪৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়। বহিষ্কৃত হয় ৪১ জন। গত বছর এর সংখ্যা ছিল ১৩ জন। এবার স্কুলের সংখ্যা ছিল দুই হাজার ৬৪৩টি। একটি স্কুলের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করেনি। বগুড়া সদরের দারুল ইসলাম নৈশ উচ্চ বিদ্যালয় নামের এই স্কুলটিতে পরীক্ষার্থী ছিল ১০ জন।

সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনারুল হক প্রামাণিক বলেন, ফেল করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৭ হাজার ৯১০ জন। ছাত্র এবং ছাত্রী-উভয়েরই পাসের হার কমেছে। কমেছে শতভাগ পাস করা স্কুলের সংখ্যাও, এমন স্কুলের সংখ্যা ২০৬টি। অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা গ্রহণ এবং মূল্যায়নে কড়াকড়িতে ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।

তিনি বলেন, ‘ফল নির্ভর করে পরীক্ষার্থীদের ওপর। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক খাতা মূল্যায়নে এবার একটা আদর্শ মান ধরে রাখা হয়েছিল। এই ফলাফল নিয়ে আমরা খুশি নই, দুঃখিত। ভবিষ্যতে আমরা সচেতন থাকব।’ গত ১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে ৪ মার্চ শেষ হয়। এর মধ্যে ১ থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে লিখিত পরীক্ষা। সারাদেশে এবার গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৪৬, চট্টগ্রামে ৭৫ দশমিক ৫০, বরিশালে ৭৭ দশমিক ১১, যশোরে ৭৩ দশমিক ৬৭, দিনাজপুরে ৭৭ দশমিক ৬২, সিলেটে ৭০ দশমিক ৪৩, কুমিল্লায় ৮০ দশমিক ৪৬ এবং রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার সর্বোচ্চ ৮৬ দশমিক ০৭ শতাংশ। এছাড়া কারিগরি বোর্ডে ৭১ দশমিক ৯৬ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭০ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.