বরিশালে মেয়েরা এগিয়ে বেড়েছে জিপিএ-৫

  বরিশাল ব্যুরো ০৭ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় এবারও ছেলেদের চেয়ে পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর দিক দিয়ে মেয়েরা এগিয়ে। তবে গণিত ও ইংরেজিতে ফল বিপর্যয়ের কারণে পাসের হার কিছুটা কমেছে। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম রোববার দুপরে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। এবার বরিশাল বোর্ডে পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৭৭ দশমিক ১১ ভাগ। গত বছর ছিল ৭৭ দশমিক ২৪ ভাগ। ২০১৪ সালে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৬৬ ভাগ। এর পর থেকেই পাসের হার কমতে শুরু করে। ২০১৫ সালে পাসের হার ছিল ৮৪ দশমিক ৩৭ ভাগ। ২০১৬ সালে ছিল ৭৯ দশমিক ৪১ ভাগ। তবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ হাজার ১৭৪টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪৬২টিতে। ২০১৪ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৭৬২টি। ২০১৫ সালে ছিল ৩ হাজার ১৭১টি। ২০১৬ সালে ছিল ৩ হাজার ১১৩টি। গত বছর ২০১৭ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২ হাজার ২৮৮ শিক্ষার্থী। এ বছর সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে বিজ্ঞান বিভাগে ৩ হাজার ২২৪ জন, মানবিকে ১০৬ জন ও বাণিজ্যে ১২৮ জন। এ বছর বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল বেশি। এ বছর ১০৩ জনকে বহিষ্কার করা হয়। গত বছর ছিল ৩৯ জন। বরিশাল বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম জানান, এ বছর গণিত ও ইংরেজিতে পরীক্ষার্থীরা তুলনামূলক খারাপ করেছে। পাসের হার কমলেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রভাব পড়েনি।

তিন স্কুলে কেউ পাস করেনি : ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ইসলামপুর সেকেন্ডারি স্কুল, ভেরনবাড়িয়া সিএসইউ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পটুয়াখালীর উত্তর মৌকরণ এএইচ সেকেন্ডারি বিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। এ প্রসঙ্গে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. আনোয়ারুল আজিম জানান, তবে ৫০টি বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ১৬টি, বরগুনায় ১১টি, ভোলায় ১০টি, পটুয়াখালীতে ৬টি, পিরোজপুরে ৪টি ও ঝালকাঠিতে ৩টি বিদ্যালয় রয়েছে।

ভোলাই সেরা : জেলার মধ্যে এবার পাসের হারে এগিয়ে ভোলা- ৮৩ দশমিক ০২ ভাগ। গত বছর ছিল সবার শেষে- ৭০ দশমিক ৫৮। এবার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বরগুনা ৮১ দশমিক ৭০ ভাগ। গত বছরের মতো এবারও তৃতীয় পিরোজপুর ৮০ দশমিক ৭২। চতুর্থ ৭৬ দশমিক ৯৫ ভাগ। বরিশাল ৭৬ দশমিক ৬২ ভাগ। পঞ্চম স্থানে রয়েছে পটুয়াখালী জেলা। গত বছর শীর্ষে থাকা ঝালকাঠি জেলা এবার ৬২ দশমিক ২৫ ভাগ পাস করে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.