চার উন্নত দেশে নাগরিক সুবিধাসহ কাজের সুযোগ

  নাগরিক সুবিধা ১৮ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

নাগরিক সুবিধা

যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ উন্নত বিশ্বের ৪ দেশে নাগরিকত্ব ও কাজের সুযোগ রয়েছে। চলতি বছর ইমিগ্র্যান্ট হয়ে পৃথিবীর এই দেশগুলোতে স্থায়ীভাবে বসবাস ও চাকরি করার সুযোগ মিলবে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, আর্থিক সামর্থ্যরে ওপর নির্ভর করবে। যুক্তরাজ্যে কাজ ও পড়াশোনার সুযোগ পাবেন। ইউকে সরকার ভিসার প্রক্রিয়াকে পয়েন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালনা করে থাকেন। যারা অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল ব্যবসায়ী বা খুবই দক্ষ, তাদের জন্য রয়েছে টায়ার-১ ভিসা। টায়ার-২ মূলত সেই সব দক্ষ শ্রমিকদের ভিসা, যাদের ইংল্যান্ডে খুঁজে পাওয়া যায় না।

টায়ার-৩ ইতিমধ্যে আমাদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইউরোপিয়ান ইকোনোমিক এরিয়ার বাইরের দেশগুলোর ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার জন্য রয়েছে টায়ার-৪ ভিসা। অক্সফোর্ড, ক্যামব্রিজ, লন্ডন অব ইকোনোমিকসহ পৃথিবীর নামিদামি অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ রয়েছে দেশটিতে।

টায়ার-৫ মূলত আমাদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভিসা প্রোগ্রাম। ক্রিয়েটিভ বা দক্ষ খেলোয়াড় বা যারা চ্যারিটি কাজে সম্পৃৃক্ত বা যারা বিভিন্ন ধর্মীয় কাজে যুক্ত বা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চুক্তির আওতায় যারা পড়েন বা ইউথ মোবালিটি স্কিম বা কাজের জন্য যারা ইউকেতে যেতে চান তারাই মূলত এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

১২ থেকে ২৪ মাসের জন্য ভিসা দিয়ে থাকে এবং ভিসা নবায়ণযোগ্য। বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাংকে আবেদনকারীর শুধু ১৮৯০ পাউন্ড বা সমপরিমাণ বাংলাদেশি টাকা ব্যাংকে জমা থাকতে হবে। বয়স হতে হয় ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। ব্রিটেনের সব নাগরিক ফ্রি মেডিকেল কেয়ারের আওতায় থাকেন। অস্ট্রেলিয়া বা নিউজিল্যান্ড থেকে ইংল্যান্ডে লিভিং কস্ট অনেক কম। কানাডাতে প্রফেশনালদের জন্য অনেকগুলো ক্যাটাগরি রয়েছে।

তার অন্যতম হল ফেডারেল ও কুইবেক স্কিল্ড প্রোগ্রাম, প্রভিন্সশনাল নমিনি প্রোগ্রাম, কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স ক্লাস, ফেডারেল সেলফ এমপ্লয়েড প্রোগ্রাম। এ ছাড়া রয়েছে ফ্যামিলি ক্লাস স্পন্সরশিপ প্রোগ্রামস। কানাডায় বেশি এফএসডব্লিউ অ্যান্ড এক্সপ্রেস এন্ট্রি প্রোগ্রামে অস্ট্রেলিয়ায় বৈধভাবে কাজ করার সবচেয়ে উপযুক্ত প্রোগ্রাম সাব-ক্লাস-৪৮২, এই ভিসায় ভিসাপ্রার্থীকে অবশ্যই টিএসএস ভিসার পেশা তালিকার জন্য একটি অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মনোনীত হতে হবে। এই ভিসার জন্য আইইএলটিএসে প্রতিটি ব্যান্ডে ৫ বা সমমানের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকতে হবে। সাব-ক্লাস-৪৮২ প্রোগ্রাম- মূলত ডিগ্রি পাসধারী দক্ষ ও অভিজ্ঞ বাংলাদেশিদের জন্য এটা বিরাট সুযোগ। বাংলাদেশিরা যদি প্রথম থেকেই দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে ফাইল প্রসেস করে তবে স্বল্প সময়ে এই ভিসা পাওয়া নিশ্চিত।

নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ নিতে পারেন বাংলাদেশিরাও। স্কিলড মাইগ্রেশন ক্যাটাগরি সম্পর্কে এই আবেদনের শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা জানানো হয় নিউজিল্যান্ডের সরকারি ওয়েবসাইটে। এখানেও বিশেষজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। নিউজিল্যান্ডে সম্ভাব্য পেশার মধ্যে রয়েছে জেনারেল প্র্যাকটিশনার, প্যাথলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট, সোনোগ্রাফারসহ আরও কিছু খাত। নিউজিল্যান্ড সরকারের ওয়েবসাইটে দেশটিতে চাহিদা থাকা বিভিন্ন পেশার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া স্টুডেন্ট ভিসা নিয়েও পড়াশোনা করতে পারেন ইঞ্জিয়ারিং, মেডিকেল, বিজনেস, আইটি, আইন ইত্যাদি বিষয়ে। যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে কাজ, পড়ালেখা এবং নাগরিকত্ব গ্রহণ সম্পর্কে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, চলতি বছর প্রচুর দক্ষ লোকের প্রয়োজন পড়বে। আমরা যদি সঠিকভাবে ও যোগ্য লোক বাছাই করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবেদন করতে পারি, তবে সবাইকে পেছনে ফেলে আমরাই উপরোক্ত দেশগুলোর শ্রমবাজার দখল করতে পারব। বিস্তারিত জানতে wwwww.bmc.com এই ওয়েবসাইটে খুঁজে নিন। আরিফ, যুক্তরাজ্য থেকে

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×