বিভিন্ন দেশে জাতীয় শোক দিবস উদযাপিত

  যুগান্তর ডেস্ক    ২৪ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শোক দিবস

ইতালি

ইতালিতে যথাযথ মর্যাদায় বাংলাদেশ দূতাবাস রোমে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার দূতাবাসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। সন্ধ্যায় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বঙ্গবন্ধুর গৌরবময় জীবনীর ওপর নির্মিত ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে আলোচনা সভা শুরু হয়। পরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণীগুলো পাঠ করে শোনান দূতাবাসের কর্মকর্তারা। বাণী পাঠের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বহু সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি রাজনৈতিক নেতা।

রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জন্মে জাতির পিতার অবদানকে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানে বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ জন্ম হতো না। রাষ্ট্রদূত বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি স্বপ্ন দেখতেন এবং সে স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলা।

এরপর তিনি শাহাদত বরণ করেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা নিজেই সেই অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ দেশ বিনির্মাণে নিয়োজিত। আসুন আমরা তাকে সহযোগিতা করি। বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

জমির হোসেন, ইতালি থেকে রিয়াদ

বিনম্র শ্রদ্ধায় সৌদি আরবের রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ। এ সময় দূতাবাসের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সৌদি আরবে বসবাসরত বাংলাদেশি চিকিৎসক, প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও কমিউনিটির নেতারাসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রদূত। এরপর কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠন ও স্থানীয় প্রবাসীরাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। দূতাবাস প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। আলোচনার শুরুতে শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ শেষে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে দূতাবাসের উপ-মিশন প্রধান ড. নজরুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতার পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায়ের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করেছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা জাতির পিতাকে হত্যার মাধ্যমে জাতির ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনা করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলেও তার স্বপ্ন, আদর্শ, চেতনা ও মূল্যবোধ ছড়িয়ে পড়েছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে। নজরুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ তুলে ধরার আহ্বান জানান।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের, দেশের উন্নয়নে এবং যে কোনো প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানান। তিনি বৈধ ভিসা ও প্রবাসে কাজের অবস্থা ও বেতনসহ অন্যান্য সুবিধাদি জেনে বিদেশে আসার আহ্বান জানান।

ড. ফরিদ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ডাক্তার শাহ আলম, আওয়ামী পরিষদ (আওয়ামী লীগ) এর সভাপতি ও বাংলাদেশ আওয়ামী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য এম আর মাহবুব, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুর রহমান চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ডাক্তার সমির দত্ত, কবি শাহজাহান চঞ্চল, রিয়াদ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমএ জলিল, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া ইলিয়াছ, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান মুরাদ, আওয়ামী পরিষদ (আওয়ামী লীগ) এর সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস বিক্রম, শিবলী সিদ্দিকী ইকবাল, বাংলাদেশ আওয়ামী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ও রিয়াদ পূর্বাঞ্চল শাখার আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দীন মজুমদার, মহানগর বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ এটিএম জিয়াউদ্দীন, আরিফুর রহমান কুদ্দুছ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সিনিয়র যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক ইস্তিয়াক হোসেন তানিম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, জাতীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ জামাল, মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ লিয়াকত, শ্রমিক লীগের মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি শওকত ওসমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আরকান শরিফ, মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের সভাপতি এইচএম আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ইংরেজি শাখার মাহবুবুর রহমান ও কবি বশির আহমদ প্রমুখ।

সাগর চৌধুরী, সৌদি আরব থেকে ব্রুনাই

বাংলাদেশ হাইকমিশন ব্রুনাই দারুসসালাম জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে।

দূতাবাসের অস্থায়ী কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্য দিয়ে শোক দিবসের প্রথম পর্বের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ব্রুনাই এর বাংলাদেশ হাইকমিশনার এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মাহমুদ হোসেন জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সব শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা ও আত্মার মাগফিরাত কামনা করে কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও তর্জমা করা হয়।

দূতাবাসের অভ্যুর্থনা কক্ষে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রদূত দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র-প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। পরে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা অনুষ্ঠানে ব্রুনাই প্রবাসী বাংলাদেশ কমিউনিটি, বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ব্রুনাই শাখার নেতারা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত দূতালয় প্রধান ও ১ম সচিব (শ্রম) জিললাল হোসেন। এছাড়াও দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাপনী বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত বলেন, আজ বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার স্বপ্ন, আদর্শ ও নির্দেশনা আজও আমাদের সঠিক পথ দেখায়। আর তার দেখান পথ ধরেই তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছেন।

শাহাদত বার্ষিকীর অতিথিদের দেশীয় খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

সাইদুর রহমান সাবু, ব্রুনাই থেকে ডেনমার্ক

জাতির পিতা ও বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ৪৪তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগ।

কোপেনহেগেনের স্থানীয় নরোব্ররো হলের মিটিং রুমে ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তফা মজুমদার বাচ্চুর সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তব্য দেন, ডেনমার্ক আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা বাবু সুভাষ ঘোষ, রিয়াজুল হাসনাত রুবেল, সহসভাপতি খোকন মজুমদার, মোহাম্মদ ইসমাইল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, বোরহান উদ্দিন, বেলাল হোসেন রুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া শামীম, শামীম খালাসী, মোহাম্মদ সোহাগ এবং সদস্য মো. ওয়ালী হোসাইন রিপন।

অনুষ্ঠানে কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন সংগঠনের আন্তর্জাতিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম এবং জাতির পিতা ‘বঙ্গবন্ধু’, বঙ্গমাতা, জাতীয় চার নেতা, ভাষা শহীদ ও ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট শহীদ ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইব্রাহিম তুহীন খান, যুব ও স্পোর্টস সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পলাশ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শিপন মোহাম্মদ, তত্ত্ব ও গবেষণা সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান, অভিবাসন সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরিফ, কার্যকরী কমিটির সদস্য অনু মিয়া, তাজবির আহমেদ, রাজু আহম্মেদ, আশরাফ ফরাদ, নাজিম উদ্দিন, রাসেল মাতবার, এরশাদ মিয়া, নিজাম উদ্দিন বলী, বাবু, সোহেল খান, সফিকুর রহমান, আবদুর রহমান, রনি আলম, আবু সোয়েব, রাসেল, সাইদুর রহমান, নাজমুল ইসলাম, সাফায়েত অন্তর, সামছু আলম, রনি, ওমর ও শামীম খান।

উপস্থিত ছিলেন ডেনমার্ক আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক রনি আলমসহ আরও অনেকে। বক্তারা বলেন, পঁচাত্তর-পরবর্তী বাংলাদেশ ঘোর অমাবস্যায় ডুবে থাকা এক জনপদের নাম। ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বপ্নগুলোকে হায়েনার দল ক্ষতবিক্ষত করে যেন প্রতিশোধের উন্মত্ততায় মেতে উঠেছিল। সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর সংবিধানকেও কাটাছেঁড়া করে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শগুলোকে বিদায় করতে চেয়েছিল ক্ষমতা দখলকারী অপশক্তি খুনিরা। নতুন প্রজন্মের তরুণদের কাছে সে সময়গুলো যেন অনেকটা অস্পষ্ট-ধোঁয়াশা।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বক্তারা আরও বলেন- অসাম্প্রদায়িকতা ছিল বঙ্গবন্ধুর চরিত্রের একটা বিশেষ গুণ। তাই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরে পাকিস্তানি মন্ত্রে ও চেতনায় সুকৌশলে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল খুনিরা।

স্বাধীনতার চেতনাকে বিকৃত করে দেশকে পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। এমনকি স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইগুলোয় স্বাধীনতার ভুল ইতিহাস সংযোজন করেছিল তখনকার সরকার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে তারা শুধু একজন ব্যক্তিকেই হত্যা করেনি তারা পুরা জাতিকে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের জানা ছিল না একজন ব্যক্তিকে হত্যার মধ্যমে তার চেতনাকে হত্যা করা যায় না।

বঙ্গবন্ধুর চেতনা ধারণ করে স্বাধীনতার অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণে তারই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দিন-রাত বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা আজ অনেক ওপরে। বক্তারা শোক দিবসে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে নিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করার দাবি জানান।

ফয়সাল আহাম্মেদ দ্বীপ, ডেনমার্ক থেকে

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×